বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কোটিপতি হাজী সন্তানদের ব্যস্ততার ভিড়ে হারিয়ে গেল মায়ের কান্না-দিনাজপুরের এক বৃদ্ধা মায়ের নিঃশব্দ আর্তনাদ কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে চোর- ডাকাত সক্রিয়! নবীগঞ্জে ৩ গরু চোর জনতার হাতে আটক! চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযান ২৯টি চোরাই মোবাইল জব্দ গোপালগঞ্জে নকরীরচর মেফতাউল উলুম মাদ্রাসার নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন গুঁড়া বোঝাই ট্রাক উল্টে ক্ষয়ক্ষতি, অল্পের জন্য রক্ষা চালক-হেলপার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে বিপুল মাদকদ্রব্য জব্দ রাজশাহীতে ৪৫০ টাকার জন্য বন্ধুকে হত্যা শ্রীপুর ঐক্য সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে গরীব দুঃস্থদের মাঝে ,ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ। ঘুষ বানিজ্যের পর এবার “আটক বাণিজ্যে”র অভিযোগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই দেলোয়ারের বিরুদ্ধে।  প্রতিদিন স্টোরের উদ্যোগে বিরামপুরে ১৫০ মানুষের খাদ্য সহায়তা

ডুমুরিয়ায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট, দেশি গরুর চাহিদা বেশি

Reporter Name

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।

সোমবার ২৫ মে ২০২৬ ডুমুরিয়া (খুলনা): পবিত্র ঈদুল আযহা বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। এরই মধ্যে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটগুলো ক্রেতা ও বিক্রেতাদের পদচারণায় জমে উঠেছে। উপজেলার চুকনগর, শাহপুর, খর্ণিয়াসহ প্রধান প্রধান হাটগুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে গবাদিপশু বেচাকেনা।

স্থানীয় খামারিরা তাদের পরম যত্নে লালন-পালন করা গরু ও ছাগল হাটে নিয়ে আসছেন। এবারের বাজারে বড় আকারের গরুর চেয়ে মাঝারি ও ছোট সাইজের দেশি গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

মাঝারি গরু: বাজারে ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ক্রেতারা এই বাজেটের মধ্যেই বেশি ঝুঁকছেন।

বড় গরু: ২ লক্ষ থেকে শুরু করে তদূর্ধ্ব মূল্যের বড় সাইজের গরুর সরবরাহ থাকলেও ক্রেতা কিছুটা সীমিত।

ছাগলের বাজার: খাসির বাজারেও ক্রেতাদের বেশ ভিড় দেখা গেছে। ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো মানের খাসি পাওয়া যাচ্ছে।

হাটে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার পশুর দাম কিছুটা চড়া মনে হচ্ছে। তবে হাটে পর্যাপ্ত গবাদিপশু থাকায় তারা ঘুরেফিরে দেখেশুনে কেনার সুযোগ পাচ্ছেন।

অন্যদিকে বিক্রেতা ও খামারিরা জানান, গো-খাদ্যের (ভুসি, খৈল, খড়) দাম অতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার পশু লালন-পালনে খরচ অনেক বেশি হয়েছে। তাই কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি না করলে তাদের লোকসান গুনতে হবে। তবে বাজারে কৃত্রিম কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই।

পশুর হাটগুলোতে জালিয়াতি ও অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রোধে এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। এছাড়া জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিনের পাশাপাশি হাটের হাসিল (খাজনা) আদায়ের বিষয়টিও তদারকি করা হচ্ছে।

খামারিদের আশা, ঈদের দু-একদিন আগে বাজার আরও চাঙ্গা হবে এবং তারা সঠিক মূল্যেই তাদের পশু বিক্রি করতে পারবেন।