সাংবাদিক কি হকার!? ইসিকে প্রশ্ন, সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ সাওপ এর।

​ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বললেও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট কিছু নিয়ম এখনো সেকেলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে আছে। পর্যবেক্ষণ কার্ডের জন্য সাংবাদিকদের কেন পত্রিকার কপি হাতে করে জমা দিতে হবে?

সরকারের চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের (DFP) কাছে প্রতিটি নিয়মিত পত্রিকার তালিকা থাকে। যেখানে সরকারের কাছে নিয়মিত কপি যায়, সেখানে আলাদা করে সাংবাদিকদের কপি জমা দেওয়াটা কেবল সময় নষ্ট নয়, বরং পেশাগত অমর্যাদা।

একজন সাংবাদিকের কাজ সংবাদ সংগ্রহ করা, তথ্য বিশ্লেষণ করা। কিন্তু কপি জমা দেওয়ার এই বাধ্যবাধকতা সাংবাদিকদের পেশাদার পরিচয়ের চেয়ে ‘হকার’ বা ‘ডেলিভারি ম্যান’ হিসেবে বেশি তুলে ধরছে। ডিএফপি তালিকা যখন আছেই, তখন সেই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পর্যবেক্ষণ কার্ড নবায়ন বা প্রদানের ব্যবস্থা করা হোক। সাংবাদিকদের মাঠের কাজ ফেলে দপ্তরে দপ্তরে পত্রিকা নিয়ে ঘোরানোর সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া উচিত।

একই সাথে অনলাইন পোর্টাল, আইপি টিভি, ইলেকট্রনিক এর ক্ষেত্রে কেন প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন তালিকা এবং প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে? আপনাদের কাছে কি তালিকা নেই? আপনারা কেন যাচাই বাচাই করতে পারেন না? যা আপনারা যাচাই বাচাই করতে না পারেন তেমন নিয়ম তৈরি না করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

​আমরা সম্মান নিয়ে কাজ করতে চাই, বোঝা বয়ে বেড়াতে নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন—এই সেকেলে নিয়ম পরিবর্তন করে সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করুন।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *