Author: MD SHAHNEWAZ

  • কোটিপতি হাজী সন্তানদের ব্যস্ততার ভিড়ে হারিয়ে গেল মায়ের কান্না-দিনাজপুরের এক বৃদ্ধা মায়ের নিঃশব্দ আর্তনাদ

    কোটিপতি হাজী সন্তানদের ব্যস্ততার ভিড়ে হারিয়ে গেল মায়ের কান্না-দিনাজপুরের এক বৃদ্ধা মায়ের নিঃশব্দ আর্তনাদ

    মোঃ আইনুল ইসলাম

    বিভাগীয় সম্পাদক,

    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

     

    পৃথিবীতে মা এমন এক মহামূল্যবান সম্পদ, যার বিকল্প কোনো কিছু হতে পারে না। যে মা দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করে অসীম কষ্ট সহ্য করে সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখান, নিজের সুখ-শান্তি বিসর্জন দিয়ে সন্তানকে বড় করেন, সেই মায়ের জীবনের শেষ অধ্যায় কি হওয়া উচিত সন্তানের ভালোবাসায় পরিপূর্ণ? নাকি অপেক্ষা, নিঃসঙ্গতা আর চোখের জলে ভেজা দীর্ঘশ্বাস?

     

    দিনাজপুর পৌরসভার একটি মহল্লা থেকে উঠে এসেছে এমনই এক হৃদয়বিদারক মানবিক বাস্তবতা, যা শুধু একটি পরিবারের নয়—সমাজের অসংখ্য মানুষের জন্যও একটি নীরব শিক্ষা। জানা গেছে, ব্রেনস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে এক বয়স্ক বৃদ্ধা মা বর্তমানে জীবনের শেষ অধ্যায় পার করছেন। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগতে থাকা এই মা নিজে চলাফেরা করতে পারেন না, নিজ হাতে খেতে পারেন না, এমনকি নিজের প্রয়োজনীয় কাজগুলোও করতে পারেন না। অধিকাংশ সময় তাকে হুইলচেয়ারে বসে থাকতে হয়

     

    এবং প্রতিটি কাজে অন্যের সহযোগিতা প্রয়োজন হয়।

    পরিবার সূত্রে জানা যায়, তার পাশে রয়েছেন ছোট ছেলে ও তার স্ত্রী। অসুস্থ মায়ের প্রতিদিনের পরিচর্যা, খাওয়ানো, ওষুধ, কিছু ডায়াপারের ব্যবস্থা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরনের দায়িত্ব তারাই পালন করছেন।

     

    অন্যদিকে পরিবারের আরও কয়েকজন কোটিপতি হাজী সন্তান এবং সেই হাজীদের ছেলে-মেয়ে থাকলেও অভিযোগ রয়েছে—মায়ের এবং দাদীর দৈনন্দিন খোঁজখবর নেওয়া বা পাশে সময় দেওয়ার ক্ষেত্রে সেই আন্তরিক উপস্থিতি খুব কমই দেখা যায়। এবং কেউ কেউ একেবারেই আসে না, অথচ তারা সবাই একই শহরের কাছাকাছি আলাদা আলাদা বাড়ীতে বসবাস করেন।

     

    স্থানীয়দের মতে, একজন অসুস্থ মায়ের যেখানে প্রতিদিন সন্তানের উপস্থিতি প্রয়োজন, সেখানে অনেক সময় মাসের পর মাসও কিছু সন্তানের খোঁজখবর খুব কম পাওয়া যায়। এমনও সময় গেছে—ঈদের মতো আনন্দের দিনেও মায়ের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়নি। মা কী খাচ্ছেন, ওষুধ কীভাবে আসছে, কিংবা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কীভাবে জোগাড় হচ্ছে—এসব বিষয়ও অনেক সময় অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে থাকে।

     

    অসুস্থতার কারণে এই বৃদ্ধা মাকে ডায়াপার ব্যবহার করতে হয়। জানা গেছে, পূর্বে ঠান্ডাজনিত জটিলতার কারণে তিনি কয়েকবার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীনও ছিলেন। সে সময়ও হাসপাতালে দেখা করতে যায়নি এমনও সন্তান ও নাতি-পুতিও আছেন। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য নাকি তখনই দেখা যায়, যখন এই বৃদ্ধা মা চোখের পানি মুছতে মুছতে বলেন—”ওরা আমাকে খোঁজ নেয় না, আমাকে দেখতে আসে না…”এমন কথার মধ্যে শুধু একজন মায়ের কষ্ট নয়, লুকিয়ে থাকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার বেদনা।

     

    পরিবারের ঘনিষ্ঠজনদের ভাষ্যমতে, কখনো কখনো কিছু সন্তানের উপস্থিতি আন্তরিকতার চেয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতা কিংবা আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার সীমাবদ্ধতায় আটকে আছে বলেও অনুভূত হয়। তবে একজন মা সন্তানের চেহারা দেখেই অনেক সময় বুঝে যান—ভালোবাসা হৃদয় থেকে এসেছে, নাকি শুধুই পরিস্থিতির প্রয়োজন থেকে।

     

    সমাজ বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা, অর্থের পেছনে ছুটে চলা আর ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিন্তাধারা পরিবারগুলোর মানবিক বন্ধনকে দুর্বল করে দিচ্ছে। অথচ যে মা নিজের ভেজা বিছানায় শুয়ে সন্তানকে শুকনো জায়গায় রেখেছেন, নিজের ক্ষুধা লুকিয়ে সন্তানকে খাইয়েছেন, তার বার্ধক্যে পাশে দাঁড়ানো শুধু সামাজিক দায়িত্ব নয়—এটি মানবতা, নৈতিকতা এবং ধর্মীয় কর্তব্যও।

     

    ধন-সম্পদ, প্রভাব-প্রতিপত্তি কিংবা সামাজিক পরিচয় মানুষকে বড় করতে পারে, কিন্তু প্রকৃত মানুষ হওয়ার পরিচয় পাওয়া যায় পিতা-মাতার সেবায়। মনে রাখতে হবে—পৃথিবীতে এমন কোনো সম্পদ নেই, যা মায়ের বুকের এক ফোঁটা দুধের ঋণ পরিশোধ করতে পারে।

    আজ যারা বৃদ্ধ মা-বাবাকে সময় দিতে পারছেন না, তাদের জন্য সময় একটি নীরব প্রশ্ন রেখে যায়—

    একদিন আপনিও বৃদ্ধ হবেন। একদিন আপনিও অপেক্ষা করবেন সন্তানের একটি ফোন, একটি খোঁজ, কিংবা পাশে বসে থাকা একটি মানুষের জন্য।

     

    শেষ কথা:মাকে ভালোবাসুন লোক দেখানোর জন্য নয়, হৃদয়ের গভীরতা থেকে। কারণ মায়ের জন্য ব্যয় করা সময় কখনো অপচয় হয় না; বরং সেটিই মানুষের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান অর্জন।

    — দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

    (তাং- ২৭-০৫-২০২৬ ইং)

  • কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে চোর- ডাকাত সক্রিয়! নবীগঞ্জে ৩ গরু চোর জনতার হাতে আটক!

    কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে চোর- ডাকাত সক্রিয়! নবীগঞ্জে ৩ গরু চোর জনতার হাতে আটক!

    বুলবুল আহমেদ,

    নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:-

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের জনবহুল এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ বাড়ছে কৃষকের গরু চুরি সহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড! এরই ধারাবাহিকতায় গত রবিবার দিবাগত রাত অনুমান ১১টার দিকে আউশকান্দি ইউনিয়নের মিঠাপুর গ্রামের লন্ডন প্রবাসী জাহাঙ্গীর মিয়ার বাড়িতে গরু চুরির উদ্দেশ্যে ৩ চোর হানা দেয়। এতে বাড়ির পাহারাদার বিষয়টি আচ করতে পেরে তাদের পিছু নিয়ে গিয়ে এক চোরকে ধরে ফেলেন। পরে ধৃত চোর ও তার অপর সহযোগী আরো দুই চোরকে জনতা ধাওয়া করে আটক করেন।এই চোর আটকের খবর পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মুহুর্তের মধ্যেই ঐ বাড়িতে উৎসুক লোকজন এসে ভিড় জমিয়ে উত্তম মধ্যম দেন।

    এই ৩ চোরের বাড়ি পৃথক ৩ স্থানে। পরে শর্ত সাপেক্ষে গ্রামবাসীর সামনে বাড়ির মালিক লন্ডন প্রবাসী জাহাঙ্গীর মিয়ার পা ধরে ক্ষমা চাওয়ায় তাদেরকে ক্ষমা করে দেন। এবং তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেন৷

     

    উল্লেখ্যঃ উপজেলার আউশকান্দি অঞ্চলের এই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চোর চক্র সিন্ডিকেট আউশকান্দি এলাকায় একটি কুু-চক্র মহলের মদদে ও ক্ষমতার বলে তাদের বাসায় ভাড়াটিয়া থেকে চালিয়ে যাচ্ছিলো পতিতা ভিত্তি সহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড! এলাকায় চুরি ডাকাতি ও মাদক বিক্রয় করে এলাকার যুব সমাজকে ধংসের দিকে ধাবিয়ে দিচ্ছে এই চক্র। এই সকল পতিতা, চোর- ডাকাত চক্র এলাকার চিহ্নিত সরকারি ভূমিখেকো, আওয়ামী লীগের দোষর ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই তাদের গডফাদার নুরুল ও জুয়েল ঐ সকল পতিতা দিয়ে প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা সহ মিথ্যার বেশাতি করে থানা ও কোর্টে মামলা মোকদ্দমা করিয়েছে বলে অহরহ অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসী।

    এসব মামলা হামলার ভয়ে অনেকেই প্রতিবাদ করতে সাহস পাননা। দীর্ঘদিন ধরে তারা এই সব চোর, ডাকাত, পতিতাদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে মিঠাপুর গ্রাম তথা এলাকার মান সম্মান নষ্ট সহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে৷ এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে গ্রামের সচেতন নারী-পুরুষ প্রতিবাদ মুখর হয়ে উঠেন৷ গ্রামবাসীর সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করতে যোগ দেন স্থানীয় সাংবাদিক বুলবুল আহমেদ৷ তিনি গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে বিভিন্ন পত্র পত্রিকা সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে গ্রামের লোকজনের স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে হবিগঞ্জ বিজ্ঞ আদালত ৩ জন পতিতা ও ২ জন আওয়ামী দোষর, সরকারী ভূমিখেকো, পতিতার দালালদের বিরুদ্ধে সরকারবাদী মামলা চলমান থাকা অবস্থায় আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অন্য লোকদের কাছে মিথ্যার কৌশল অবলম্বন করে সরকারী জায়গা জবর দখল ও বিক্রি করে একটি পাকা ঘর নির্মান করতে থাকে। এতে গ্রামবাসী ঐ স্থানে যাহারা কাজ করতেছে তাদেরকে কাজ বন্ধের নিষেধ দিলে তারা কাজ বন্ধ করে দেয়। এতে জায়গার মালিরা এসে পূর্ণরায় কাজ করতে থাকে। পরে গ্রামবাসী নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রুহুল আমিন-কে বিষয়টি অবগত করেন। এবং যারা এই সরকারী জায়গায় কাজ করছে তাদেরকে ফোন করে কাজ বন্ধ করার কথা বলেন। ঐ দিন কাজ বন্ধ করে দেয় তারা। দুইদিন পর থেকে আবার শুরু করে কাজ। এ খবর আবারো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করলে তিনি ঐ জায়গায় যে ঘর তৈরী করতেছে তাকেন বারবার কল দিলে সে কল রিসিভ না করায় তিনি ছুটে আসেন ঘটনাস্থলে। ঐ স্থান পরিদর্শন করে সরকারি রাজখাল দিয়ে মিঠাপুর গ্রামের পানি নিস্কাসনের রাস্তার মধ্য স্থানে একটি লাল নেশানা টানিয়ে দিয়ে বলে যান যে, সরকারি জায়গায় যারা ঘর তৈরী করেছে তাদের নাম ঠিকানা সহ কে কতটুকু জায়গায় বড় বড় ভিল্ডিং করেছে তা নির্ধারণ করে উচ্ছেদ করা হবে বলে চলে যান। তবে, জায়গার ক্রয় বিক্রয়কারী কাউকে সে সময় পাওয়া যায়নি। আদালতের নোর্টিশ পাওয়ার পর থেকে সরকারি জায়গা বিক্রয়কারী পতিতার দালাল, মামলাবাজ, আওয়ামীলীগের দূষর ও হবিগঞ্জ জেলা জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থানকারী মিঠাপুর গ্রামের মৃত ফটিক মিয়া পুত্র নুরুল হোসেন ও তার ভাতিজা মৃত আবুল হোসেন এর পুত্র জুয়েল গংরা সরকারী মামলা থেকে বাচঁতে গিয়ে মামলার বাদী স্থানীয় সাংবাদিক বুলবুল আহমেদ সহ তার পরিবারের লোকজনের উপর থানা ও আদালতে ডজনখানে মামলা করে।

     

    আটককৃত চোরেরা হলো:- মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার বৈলাশির গ্রামের মনিন্দ দাশের পুত্র প্রিতম দাশ (২২) সে দীর্ঘদিন ধরে আউশকান্দি এলাকার আজম খাঁনের বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছে। সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ থানার কমলগঞ্জ গ্রামের মো: মুন্না (১৮), সে মিঠাপুর গ্রামের মামলাবাজ, ভূমিখেকো ও আওয়ামী দূষর চু-ডাকাত ও মাদক বিক্রিতার আশ্রয় প্রশ্রয়দাতা নুরুল হোসেনের বাসায় দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া নিয়ে এসব অপকর্ম করে আসছে। ঐ চুর মুন্না আরো কয়েকবার কয়েক স্থানে ধরাশায়ী হয়ে গণধূলাই খেয়েছে। এমন কি বাজারে পাহারাদারা অনেক দিন তাকে আটক করার ঘটনাও ঘটেছে ও গোয়াইনঘাট থানার জলুরমূখ গ্রামের প্রবাসী ভূট্টু বিশ্বাস এর পুত্র পুত্র আমলান (১৭)। সে তার মাকে নিয়ে মিনাজপুর গ্রামের এলাইছ মিয়ার বাসায় ভাড়া নিয়ে থাকে। তার মা গীতারাণী দীর্ঘদিন ধরে পতিতা বৃত্তি করে আসছে। সে কয়েকবার ধরাশায়ীও হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন সহ আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজার কমিটির লোকজন তার বিরুদ্ধে বিচার পঞ্চায়েতও করা হয়ে। তাদের এহেন অপকর্মে এলাকার ঋোট বড় জানেনা এমন কেউ নেই।

    এ ব্যাপারে সাংবাদিক বুলবুল আহমেদ এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি একজন গণমাধ্যমকর্মী। আমি দীর্ঘ ১২ বছর দিন ধরে বিভিন্ন অনলাইন, প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কাজ করে আসতেছি। আমাদের আর্দশ গ্রামের পানি নিস্কাসনের রাস্তা, হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের স্বসানের রাস্তা, সরকারী পুকুরের পার দখল করে পতিতাদের কাছে বিক্রয় করে প্রকাশ্যে পতিতা বৃত্তির দায়ের গ্রামের মান সম্মান রক্ষা করার ফলে গ্রামের লোকজনের সাথে একত্ততা প্রকাশ করে প্রতিবাদ করি। এই প্রতিবাদ করার ফলে আমি সহ আমার পরিবারের উপর থানা ও আদালতে ডজনখানেক মামলা দায়ের করে আমাকে নানান ভাবে হয়রানী করে আসছে কু-চক্র মহল।

    এ ব্যাপারে ডাক্তার নামমূল হক চৌধুরী পলাশ বলেন, আমার উপযুক্ত মেয়ে ছেলে রয়েছে। তারা স্কুল কলেজে যাওয়া আসার সময় যখন ঐ সকল পতিতাদের কথা তাদের মায়ের সাথে বলে। ব্যবসা শেষে বাড়ি গেলে আমার স্ত্রী আমাকে নানান লজ্জা দেয়। বলে কেমন পুষ তুমরা? এতো কিছুর পরও কেমন করে এই খারাপ কাজ ওরা করতে পারে?

    এ ব্যাপারে ফরিদ মিয়া বলেন, গত দিন ঘর তৈরী করার প্রতিবাদ করার পর থেকে আমাকে নানান ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে দূর্নীতিবাজরা। গ্রামের মান সম্মান রক্ষার জন্য যদি প্রাণ চলে যায় তারপরও অন্যাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যাব ইনশাআল্লাহ।

    এ ব্যাপারে দিপু সূত্র ধর বলেন, আমি একজন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হয়ে আমাদের মিঠাপুর ও দেওতৈল পুরো গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে বলছি, আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন এভাবে প্রকাশ্যে দেহ ব্যবসা বা চুরি করে বলে আমার জানা ছিলনা। আজ যা দেখলাম এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এসব খারাপ মানুষকে আমাদের এলাকা থেকে বিতারিত করার জন্য জুর দাবি জানাই।

    এ ব্যাপারে জিয়াইর রহমান বলেন, সমাজের যত অপরাধী আছে তাদেরকে যদি আমরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ প্রতিরোধ না করি তাহলে আমাদের নতুন প্রজন্ম ধংস হয়ে যাবে। তাই প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযান ২৯টি চোরাই মোবাইল জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযান ২৯টি চোরাই মোবাইল জব্দ

    মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ

    ​চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

    সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট সীমান্তে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ২৯টি ভারতীয় ব্যবহৃত চোরাই মোবাইল ফোন জব্দ করেছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)।​বিজিবি সূত্রে জানা যায় ২৫ মে ২০২৬ বিকেলে শিবগঞ্জের তেলকুপি বিওপি’র একটি বিশেষ টহল দল ইকবালপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন ১২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। ২৬ মে ২০২৬ গভীর রাতে ভোলাহাটের চাঁনশিকারী বিওপি’র আরেকটি টহল দল চামুচা গ্রামের একটি আমবাগানে অভিযান চালিয়ে আরও ১৭টি মোবাইল ফোন জব্দ করে।
    ​উভয় অভিযানেই বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত মোবাইল ফোনগুলো প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কাস্টমসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
    ​মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে এবং সীমান্তে এই ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • গোপালগঞ্জে নকরীরচর মেফতাউল উলুম মাদ্রাসার নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন

    গোপালগঞ্জে নকরীরচর মেফতাউল উলুম মাদ্রাসার নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন

    মোঃ শিহাব উদ্দিন

    গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

     

    গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের পারকুশলি-বর্নি সিঙ্গারকুল এলাকায় অবস্থিত নকরীরচর মেফতাউল উলুম মাদ্রাসার “মমতাজ আব্দুল আলী খান” নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৬ মে ২০২৬) বিকাল ৩টায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন গোপালগঞ্জ-২ ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এস এম জিলানী এবং ডা. কে এম বাবর।

    এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক জনাব শরীফ রফিকুজ্জামান।

    অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, নতুন এই ভবনটি এলাকার ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আরও সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে।

    বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষার উন্নয়ন ছাড়া একটি জাতির অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।

  • গুঁড়া বোঝাই ট্রাক উল্টে ক্ষয়ক্ষতি, অল্পের জন্য রক্ষা চালক-হেলপার

    গুঁড়া বোঝাই ট্রাক উল্টে ক্ষয়ক্ষতি, অল্পের জন্য রক্ষা চালক-হেলপার

    মোঃ জিয়াউর রহমান

    বিভাগীয় সম্পাদক রংপুর

    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি

     

    ২৬ মে, বেলা ১২/৩০ মিনিটে দিনাজপুর সদর উপজেলার ভবাইনগর এলাকায় জামাল অটো রাইস মিল থেকে গুঁড়া (ভুসি/খাদ্যগুঁড়া) বোঝাই করে যাওয়ার পথে একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাময়িক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ট্রাকটি জামাল অটো রাইস মিল থেকে মালামাল নিয়ে নির্ধারিত গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে ভবাইনগর এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে ট্রাকটি সড়কের পাশে উল্টে যায়। এতে ট্রাকে থাকা মালামালের কিছু অংশ ছিটকে পড়ে এবং যানবাহনটির আংশিক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

    তবে দুর্ঘটনায় চালক ও হেলপার প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে উদ্ধার কাজে সহায়তা করেন।

    ঘটনার পর সড়কে কিছু সময় যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানতে সংশ্লিষ্টরা খোঁজখবর নিচ্ছেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে বিপুল মাদকদ্রব্য জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে বিপুল মাদকদ্রব্য জব্দ

    মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে পৃথক দুইটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)। মঙ্গলবার (২৬ মে ) রাত ১২টা ৫০ মিনিট থেকে ভোর ৫টা ১০ মিনিট পর্যন্ত পরিচালিত এসব অভিযানে নেশাজাতীয় সিরাপ ও ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। বিজিবি সূত্র জানায়, মনোহরপুর বিওপির একটি টহল দল শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের রামনাথপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৫০ বোতল নেশাজাতীয় ফেয়ারডিল সিরাপ জব্দ করে। অপরদিকে রঘুনাথপুর বিওপির সদস্যরা দুর্লভপুর ইউনিয়নের খাকসাপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৪০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেন। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৮০ হাজার টাকা। পরে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য আইনগত কার্যক্রমের জন্য শিবগঞ্জ থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। ৫৩ বিজিবি সূত্র আরও জানায়, চলতি মে মাসে ব্যাটালিয়নটি বিভিন্ন অভিযানে মোট ১৪৫ বোতল ভারতীয় মদ, ৫১০ বোতল নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ, ৯৭ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ, ৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৫০০ গ্রাম ভারতীয় গাঁজা জব্দ করেছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৪ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি যেকোনো ধরনের অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে ৫৩ বিজিবি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সীমান্তের দুর্গম এলাকা ও নদীপথে বিশেষ টহল, চেকপোস্ট পরিচালনা এবং গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা।

  • রাজশাহীতে ৪৫০ টাকার জন্য বন্ধুকে হত্যা

    রাজশাহীতে ৪৫০ টাকার জন্য বন্ধুকে হত্যা

    মো: গোলাম কিবরিয়া

    রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

     

     

    রাজশাহীতে ধার নেওয়া মাত্র ৪৫০ টাকা ফেরত না দেওয়ায় বন্ধুর ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন আশিকুর রহমান নামের এক যুবক। সোমবার (২৫ মে) সকালে দামকুড়া থানার জোতরাবোন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

     

    রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার শাফিন মাহমুদ জানান, জোতরাবোন গ্রামের মোন্তাজ আলীর ছেলে ফয়সাল আলী জয় ও আকরাম আলীর ছেলে আশিকুর রহমান পরস্পর বন্ধু। গত ২১ মে জয়ের কাছ থেকে ৪৫০ টাকা ধার নেন আশিকুর। সোমবার সকাল ১০টার দিকে জয় টাকা চাইতে আশিকুরের বাড়ি গেলে দুই বন্ধুর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর জয় ফিরে যায়।

     

    এদিকে পেশায় অটোরিকশাচালক জয় বেলা ১১টার দিকে ভাড়া মারতে অটোরিকশা নিয়ে বের হন। তখন আশিকুরের সঙ্গে দেখা হলে আবার তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। তখন ছুরি দিয়ে আশিকুরের বাম পাজরে আঘাত করে জয় পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আশিকুরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃ*ত ঘোষণা করেন।

     

    উপ-কমিশনার শাফিন মাহমুদ জানান, ঘটনার পর ফয়সালকে ধরতে দামকুড়া থানা পুলিশ অভিযান শুরু করে। নগরীর আলুপট্টি এলাকা থেকে ফয়সালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

  • শ্রীপুর ঐক্য সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে গরীব দুঃস্থদের মাঝে ,ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ।

    শ্রীপুর ঐক্য সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে গরীব দুঃস্থদের মাঝে ,ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ।

    মোঃ মিন্টু মিয়া, বিশেষ প্রতিনিধি গাজীপুর:

    পবিত্র “ঈদুল আযহা” উপলক্ষে,  গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা চৌরাস্তা   “শ্রীপুর ঐক্য  সাংবাদিক সমিতি’র” উদ্যোগে গরিব দুস্থদের মাঝে  ঈদ  সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    আজ (২৫ মে) সোমবার দুপুরে  উপজেলার   মাওনা চৌরাস্তা প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ের সামনে গরিব দুঃস্থদের মাঝে  ঈদ উপহার সামগ্রী পোলাও চাল, ডাল, তেল, সেমাই ,চিনি ও সাবান  বিতরণ করা হয়।

     

    ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন,   “শ্রীপুর ঐক্য সাংবাদিক সমিতি’র” সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ  ও সঞ্চালনায় ছিলেন সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বাবুল ,(এম .কম)।

     

    এ সময় ” শ্রীপুর ঐক্য সাংবাদিক সমিতি’র” সভাপতি  ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা ঈদুল ফিতরেও গরিব দুঃস্থদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছিলাম, এবার “ঈদুল আযহা” ঈদ উপহার সামগ্রী  বিতরণে কিছুটা হলেও তাদের ঈদের আনন্দে স্বস্তি ফিরে আসবে বলে মনে করছি , আমরা এভাবে প্রত্যেক ঈদে উপহার সামগ্রী বিতরণ করব এটা আমাদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য।

     

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুরে কর্মরত  বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।

  • ঘুষ বানিজ্যের পর এবার “আটক বাণিজ্যে”র অভিযোগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই দেলোয়ারের বিরুদ্ধে। 

    ঘুষ বানিজ্যের পর এবার “আটক বাণিজ্যে”র অভিযোগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই দেলোয়ারের বিরুদ্ধে। 

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

     

    কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে আসামীকে থানা হাজতে আটক রেখে আসামী পক্ষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে।

     

     

    এর আগেও এসআই দেলোয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ কারীর কাছ থেকে বিবাদীর সাথে মীমাংসা করে দিবে বলে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ ও মাদক সহ মাদক কারবারীকে আটক করে টাকার বিনিময়ে থানায় না নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

     

    জানা যায়, ২২ মে কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন মান্দাইল বাজার এলাকা হতে ( ২) দুই পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আবির (২১) পিতা: আলমগীর, মাতা: রিনা বেগম ও সাব্বির (২৫) পিতা: স্বাধীন, মাতা: সাহিদা বেগম নামের দুই জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

    কিন্তু থানায় নেয়ার ৩৬ (ছয়ত্রিশ) ঘন্টা পার হয়ে যাবার পরেও তাদেরকে কোর্টে প্রেরন করা হয় নাই।

    এ বিষয়টি নিয়ে এলাকার সচেতন মহলে নানা আলোচানার সৃষ্টি হয়।

     

    এ দিকে আসামী পক্ষের লোকজনের দাবী, আটক করার পরে এসআই দেলোয়ার থানায় না নেয়া ও মামলা না দেয়ার জন্য মোটা অংকের টাকা দাবী করে কিন্তু তাৎক্ষণিক ভাবে কোনকিছু ম্যানেজ করতে না পারায় তাদেরকে থানায় নিয়ে আসা হয় এবং আটক রেখে টাকার জন্য চাপ দেয়া হয়।

    উপায়ান্তর না পেয়ে আসামী পক্ষের লোকজন পরিচিত বিভিন্ন লোকের কাছে বিষয়টি শেয়ার করে।

    বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরে কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী ও মানবাধিকার কর্মী এ বিষয়ে জানার জন্য এসআই দেলোয়ারের সাথে কথা বললে সে তাদেরকে জানায়, আজ শনিবার কোর্ট বন্ধ তাই এখানে রাখা হয়েছে, আগামীকাল তাদেরকে ভ্রাম্যমান আদালতে পাঠানো হবে বলে বাহিরে ডিউটির দোহাই দিয়ে সরে পড়েন।

    থানা সূত্রে জানা যায়, তাদেরকে থানায় নেয়ার পরে গ্রেফতারী তালিকাভূক্ত না করিয়া থানা হাজতে রাখা হয়, এবং পরবর্তীতে দুজনের নাম তুলে আবার একজনের নাম কেটে দেয়া হয়।

     

    আসামি পক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী এসআই দেলোয়ার অর্থের বিনিময়ে একজনের নাম কেটে দিয়েছে কিন্তু লকআপ হতে ছেড়ে দেয়নি।

     

    “আটক বাণিজ্য” নিয়ে স্থানীয় মহল ও গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হলে ২৪ /০৫/২০২৬ইং তারিখে আবির ও সাব্বির দুজনকে কেরানীগঞ্জ উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদলতে পাঠানো হয় এবং কেরানীগঞ্জ উপজেলা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল মাওয়া তাদেরকে (১৫) পনের দিনের সাজা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করতে কেরানীগঞ্জ উপজেলা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল মাওয়া কে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

     

    আসামী পক্ষের পরিবারের দাবি, এসআই দেলোয়ার যদি তাদেরকে মাদক মামলায় জেলেই পাঠাবে তাহলে আটকের পরের দিন কেন বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেননাই, কেন তাদেরকে ৩৬ (ছয়ত্রিশ) ঘন্টা থানা হাজতে আটক রেখে ছেড়ে দিবে বলে আমাদের কাছ থেকে টাকা নিল।

     

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ব্যক্তিকে বিভিন্ন অভিযোগে থানায় নেয়ার কথা বলে এসআই দেলোয়ার তাদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে।

    এর আগেও এসআই দেলোয়ার ২০২৪ সালে কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানায় কর্মরত অবস্থায় ঘুষ বানিজ্যের জন্য পত্রিকার শিরোনামে এসেছেন।

     

    এ বিষয়ে এলাকার সাধারন কিছু লোক বলেন, “আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল” কিন্তু যদি কোনো নিরপরাধ মানুষ হয়রানির শিকার হয়, তাহলে সেটি খুবই দুঃখজনক।

     

    এদিকে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নানা আলোচনা চলছে। সচেতন মহল বলছে, অভিযোগ সত্য হলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এসআই দেলোয়ারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

    এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

     

    স্থানীয় লোকজন, গণমাধ্যম কর্মী ও মানবাধিকার কর্মীদের প্রত্যাশা, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে এসআই দেলোয়ারের এরকম বেপরোয়া কর্মকান্ডের জন্য তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যাবস্থা নেয়া হোক।

  • প্রতিদিন স্টোরের উদ্যোগে বিরামপুরে ১৫০ মানুষের খাদ্য সহায়তা

    প্রতিদিন স্টোরের উদ্যোগে বিরামপুরে ১৫০ মানুষের খাদ্য সহায়তা

    মোঃ আইনুল ইসলাম

    বিভাগীয় সম্পাদক,

    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

     

    ২৫ মে ২০২৬ রোজ সোমবার

    নিম্ন আয়ের ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান “প্রতিদিন স্টোর”-এর উদ্যোগে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দোশরা পলাশবাড়ী এলাকায় খাদ্যপণ্য প্যাকেজ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচিতে উপকারভোগী নারীদের মাঝে সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যপণ্য বিতরণ করা হয়।

    প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স নং: ৭৭৩৪৯৮৫২৫০৪১৩৮। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুর জেলা শাখার কার্যক্রম পরিচালক মোছাঃ খালেদা পারভীন-এর নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন দিনাজপুরের প্রধান নারী উদ্যোক্তা মোছাঃ রুবিয়া বেগম এবং বিরামপুর নারী উদ্যোক্তা মোছাঃ সেলিনা আক্তার।

     

    আজকের খাদ্যপণ্য প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত ছিল—

    ▪️ ১ লিটার সয়াবিন তেল,

    ▪️ ২ কেজি আটা,

    ▪️ কাজী ফার্মের দুই হালি মুরগির ডিম,

    ▪️ আধা কেজি চিনি,

    ▪️ আধা কেজি মসুর ডাল,

    মোট পাঁচটি পণ্যের সমন্বয়ে একটি প্যাকেজ প্রস্তুত করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫০০ টাকা, কিন্তু উপকারভোগীদের মাঝে সাশ্রয়ী মূল্যে ৩১০ টাকায় প্রদান করা হয়।

    আজকের কর্মসূচিতে মোট ১৫০ জন উপকারভোগীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে খাদ্যপণ্য প্যাকেজ তুলে দেওয়া হয়েছে। খাদ্য সহায়তা গ্রহণের সময় উপকারভোগীদের মাঝে সন্তুষ্টি ও আনন্দের পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।

     

    প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন স্টোরের সদস্য হতে আগ্রহীদের দুই কপি, পাসপোর্ট সাইজ ছবি, দুই কপি জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং ৩০০ টাকা জামানতসহ নির্ধারিত আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। সদস্য হিসেবে নিবন্ধনের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে খাদ্যপণ্য গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এছাড়া জমাকৃত ৩০০ টাকার জামানত সম্পূর্ণ ফেরতযোগ্য বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ কোনো সদস্য ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটির সদস্যপদ অব্যাহত রাখতে না চাইলে, তিনি চাহিদা অনুযায়ী তার জমাকৃত জামানতের অর্থ ফেরত নিতে পারবেন।

     

    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির বিভাগীয় সম্পাদক মোঃ আইনুল ইসলাম-এর প্রশ্নের উত্তরে দিনাজপুরের প্রধান নারী উদ্যোক্তা মোছাঃ রুবিয়া বেগম বলেন,

    “বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য অনেক বেড়েছে। অনেক নিম্ন আয়ের পরিবার তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য সংগ্রহ করতে কষ্টের মধ্যে রয়েছেন। সেই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আমরা প্রতিদিন স্টোরের মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। আমাদের মূল উদ্দেশ্য মানুষের সেবা করা এবং অসহায় মানুষের জন্য সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করা।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন,

    “আমরা চাই এই কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও সম্প্রসারিত করতে, যাতে সমাজের আরও বেশি মানুষ উপকৃত হতে পারেন।”

     

    বিরামপুর নারী উদ্যোক্তা মোছাঃ সেলিনা আক্তার বলেন,

    “উপকারভোগী নারীদের কাছ থেকে আমরা ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছি। তারা আমাদের পাশে থাকার প্রত্যাশা করছেন এবং এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছেন।”

    উপকারভোগী বৃদ্ধা নারী মজিদা বেগম বলেন,”আজ আমি আটা, তেল, চিনি, ডাল ও ডিম পেয়েছি। এই সহায়তা পেয়ে আমি অনেক খুশি।”অন্য উপকারভোগী তারামণি বলেন,”এর আগে কখনো এমন সহযোগিতা পাইনি। প্রথমবার এই খাদ্যপণ্য পেয়ে ভালো লাগছে।”

     

    এদিকে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মোছাঃ নিলুফা বেগম এবং প্রতিদিন স্টোরের পরিচালক মোছাঃ খালেদা বেগম উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও বিশেষ কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি। পরে টেলিফোনে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পরিচালক মোছাঃ খালেদা বেগম বলেন,

    “ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। যারা এখনো এই সহায়তার আওতায় আসেননি, তাদের কাছেও আমরা পৌঁছাতে চাই।”তিনি আরও বলেন, সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই যেন সততা, নিষ্ঠা ও মানবিক দায়বদ্ধতা নিয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করেন।

     

    প্রতিদিন স্টোরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উপকারভোগী নারী হিসেবে কার্যক্রমে যুক্ত হতে অথবা বিস্তারিত তথ্য জানতে যোগাযোগ করা যাবে: ০১৮৬৯-৮৪৫৩৮৮ whatsapp নম্বরে। সমাজসেবামূলক এ উদ্যোগকে স্থানীয়রা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এ ধরনের কার্যক্রম নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনে কিছুটা স্বস্তি এনে দিতে পারে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সামাজিক সংস্কৃতিকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।