বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার প্রতি আহ্বান: ফুটবল বিশ্বকাপ উপভোগের জন্য প্রোজেক্টর উপহার দিলেন, সাবেক কাউন্সিলর শেখ জাহিদুল ইসলাম রাঙ্গামাটি নানিয়ারচর উপজেলা সেনা জোনের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে গোপালগঞ্জে জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড কৃতী পুলিশ সদস্যদের সম্মাননা, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সংবর্ধনা পর্তুগালে বেনজিরের অবৈধ সম্পত্তি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য সরকার কাজ করবে ; ড. জিয়া উদ্দিন হায়দার মহাবিশ্বের গল্প শুনলেন শিক্ষার্থীরা গোপালগঞ্জে জেলা প্রশাসকের ব্যতিক্রমধর্মী বিজ্ঞান সংলাপ দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে আরও শক্তিশালী করতে ‘দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি’-র উপদেষ্টা হলেন শেখ জাহিদুল ইসলাম গোপালগঞ্জে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত তামাক ও নিকোটিন আসক্তি প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান নবীগঞ্জে বিদ্যালয়ের দপ্তরির লাঠি পেটালো এক ৪র্থ শ্রেনীর শিক্ষার্থীকে! গণমাধ্যমকর্মী’র সাথে খারাপ আচরণ শ্রেণিকক্ষে ছুরিকাঘাতে নবীনগরে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র গুরুতর আহত, আটক ৪ কেএমপির বিশেষ যৌথ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ২১ জন গ্রেফতার।

নিষেধাজ্ঞা শেষে মধ্যরাতেই মেঘনায় নামছে লক্ষ্মীপুরের জেলেরা  

মোঃ মাসুদ রানা মনি লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

মোঃ মাসুদ রানা মনি

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

 

টানা দুই মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে মধ্যরাত থেকে মেঘনা নদীতে মাছ ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন লক্ষ্মীপুরের জেলেরা বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার পরই এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হচ্ছে।

 

সরেজমিনে মেঘনার তীর ঘুরে দেখা যায়, নদীতে নামার জন্য ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা। তারা জাল মেরামত, নৌকা ও বোট পরিষ্কারসহ নানা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অনেকেই পুরোনো নৌকা সংস্কার এবং জাল ঠিকঠাক করতে ব্যস্ত।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, রামগতি থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার নদী এলাকায় গত ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ ছিল। এ সময় রামগতিতে প্রায় ২১ হাজার ৫০০ এবং কমলনগরে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ নিবন্ধিত জেলে এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিলেন।

 

জেলে লিটন মাঝি বলেন, “নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে যাইনি। এখন সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। নিষেধাজ্ঞা উঠলেই মাছ ধরতে নামব।”

 

জেলে কালু মাঝি জানান, “সরকারি সহায়তা পাওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ছিল। এখন আবার কাজে ফিরব।”

 

আরেক জেলে সোহেল মাঝি বলেন, “মধ্যরাত থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছি আবার নদীতে নামার জন্য।।

তবে কিছু জেলে অভিযোগ করেন, তারা সরকারি সহায়তা পাননি। ফলে নিষেধাজ্ঞার সময় পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটাতে হয়েছে। তারা বলেন, “আমরা জেলে হলেও সবাই সহায়তা পাইনি। ভবিষ্যতে শতভাগ বরাদ্দ নিশ্চিত করা উচিত।”

 

রামগতি-কমলনগর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তুর্য সাহা বলেন, “অবরোধ শতভাগ কার্যকর করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় মধ্যরাত থেকেই জেলেরা নদীতে নামবে।”

 

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসাইন জানান, জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছরের মতো এবারও ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মেঘনা নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় জেলেরা আবার মাছ ধরার সুযোগ পাচ্ছেন।