Category: সড়ক দুর্ঘটনা

  • গোবিন্দগঞ্জে ট্রাকচাপায় অজ্ঞাত যুবক নিহত

    গোবিন্দগঞ্জে ট্রাকচাপায় অজ্ঞাত যুবক নিহত

    মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, স্টাফ রিপোর্টার, গাইবান্ধা

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে ট্রাকের ধাক্কায় অজ্ঞাত এক যুবক নিহত হয়েছেন।

     

    বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে মহাসড়কের মায়ামনি হোটেলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

     

    স্থানীয়রা জানান, রাত ২টার দিকে দ্রুতগামী একটি ট্রাক ওই যুবককে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহতের বয়স আনুমানিক ২৫-৩০ বছর। তার পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি।

     

    গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

     

    গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি জানান, ঘাতক ট্রাকটি শনাক্ত ও নিহতের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • নওগাঁয় আত্রাইয়ে ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে পুলিশ সদস্যের; দুই পা বিচ্ছিন্ন!

    নওগাঁয় আত্রাইয়ে ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে পুলিশ সদস্যের; দুই পা বিচ্ছিন্ন!

    মিরু হাসান, স্টাফ রিপোর্টর, নওগাঁ

    নওগাঁর আত্রাইয়ে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে এক পুলিশ সদস্য তার দুই পা হারিয়েছেন।

    ঘটনাটি সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে আত্রাই রেল স্টেশনে ঘটে।

    আহত পুলিশ সদস্যের নাম এমরান মিয়া (২৫)। তিনি বাগেরহাট জেলায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত এবং আত্রাই উপজেলার তারাটিয়া গ্রামে তার শ্বশুরবাড়ি।

    জানা গেছে, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে করে তিনি শ্বশুরবাড়িতে যাচ্ছিলেন। সকালে ট্রেনটি আত্রাই স্টেশনে পৌঁছানোর সময় গতি কিছুটা কমলে তিনি তাড়াহুড়ো করে লাফ দিয়ে নামার চেষ্টা করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তিনি ভারসাম্য হারিয়ে ট্রেনের চাকার নিচে পড়ে যান। এতে তার দুই পা হাঁটুর নিচ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

    স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার সময় এমরান মিয়া ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে এই ভয়াবহ ঘটনার শিকার হন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার গ্রামের বাড়ির বিস্তারিত ঠিকানা জানা যায়নি।

    তিনি আরো বলেন চলন্ত ট্রেন থেকে ওঠানামা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এ ধরনের অসাবধানতা জীবনঘাতী হতে পারে।

  • খুলনায় বাসের ধাক্কায় নারী নিহত

    খুলনায় বাসের ধাক্কায় নারী নিহত

    এস.এম.শামীম, খুলনা।।

    খুলনার রূপসায় বাসের ধাক্কায় লিলি কুন্ডু (৪৯) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন।
    বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের আহমদাবাদ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। একই দুর্ঘটনায় নিহত নারীর স্বামী অমর কুন্ডু গুরুতর আহত হয়েছেন। তার অবস্থা আশংকাজনক। নিহত ওই নারী খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার গোরম্বা গ্রামের বাসিন্দা। এই দম্পতি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা ইউএনও অফিসের পেছনে বসবাস করতেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ আই হসপিটাল থেকে ডাক্তার দেখিয়ে স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলযোগে (খুলনা মেট্রো-হ ১৪-৫২৭৫) বাড়ি ফিরছিলেন লিলি কুন্ডু। পথে আহমদাবাদ এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে আসা একটি লোকাল বাস (ঢাকা মেট্রো-জ ১১-২০৮৫) মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলের পেছনে বসা লিলি কুন্ডু সড়কে ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় নিহতের স্বামীকে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

    রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অফিসার ইনচার্জ) আব্দুর রাজ্জাক মীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘাতক বাস ও এর চালককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

  • ফটিকছড়িতে বরযাত্রীবাহী বাস উল্টে মোটরসাইকেলের ৩ আরোহী নিহত, আহত ১৭

    ফটিকছড়িতে বরযাত্রীবাহী বাস উল্টে মোটরসাইকেলের ৩ আরোহী নিহত, আহত ১৭

    এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

    চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বরযাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে তিন আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বাসের অন্তত ১৭ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
    সোমবার (৯ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কের ফেলাগাজী মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    নিহতরা হলেন, মোটরসাইকেলের আরোহী নয়ন ওঁরাও (১৯), উত্তম ওঁরাও (২০) ও তপু কর্মকার (১৬)। তাদের বাড়ি ফটিকছড়ি উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের হাজারিখীল এলাকায়।
    নিহত উত্তম ওঁরাওয়ের বাবা যোগেজ ওঁরাও জানান, তারা তিনজনই রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।
    প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে নাজিরহাট হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, বোয়ালখালী উপজেলা থেকে দুটি বাসে করে লোকজন মানিকছড়ি উপজেলায় একটি হিন্দু বউভাত অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে বিকালে ফেরার পথে ফেলাগাজী মোড় এলাকায় বরযাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের একজন আরোহী নিহত হন। পরে আহত দুজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
    দুর্ঘটনায় অন্তত ১৭ জন বরযাত্রী আহত হন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
    ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মেহেদী হাসান জানান, আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় নয়জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
    ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সেলিম বলেন, ঘটনাস্থলে একজন মারা যান এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহতদের চিকিৎসা চলছে।

  • রূপসা ব্রিজ-এর ঢালে সড়ক দুর্ঘটনা: ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল চাকরিজীবীর

    রূপসা ব্রিজ-এর ঢালে সড়ক দুর্ঘটনা: ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল চাকরিজীবীর

    হিরামন সাগর, খুলনা জেলা প্রতিনিধি :

    খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানা এলাকায় রূপসা ব্রিজের পশ্চিম পাশের ঢালে সড়ক দুর্ঘটনায় মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল আনুমানিক ৭টা ১০ মিনিটের দিকে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জাহাঙ্গীর পেশায় একজন চাকরিজীবী ছিলেন। তিনি বাগেরহাট জেলার সরুই এলাকার ৩৮ খান জাহান আলী সড়কের বাসিন্দা। তার পিতার নাম জয়নাল আবেদীন।

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে তিনি তার বড় ছেলেকে খুলনা রেলস্টেশনে পৌঁছে দিয়ে মোটরসাইকেলে বাগেরহাটের উদ্দেশ্যে রওনা হন। রূপসা ব্রিজের পশ্চিম ঢালে পৌঁছালে খুলনা মেট্রো-ট ১১-০৮০৮ নম্বরের একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই মৃত্যুবরণ করেন।
    দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা পুলিশ কে খবর দেয়। দুর্ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। থানার এস আই পীযূষ কান্তি বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো করা হয়েছে।

  • চট্টগ্রামে নির্বাচনী দায়িত্ব শেষে ফেরার পথে বাস দুর্ঘটনা: আনসার সদস্য নিহত, আহত বহু।

    চট্টগ্রামে নির্বাচনী দায়িত্ব শেষে ফেরার পথে বাস দুর্ঘটনা: আনসার সদস্য নিহত, আহত বহু।

    মো: সেলিম রানা

    চট্টগ্রাম, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৬: নির্বাচনী দায়িত্ব শেষে ফেরার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী-এর এক অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিহত হয়েছেন।
    আজ ভোররাত আনুমানিক ১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর কর্ণফুলী টানেল সড়কের চৌরাস্তামোড় অতিক্রম করার সময় ২৩ জন সদস্য বহনকারী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের রেলিংয়ে উঠে উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই আনসার সদস্য মোঃ আব্দুল জব্বার নিহত হন।
    দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম বিএনএস হাসপাতাল-এর আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে এবং আরও সাতজন এইচডিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
    নিহত আব্দুল জব্বারের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলাতে। তিনি পতেঙ্গায় অবস্থিত মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড-এ কর্মরত ছিলেন।
    ঘটনায় বাহিনীতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ নিহত সদস্যের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। পাশাপাশি আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।
    উল্লেখ্য, গতকাল সারাদেশে নির্বাচনী দায়িত্বে বাহিনীর ৫ লাখ ৭৬ হাজারেরও বেশি সদস্য নিয়োজিত ছিলেন। বিপুল সংখ্যক সদস্যকে নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া এবং দায়িত্ব শেষে ফেরত আনা ছিল বড় চ্যালেঞ্জিং দায়িত্ব। দেশের অন্য কোথাও বড় ধরনের দুর্ঘটনার খবর না পাওয়া গেলেও চট্টগ্রামের এই মর্মান্তিক ঘটনা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে।
    বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি পরিবার নিহত সদস্যের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে। একই সঙ্গে আহত সকল আনসার সদস্যের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়েছে।

  • রাস্তা তো নয়, যেন মরণফাঁদ বটিয়াঘাটা–পাইকগাছা সড়কে চরম ভোগান্তি, প্রতিদিনই দুর্ঘটনার আশঙ্কা

    রাস্তা তো নয়, যেন মরণফাঁদ বটিয়াঘাটা–পাইকগাছা সড়কে চরম ভোগান্তি, প্রতিদিনই দুর্ঘটনার আশঙ্কা

    এইচ এম সাগর (হিরামন)

    খুলনার বটিয়াঘাটা–পাইকগাছা সড়কটি এখন এলাকাবাসীর জন্য আতঙ্কের নাম। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি কার্যত মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বাড়ছে প্রাণহানির শঙ্কা। সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের পার পটিয়াঘাটা, হেতালবুনিয়া, মাইলমালা, বটতলা, রায়পুর, টাকিমারি, ফুলবাড়ী স্থানে রাস্তার ভয়াবহ চিত্র। এসব এলাকায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ ঢালাই উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। কোথাও কোথাও গর্ত এতটাই গভীর যে সামান্য অসতর্কতায় উল্টে যাচ্ছে যানবাহন। বিশেষ করে রাতের বেলায় এসব গর্ত দেখা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী পথচারী, মোটরসাইকেল আরোহী ও যানবাহন চালকদের প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। অনেক সময় রোগীবাহী যান ও শিক্ষার্থী সহ ব্যবসায়ীদের বহনকারী যানও এই ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে। প্রতিদিন শত শত যানবাহন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে থাকে। খুলনার দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের একমাত্র যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই খুলনার বটিয়াঘাটা পাইকগাছা দারুনমল্লিক সড়কটি। যা মানবিক দিক থেকেও অত্যন্ত উদ্বেগজনক। রায়পুর এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শাহাবুউদ্দিন শেখ অভিযোগ করে বলেন, বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দ্রুত সড়ক সংস্কার না করা হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের। এলাকার বিশিষ্ট সাংবাদিক শেখ মনিরুজ্জামান মনি বলেন, ভাই কি বলবো রাস্তা তো নয়, যেন মরণ ফাদ। প্রতিদিনই এই রাস্তায় দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। মাঝেমধ্যে সড়ক ও জনপদ বিভাগ কিছু সংস্কার করে থাকেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় কিছু দিনের মধ্যে সেই ইট হারিয়ে যায়। পুনরায় খানা গর্তে পরিণত হয় সড়কটি। এলাকাবাসীর দাবি,জরুরি ভিত্তিতে বটিয়াঘাটা-পাইকগাছা সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করা হোক, যাতে সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা পায়। গতকাল রবিবার উক্ত সড়কের রায়পুর ক্লাব সংলগ্ন মিজান শেখের বাড়ির সামনে বালুবাহী একটি টমটম গাড়ি উল্টে সড়কের পাশে পড়ে যায়। আহত হয় চালকসহ দুজন হেলপার। এভাবে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। রায়পুর দাখিল মাদ্রাসা সুপার মোঃ আহাদ বলেন, শিক্ষার্থীদের মাদ্রাসায় আসছে অনেক সমস্যা হচ্ছে। রাস্তার অবস্থা অনেক ভয়ানক অবস্থা ধারণ করেছে। রায়পুর মসজিদের পাশে সড়কটি ভেঙে পুকুরের ভিতরে চলে যাচ্ছে। তার কিছু দুরে রাস্তার অবস্থা আরো খারাপ।
    সুরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন লিটু বলেন, রাস্তা দিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই ছোটখাটো কিছু না কিছু দুর্ঘটনা ঘটছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে একাধিকবার কথা হয়েছে। তারা শুধু আশ্বাসের বাণী শোনান। খুলনা সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ তানিমুল হক বলেন,অধিকাংশ রাস্তা আমরা সংস্কার করেছি। মাঝেমধ্যে কিছু সমস্যা রয়েছে। অতিসত্তার সেটা সংস্কার করা হবে। ##

    রাস্তা তো নয়, যেন মরণফাঁদ
    বটিয়াঘাটা–পাইকগাছা সড়কে চরম ভোগান্তি, প্রতিদিনই দুর্ঘটনার আশঙ্কা

    হিরামন মন্ডল সাগর, বটিয়াঘাটা খুলনা :
    খুলনার বটিয়াঘাটা–পাইকগাছা সড়কটি এখন এলাকাবাসীর জন্য আতঙ্কের নাম। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি কার্যত মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বাড়ছে প্রাণহানির শঙ্কা। সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের পার পটিয়াঘাটা, হেতালবুনিয়া, মাইলমালা, বটতলা, রায়পুর, টাকিমারি, ফুলবাড়ী স্থানে রাস্তার ভয়াবহ চিত্র। এসব এলাকায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ ঢালাই উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। কোথাও কোথাও গর্ত এতটাই গভীর যে সামান্য অসতর্কতায় উল্টে যাচ্ছে যানবাহন। বিশেষ করে রাতের বেলায় এসব গর্ত দেখা না যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী পথচারী, মোটরসাইকেল আরোহী ও যানবাহন চালকদের প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। অনেক সময় রোগীবাহী যান ও শিক্ষার্থী সহ ব্যবসায়ীদের বহনকারী যানও এই ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে। প্রতিদিন শত শত যানবাহন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে থাকে। খুলনার দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের একমাত্র যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই খুলনার বটিয়াঘাটা পাইকগাছা দারুনমল্লিক সড়কটি। যা মানবিক দিক থেকেও অত্যন্ত উদ্বেগজনক। রায়পুর এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শাহাবুউদ্দিন শেখ অভিযোগ করে বলেন, বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দ্রুত সড়ক সংস্কার না করা হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের। এলাকার বিশিষ্ট সাংবাদিক শেখ মনিরুজ্জামান মনি বলেন, ভাই কি বলবো রাস্তা তো নয়, যেন মরণ ফাদ। প্রতিদিনই এই রাস্তায় দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। মাঝেমধ্যে সড়ক ও জনপদ বিভাগ কিছু সংস্কার করে থাকেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় কিছু দিনের মধ্যে সেই ইট হারিয়ে যায়। পুনরায় খানা গর্তে পরিণত হয় সড়কটি। এলাকাবাসীর দাবি,জরুরি ভিত্তিতে বটিয়াঘাটা-পাইকগাছা সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করা হোক, যাতে সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা পায়। গতকাল রবিবার উক্ত সড়কের রায়পুর ক্লাব সংলগ্ন মিজান শেখের বাড়ির সামনে বালুবাহী একটি টমটম গাড়ি উল্টে সড়কের পাশে পড়ে যায়। আহত হয় চালকসহ দুজন হেলপার। এভাবে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। রায়পুর দাখিল মাদ্রাসা সুপার মোঃ আহাদ বলেন, শিক্ষার্থীদের মাদ্রাসায় আসছে অনেক সমস্যা হচ্ছে। রাস্তার অবস্থা অনেক ভয়ানক অবস্থা ধারণ করেছে। রায়পুর মসজিদের পাশে সড়কটি ভেঙে পুকুরের ভিতরে চলে যাচ্ছে। তার কিছু দুরে রাস্তার অবস্থা আরো খারাপ।
    সুরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন লিটু বলেন, রাস্তা দিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই ছোটখাটো কিছু না কিছু দুর্ঘটনা ঘটছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে একাধিকবার কথা হয়েছে। তারা শুধু আশ্বাসের বাণী শোনান। খুলনা সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ তানিমুল হক বলেন,অধিকাংশ রাস্তা আমরা সংস্কার করেছি। মাঝেমধ্যে কিছু সমস্যা রয়েছে। অতিসত্তার সেটা সংস্কার করা হবে। ##