Author: Masum Ibn Musa

  • মদনে ৯৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার-১

    মদনে ৯৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার-১

    মোঃ আলম খান,নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ

    নেত্রকোনার মদন উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৯৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে মদন থানা পুলিশ।
    শনিবার (২৩ মে) সকাল ৯ টা ৩০ ঘটিকায় দিকে মদন থানাধীন মদন পৌরসভাস্হ জাহাঙ্গীরপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মদন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ তরিকুল ইসলাম এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) ফয়সাল, এএসআই সাকিব, এএসআই খোরশেদসহ, পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় মদন থানাধীন মদন পৌরসভাস্হ জাহাঙ্গীরপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের জনৈক অলি মিয়ার বাড়ীর পিছনে সাত্তার সাহের পতিত জমি হইতে আসামী মোঃ মিলন শেখ (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃত মোঃ মিলন শেখ উপজেলার ৬নং তিয়শ্রী ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের কহুছ মিয়ার ছেলে।
    এসময় তার কাছ থেকে ৯৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে মদন থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

    মদন থানা অফিসার ইনচার্জ,মোঃ তরিকুল ইসলাম জানান, মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং মাদক নির্মূলে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
    এ ঘটনায় মদন থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে।

  • বাঁশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক ও জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে বড় সফলতা : আটক ১৩

    বাঁশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক ও জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে বড় সফলতা : আটক ১৩

    রিপোর্টার : মোনতাহেরুল হক আমিন : বাঁশখালী প্রতিনিধি

    বাঁশখালী থানা এলাকায় মাদক, জুয়া ও অনলাইন জুয়া দমনে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ১৩ জনকে আটক করেছে বাঁশখালী থানা পুলিশ। আটককৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

    অদ্য ২২/০৫/২০২৬ খ্রি. তারিখ বিকাল ০৫:০০ ঘটিকা হতে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ রবিউল হক এর নেতৃত্বে বাঁশখালী থানার অফিসার-ফোর্সের সমন্বয়ে মোটরসাইকেলযোগে অত্র থানাধীন চাম্বল ও শীলকূপ ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা, বাজার, জনবহুল স্থান এবং অপরাধপ্রবণ পয়েন্টে একযোগে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। একই সময়ে রামদাস মুন্সীরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি চৌকস পুলিশ টিম তাদের দায়িত্বাধীন এলাকায় সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে।

    চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানা এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদক, জুয়া ও অনলাইন জুয়া নির্মূলের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশের এই অভিযানের সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।

    পুলিশের গোয়েন্দা তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই সাঁড়াশি অভিযানে মাদক সেবনকারী, মাদক ব্যবসায়ী, অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িত ব্যক্তি এবং প্রকাশ্যে জুয়া খেলায় সম্পৃক্ত মোট ১৩ (তের) জন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের নিকট হতে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয় এবং অনলাইন জুয়া ও জুয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়।

    অভিযান চলাকালে পুলিশের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপে অপরাধীদের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। স্থানীয় জনসাধারণ পুলিশের এমন কঠোর ও তাৎক্ষণিক অভিযানের প্রশংসা করেন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বাঁশখালী থানা পুলিশের ভূমিকার প্রতি সন্তোষ প্রকাশ ও ভূয়সী প্রসংসা করেন।

    গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেনঃ
    ১। মোঃ আজিজ (২০), পিতা- আবুল কাশেম, সাং- জালিয়াঘাটা বাজার, ৯নং ওয়ার্ড, শীলকূপ ইউপি, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০৩ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (মাদক)।
    ২। নুরুল আমিন (৪৪), পিতা- মৃত খুইল্যা মিয়া, সাং- মাইঝপাড়া, ৬নং ওয়ার্ড, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০৬ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (মাদক)।
    ৩। মোঃ আব্দুল কাদের (৪২), পিতা- মৃত আব্দুল মজিদ, সাং- মিঠাপাড়া, উত্তর চাম্বল, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০৩ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (মাদক)।
    ৪। মোঃ আবুল বশর (২৯), পিতা- মোঃ নুরুচ্ছফা, সাং- মাইঝপাড়া, ৬নং ওয়ার্ড, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০৬ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (মাদক)।
    ৫। মোঃ ছাবের আহমদ (৩৪), পিতা- মৃত মোঃ ইউসুফ, সাং- জালিয়াঘাটা বাজার, ৯নং ওয়ার্ড, শীলকূপ ইউপি, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০৩ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (মাদক)।
    ৬। মোঃ দিদারুল আলম (২২), পিতা- মোঃ বদিউল আলম, সাং- মুলকিরচর, শীলকূপ, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০৬ মাস কারাদণ্ড ও ৫০০/- টাকা অর্থদণ্ড (জুয়া)।
    ৭। আব্দুল গফুর (৩০), পিতা- মৃত বদি আলম, সাং- মুলকিরচর, শীলকূপ, , থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০২ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (জুয়া)।
    ৮। আজগর হোসেন (৩২), পিতা- হাছান আহমদ, সাং- মুলকিরচর, শীলকূপ, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০৩ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (জুয়া)।
    ৯। আব্দুল জব্বার (৫৫), পিতা- মৃত নজির আহমদ, সাং- মুলকিরচর, শীলকূপ, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০২ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (জুয়া)।
    ১০। সাহাব উদ্দিন (৩০), পিতা- মীর কাশেম, সাং- মুলকিরচর, শীলকূপ, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০২ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (জুয়া)।
    ১১। মনছুরুল হক (৪০), পিতা- মৃত বদি আলম, সাং- মুলকিরচর, শীলকূপ, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০২ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (জুয়া)।
    ১২। মোঃ মোজাফফর আহমদ (৪২), পিতা- মৃত আব্দুর রহমান, সাং- মুলকিরচর, শীলকূপ, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০২ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (জুয়া)।
    ১৩। মোঃ আলাউদ্দিন (৪৫), পিতা- মৃত মনির হোসেন, সাং- বানীগ্রাম, নতুনপাড়া, ৪নং ওয়ার্ড, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০৬ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (মাদক)।
    এ বিষয়ে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ রবিউল হক বলেন, সমাজকে মাদক, জুয়া ও অনলাইন জুয়ামুক্ত রাখতে নিয়মিত টহল, বিশেষ অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অপরাধ দমনে বাঁশখালী থানা পুলিশ কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তিনি অপরাধ দমনে জনসাধারণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

  • মাদকবিরোধী অভিযানে টঙ্গীর দুই বস্তি থেকে আটক ১৪ জন

    মাদকবিরোধী অভিযানে টঙ্গীর দুই বস্তি থেকে আটক ১৪ জন

    মোঃ মোসাদ্দেক হোসাইন ইমন:

    গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুই বস্তি এলাকা থেকে ১৪ জনকে আটক করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)। অভিযানে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে এরশাদনগর ও হাজী মাজার বস্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    জানা গেছে, জিএমপির চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে কয়েকদিন কৌশলগত বিরতির পর হঠাৎ করেই এ অভিযান চালানো হয়। প্রথমে এরশাদনগর বস্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৯ জনকে আটক করা হয়। পরে হাজী মাজার বস্তিতে অভিযান চালিয়ে আরও ৫ জনকে আটক করা হয়। এসময় উভয় এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

    স্থানীয় একটি গোপন সূত্র জানায়, অভিযানের তথ্য আগেই ফাঁস হয়ে যাওয়ায় কয়েকজন চিহ্নিত মাদক কারবারি ও মাদকসেবী এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। ফলে পুলিশের অভিযানে কয়েকজন আটক হলেও বড় ধরনের কোনো মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি বলে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে।

    অভিযানে নেতৃত্ব দেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. বেলায়েত হোসেন। তিনি জানান, “মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে দুই বস্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মাদক ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

    স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, টঙ্গীর বস্তি এলাকাগুলোতে মাদক কারবার ও সেবন দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারির মাধ্যমে এসব এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

  • বৃদ্ধা মহিলাকে হ/ত্যার পর মৃতদেহের সাথে কয়েক দফায় শারীরিক সম্পর্ক করে এক নরপিশাচ

    বৃদ্ধা মহিলাকে হ/ত্যার পর মৃতদেহের সাথে কয়েক দফায় শারীরিক সম্পর্ক করে এক নরপিশাচ

    টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি এলাকার একটি নির্জন বাঁশঝাড় সংলগ্ন পরিত্যক্ত কূপের ভেতর থেকে অর্ধ-ন/গ্ন অবস্থায় আনোয়ারা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। -মর্মান্তিক এ ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং স্থানীয়দের মাঝে শোক, আত/ঙ্ক ও ক্ষোভের জন্ম দেয়। ঘটনার পর থেকেই মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করে ঘাটাইল থানা পুলিশ।
    পরিবার সূত্রে জানা যায়,স্বামীর মৃ/ত্যুর পর দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়িতে একাই বসবাস করছিলেন আনোয়ারা বেগম। ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। পরিবারের সদস্যরা প্রতিনিয়ত তার খোঁজখবর নিতেন। কিন্তু হঠাৎ করেই তিনি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গেলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

    ঘটনার আগের দিন পর্যন্ত ভিকটিমের সঙ্গে তার ছেলে-মেয়েরা স্বাভাবিকভাবে কথা বলেন। পরদিন সকাল থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বিষয়টি থানাতে অবহিত করা হয় এবং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। নিখোঁজের ঘটনার পর পুলিশ ও স্থানীয়দের সমন্বয়ে ব্যাপক অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হয়।

    স্থানীয় তদন্ত, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা, বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ এবং সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণের মাধ্যমে মামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মোঃ সাইফুল ইসলামকে মূল সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়। সাইফুল ঘটনার পর পর পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছিল।

    অবশেষে টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় এবং গোপালপুর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অফিসার ইনচার্জ ঘাটাইল থানা মোঃ মোকছেদুর রহমান এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম গঠন করা হয়। উক্ত টিমের সদস্য এসআই মোঃ রাজু আহমেদ, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাজিম উদ্দিন, এএসআই আমিনুল এবং কনস্টেবল ওয়াজেদ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে ২২ মে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ রাত আনুমানিক ১টা ২৫ মিনিটে থানা এলাকা হতে আসামি মোঃ সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করেন।

    গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আসামি জানায়, গত ২৩/০৮/২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে সে ভিকটিম আনোয়ারা বেগমের বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ভিকটিম তাকে গাছের ডাল কেটে দিতে বলেন। সে গাছের ডাল কাটার একপর্যায়ে ভিকটিমকে ঘরের ভিতরে কাপড় পরিবর্তনের সময় অর্ধ-ন/গ্ন অবস্থায় দেখতে পেয়ে কু-উদ্দেশ্যে গাছ থেকে নিচে নেমে আসে। পরবর্তীতে ভিকটিমের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে মাটিতে ফেলে জোরপূর্বক ধ-র্ষ/ণ করে। পরে রান্নাঘরে নিয়ে গিয়ে পুনরায় ধ-র্ষ/ণ করে এবং মৃ/ত্যু নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বালিশ চাপা দিয়ে হ/ত্যা করে। পরবর্তীতে ঘটনাটি গোপন করার উদ্দেশ্যে মরদেহ গাছের ডালপালা দিয়ে ঢেকে রাখে এবং ভিকটিমের কানের দুল খুলে নিয়ে যায়।

    এরপর রাত গভীর হলে পুনরায় ঘটনাস্থলে এসে আনোয়ারার মৃ/তদেহের উপর থেকে ডাল পাল সরিয়ে ন/গ্ন অবস্থায় দেখে মৃ/ত আনোয়ারার সাথে পুনরায় শারিরীক সম্পর্ক করে। পরবর্তীতে মর/দেহ টেনে-হিঁচড়ে দেউলাবাড়ি এলাকার একটি নির্জন বাঁশঝাড় সংলগ্ন পরিত্যক্ত কূপের মধ্যে ফেলে দেয়। মরদেহের উপর কাপড় ও জঙ্গল ফেলে ঘটনাটি আড়াল করার চেষ্টা করে।

    প্রাথমিক তদন্তে হ/ত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামির সম্পৃক্ততার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। গ্রেফতারের পর আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হলে সে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ সংক্রান্ত পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

  • কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে  সবজি বীজ বিতরণ করলো ব্র্যাক

    কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সবজি বীজ বিতরণ করলো ব্র্যাক

    আবির হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি:-

    যশোর-২ অঞ্চলের বারোবাজার এলাকার বারোবাজার শাখার আওতাধীন কুল্লাপাড়া গ্রামে ব্র্যাকের উদ্যোগে কৃষি পরামর্শ ও বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৮ মে ২০২৬) আয়োজিত এ সভায় মোট ৫০ জন অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ৪০ জন নন-ক্লায়েন্ট এবং ১০ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (দাবি) মোঃ রোকনুজ্জামান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এলাকা ব্যবস্থাপক (দাবি) মোঃ কামরুজ্জামান, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম, শাখা ব্যবস্থাপক (দাবি) আব্দুল মজিদ এবং সিডিও (দাবি) তাপস রায়।
    সভায় ব্র্যাকের চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও আর্থিক সেবা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনায় উঠে আসে ‘আমার হিসাব’, সেল্ফ প্রোগ্রাম, সাধারণ সঞ্চয়, ডিপিএস, ছায়া সঞ্চয়, ফিশ ফার্মিং, গবাদিপশুর বীমা, মানি প্ল্যান্ট, শস্য বীমাসহ কৃষিক্ষেত্রে উচ্চ ফলন নিশ্চিতকরণে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৌশলের বিষয়গুলো।
    বক্তারা বলেন, ব্র্যাকের বহুমুখী সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অগ্রগতি, আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন এবং জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। একই সঙ্গে কৃষকদের আধুনিক ও লাভজনক কৃষিচর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে এসব কার্যক্রম সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
    সভা শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বিনামূল্যে দুই প্যাকেট করে সবজির বীজ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি কৃষি বিষয়ক প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

  • অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে খুলনা ব্লাড ফুড ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রমী ‘আম-কেক উৎসব’

    অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে খুলনা ব্লাড ফুড ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রমী ‘আম-কেক উৎসব’

    মোছাঃ মনিরা বেগম, খুলনা বিভাগীয় সম্পাদিকা, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

    সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের মুখে সামান্য আনন্দের হাসি ফুটিয়ে তোলার প্রত্যয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে খুলনা ব্লাড ফুড ফাউন্ডেশন। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে খুলনা রেল স্টেশন এলাকায় আয়োজন করা হয় “আম ও কেক বিতরণ উৎসব”, যেখানে অসহায় মানুষের মাঝে ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা জান্নাতুল জান্নাত বলেন, “আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটির মাধ্যমে আমরা চেয়েছি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের হাতে সামান্য হলেও কিছু খাবার তুলে দিতে। আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের এই প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। মানুষের মুখে হাসি দেখতে পারাটাই আমাদের বড় প্রাপ্তি।”

    অনুষ্ঠানটি কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচালক হৃদয় চৌধুরীর পরিচালনায় সম্পন্ন হয়। খুলনা ব্লাড ফুড ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোহাম্মদ আল ওয়ালীদের অনুমোদনক্রমে খুলনা রেল স্টেশনে এ আয়োজন বাস্তবায়ন করা হয়।এ সময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসকে তাহমিদুল নাহার তামান্না, বিশেষ অতিথি উপদেষ্টা হিসেবে ছিলেন সাইফ নেওয়াজ এবং উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনিরা মাহি।

    আয়োজকরা জানান, মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই তাদের এই উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও খুলনার মানুষের জন্য আরও বৃহৎ পরিসরে বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।
    সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, “ভালোবাসা, রক্ত ও খাদ্যের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার যে অঙ্গীকার নিয়ে আমাদের পথচলা, সেই যাত্রা অব্যাহত থাকবে। আমরা অসহায় মানুষের পাশে আছি এবং থাকবো। সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি, যেন খুলনা ব্লাড ফুড ফাউন্ডেশন আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে।”

  • তথ্যমন্ত্রীর সাথে সোমালিয়ার দারু সালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মিজানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    তথ্যমন্ত্রীর সাথে সোমালিয়ার দারু সালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মিজানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    নিজস্ব প্রতিবেদক

    বাংলাদেশ সচিবালয়ে মাননীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সোমালিয়ার দারুস সালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান।

    সাক্ষাৎকালে তাঁরা দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ এবং তথ্য বিনিময়ে যৌথ প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ গ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    তথ্যমন্ত্রী সোমালিয়ার উচ্চশিক্ষায় একজন বাংলাদেশির নেতৃত্ব প্রদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং একে দেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের বলে অভিহিত করেন। উপাচার্য ড. আসিফ মিজান বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরে বাংলাদেশের সাথে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেন।

  • মাদারীপুরের শিরখাড়া ইউনিয়নে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

    মাদারীপুরের শিরখাড়া ইউনিয়নে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

    মোঃ আলী শেখ, জেলা প্রতিনিধি মাদারীপুর :

    মাদারীপুর সদর উপজেলার শিরখাড়া ইউনিয়নের রায়েরকান্দি এলাকায় মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিরখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব আজম খান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার জনাব বেল্লাল মুন্সী, বিএনপি নেতা সেলিম আকন, এলাকার মাতুব্বর আলেম বেপারী, আইয়ুব আলী সিকদার, রহিম বেপারী, মাসুদ বেপারী, জাকির সিকদার, কালাম ফরাজী, হাবু শেখ, জাফর ফকির, সুবাহান বেপারী,কবির শিকদার, বিএনপি নেতা বাবু বেপারী , তুহিন হাওলাদারসহ রায়েরকান্দি যুব উন্নয়ন সংঘের সহ-সভাপতি মিজানুর মোল্লা , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন মুন্সী, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক সোহেল শিকদার, নির্বাহী সদস্য পলাশ শিকদার, নির্বাহী সদস্য জুয়েল মোল্লা, নির্বাহী সদস্য সুমন খালাসী যুবদল নেতা রাজিব ফরাজী, এ সময় বক্তারা বলেন শিরখাড়া ইউনিয়নের
    বিভিন্ন স্থানে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে এলাকায় সর্বস্তরের জনগণ কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে হবে । স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে এবং প্রশাসনের সহায়তায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
    এলাকাবাসীর কঠোর অবস্থানের মূল দিকগুলো
    বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং চুরি অবৈধভাবে নদী থেকে বালুকাটলে তাদের বিচার করবে এলাকাবাসী এবং
    প্রশাসনের প্রতি আহ্বান মাদক নির্মূলে প্রশাসনের দ্রুত ও কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করছি এবং মাদক, চুরি এবং বালুদস্যু নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা
    সামাজিক প্রতিরোধ: এলাকাভিত্তিক মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করে সাধারণ মানুষ সচেতনতা তৈরি করছে।
    রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসন এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা মাদকের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতি ঘোষণা করছেন।

  • হোয়াইক্যংয়ে শানে সাহাবা জাতীয় খতিব ফাউন্ডেশনের ৩নং ওয়ার্ড আহ্বায়ক কমিটি গঠন

    হোয়াইক্যংয়ে শানে সাহাবা জাতীয় খতিব ফাউন্ডেশনের ৩নং ওয়ার্ড আহ্বায়ক কমিটি গঠন

    বিশেষ প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম:
    কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে শানে সাহাবা জাতীয় খতিব ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উদ্যোগে ৩নং ওয়ার্ড আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সংগঠনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

    সংগঠন সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের মাধ্যমে এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাওলানা মোহাম্মদ নুর সাহেব, যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে হাফেজ মাওলানা রফিক সাহেব এবং সদস্য সচিব হিসেবে মাওলানা রহমত উল্লাহ হালিম সাহেবকে মনোনীত করা হয়েছে।

    নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তারা ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রচার, ইমাম-খতিবদের ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    এদিকে, সংগঠনের পক্ষ থেকে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সকল সম্মানিত ইমাম ও খতিবদের দ্রুত সদস্য নিবন্ধন ফরম পূরণ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে করে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    সদস্য নিবন্ধন ও অন্যান্য বিষয়ে যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর (০১৮৮৬-৭৫২৫৯৩) প্রদান করা হয়েছে।

    স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ ধর্মীয় নেতৃত্বকে সুসংগঠিত করার পাশাপাশি সমাজে শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • দুর্গম পাহাড়ে চালু হতে যাচ্ছে  ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

    দুর্গম পাহাড়ে চালু হতে যাচ্ছে ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

    এম এস শ্রাবণ মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টার

    ​পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে দ্রুতই ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।
    তিনি বলেন, আজকের এই দিনটি পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য খাতের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

    জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও গণপূর্ত বিভাগ’র আয়োজন
    ​সোমবার (২৭ এপ্রিল)২৬ খ্রিঃ
    দুপুরে রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে নবনির্মিত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কালে তিনি জানান, ​মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই ২৫০ শয্যার হাসপাতাল ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে এ অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার, আর এই অধিকার থেকে কাউকে বঞ্চিত করা যাবে না।
    ​তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানকার মানুষ এখনো পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা থেকে কিছুটা পিছিয়ে আছে। তবে বর্তমান সরকার এই খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ​
    পার্বত্য অঞ্চলের চিকিৎসাব্যবস্থায় বিদ্যমান সমস্যাগুলো তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন।
    ​জনবল বৃদ্ধ এ অঞ্চলে চিকিৎসক ও নার্সের যে সংকট রয়েছে, তা দ্রুত সমাধানের জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করা হয়েছে।​
    অগ্রাধিকার,পার্বত্য তিন জেলার (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি- ও বান্দরবান) স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার আশ্বাস জানা গেছে।​
    আধুনিক যন্ত্রপাতি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা যন্ত্রপাতির অভাব দূর করণে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।​
    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও গণপূর্ত বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।