Author: Masum Ibn Musa

  • ধানের শীর্ষের বিজয় নিশ্চিত করতে তাঁতীদলের গণসংযোগ

    ধানের শীর্ষের বিজয় নিশ্চিত করতে তাঁতীদলের গণসংযোগ

    মোঃ আইনুল ইসলাম,
    বিভাগীয় সম্পাদক,
    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

    এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দিনাজপুর সদর–৩ আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীর্ষ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের বিজয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল, দিনাজপুর জেলা শাখা।

    রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেল সাড়ে চারটায় দিনাজপুর শহরসংলগ্ন মাতা সাগর, ভাটপাড়া ও গাবুড়ার মোড় এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে ধানের শীর্ষ প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক গণসংযোগ পরিচালনা করা হয়।

    গণসংযোগ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন তাঁতীদলের রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়ক কমিটির আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ রেজাউল ইসলাম (গুরু)।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা তাঁতীদলের সহসভাপতি আমজাদ হোসেন, জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের শহর শাখার সহসভাপতি রেজাকুল ইসলাম, ৯ নম্বর ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম, শহর শাখার প্রচার সম্পাদক মোঃ আইনুল ইসলামসহ জেলা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। পাশাপাশি ওই এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও কর্মসূচিতে অংশ নেন।

    গণসংযোগকালে নেতৃবৃন্দ সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীর্ষ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার জন্য ভোটারদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানান।

  • “বিচারকের আসনে বসার আগে মানুষ হও: নইলে অবিচারই হবে সমাজের নিয়তি”

    “বিচারকের আসনে বসার আগে মানুষ হও: নইলে অবিচারই হবে সমাজের নিয়তি”

    মোঃ আইনুল ইসলাম,
    বিভাগীয় সম্পাদক,
    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

    শিক্ষামূলক মতামতভিত্তিক প্রতিবেদন:

    একজন জ্ঞানী ব্যক্তির গভীর তাৎপর্যপূর্ণ বাণী—“বিচার করার আগে সাধক হও আগে।”এই একটি বাক্যের ভেতরেই লুকিয়ে আছে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মৌলিক দর্শন। কারণ, সাধক না হয়ে বিচার করতে গেলে সেই বিচার আর ন্যায় থাকে না—তা রূপ নেয় অবিচারে।

    আর ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে অবিচার কোনো সাধারণ অপরাধ নয়; এটি এমন এক অপরাধ, যার জবাবদিহিতা সরাসরি আল্লাহ পাকের দরবারে দিতে হবে। কেননা—
    “সমস্ত বিচারকের মাথার উপর একজন মহা বিচারক রয়েছেন, তিনি হলেন আল্লাহ।”

    ❖ সমস্যা কোথায়?
    আমাদের সমাজে দুঃখজনকভাবে এমন একটি শ্রেণি তৈরি হয়েছে— যারা আত্মসমালোচনার বদলে অন্যের দোষ খুঁজতেই বেশি ব্যস্ত। নিজের ভেতরের অসঙ্গতি, নৈতিক দুর্বলতা কিংবা দায়ীত্বহীনতা তারা দেখেন না; কিন্তু অন্যের সামান্য ত্রুটি তাদের চোখে পাহাড়সম হয়ে ওঠে।

    এই মানসিকতা থেকেই জন্ম নেয়—
    মানুষের মাঝে বিবাদ সৃষ্টি, সামাজিক বিভাজন, অপপ্রচার, অন্যায়ের নীরব সহযোগিতা, এবং সম্মানহানির সংস্কৃতি সমাজবিজ্ঞান বলে, যে ব্যক্তি নিজের সংশোধনে আগ্রহী নয়, সে কখনো সমাজ সংশোধনের যোগ্য হতে পারে না।

    ❖ যুক্তির জায়গা
    অজ্ঞতা যখন আত্মবিশ্বাসের মুখোশ পরে আসে, তখন যুক্তি আর কাজ করে না।
    কারণ— যুক্তি বোঝার জন্য দরকার মন,
    মন খোলার জন্য দরকার বিনয়, আর বিনয়ের জন্য দরকার আত্মজ্ঞান, যার ভেতরে এই তিনটির কোনোটিই নেই, তার কাছে যুক্তি দেওয়া মানে—পাথরে বীজ বপন করা।

    এমন মানসিকতা সম্পর্কে কুরআনের একটি গভীর ইশারা প্রযোজ্য হয়ে ওঠে—
    “তাদের চোখ আছে, কিন্তু তারা দেখে না;
    তাদের হৃদয় আছে, কিন্তু তারা উপলব্ধি করে না।” এরা শারীরিকভাবে জীবিত, কিন্তু নৈতিকভাবে অচল।

    ❖ সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য পরিণতি
    প্রশ্ন উঠতেই পারে—এই ধরনের মানসিকতা থেকে কি পারিবারিক কল্যাণ সম্ভব, সামাজিক স্থিতি? রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন? উত্তর বাস্তবতা থেকেই আসে—যেখানে আত্মশুদ্ধি নেই, সেখানে দায়ীত্ববোধ জন্মায় না।

    যেখানে দায়ীত্ববোধ নেই, সেখানে কল্যাণ কেবল কাগজে থাকে—বাস্তবে নয়। ঠিক যেমন— বিষাক্ত পানি যেদিকে গড়ায়, সেদিকের পরিবেশ ধ্বংস করে, তেমনি বিষাক্ত চিন্তা যেখানেই প্রভাব বিস্তার করে, সেখানেই নষ্ট হয় সম্পর্ক, সমাজ ও বিশ্বাস।

    ❖ করণীয় কী?
    সমাধান খুব জটিল নয়, কিন্তু কঠিন নিজেকে বিচার করার সাহস অর্জন করা।
    অন্যকে প্রশ্ন করার আগে নিজেকে প্রশ্ন করা
    দোষ ধরার আগে দায়ীত্ব বোঝা,বিচার করার আগে মানবিক হওয়া,এটাই সভ্য সমাজের ভিত্তি।

    ❖ উপসংহার
    আজ সমাজের সবচেয়ে বড় সংকট দারিদ্র্য নয়, অশিক্ষাও নয়—সবচেয়ে বড় সংকট হলো নৈতিক আত্মসমালোচনার অভাব।
    যে ব্যক্তি নিজেকে সংশোধন করতে শেখে, সে একাই সমাজ বদলাতে পারে। আর যে ব্যক্তি শুধু অন্যকে বিচার করতেই জানে—সে নিজেই সমাজের বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।
    বিচার করার আগে মানুষ হও—কারণ আল্লাহর আদালতে কোনো ভুল বিচার ক্ষমা পায় না।

  • খুলনা খালিশপুরে নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেবেন তারেক রহমান।

    খুলনা খালিশপুরে নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেবেন তারেক রহমান।

    মোঃ রফিকুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধি:
    খুলনা জেলা,
    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জনমত গঠনের লক্ষ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (রবিবার) খুলনা শহরে একটি বড় নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেবেন।

    জনসভাটি অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০ ঘটিকায়,খালিশপুর এলাকার প্রভাতী স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে। স্থানীয় বিএনপির খুলনা মহানগর কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি, খালিশপুর থানা বিএনপির সাবেক আহবায়ক: ও কেসিসির ৯নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শেখ জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছে, এই সভায় দলের জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী উপস্থিত থাকবেন।
    তিনি আরো বলেন, তারেক রহমান ০২ ফেব্রুয়ারি সকালে হেলিকপ্টার যোগে বৈকালী স্টেডিয়ামে (অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প) আসবেন।
    তাঁকে বরণ করার জন্য প্রস্তুত থাকবে ৯নং ও ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও খুলনা ৩ আসনের সাধারণ ভোটারগন।
    সেখান থেকে গাড়ি যোগে তিঁনি পৌছাবেন খালিশপুরে প্রোভাতী স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে। সকাল ১০ ঘটিকায় ভাষন দিবেন।
    উল্লেখ্য, এই জনসভা খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে গত কয়েক মাসে আয়োজিত অন্যতম বড় জনসমাবেশ। দলীয় সূত্রে খবর, তারেক রহমান এদিন জাতীয় রাজনীতি, অর্থনৈতিক সংকট, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং স্থানীয় সমস্যাগুলো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য রাখবেন।

    স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আগে থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বলে জানা গেছে।

    জনসভায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বিএনপি খুলনা মহানগর শাখা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও স্থানীয় প্রচারের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে।