Blog

  • ভুয়া সাংবাদিকতার আগ্রাসন: নীরব থাকলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না

    ভুয়া সাংবাদিকতার আগ্রাসন: নীরব থাকলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না

    মোঃ আইনুল ইসলাম, প্রতিক্রিয়া প্রতিবেদন, গ্লোবাল সাংবাদিক ফোরামের একজন সদস্যের কণ্ঠে:

    সাংবাদিকতা কোনো পদবি নয়, কোনো পরিচয়পত্রের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ব্যবসাও নয়—
    সাংবাদিকতা একটি নৈতিক দায়িত্ব, একটি জাতির বিবেক।
    আজ যখন দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও প্রান্তিক অঞ্চলে নামে–বেনামে গড়ে উঠছে তথাকথিত সাংবাদিক ক্লাব ও সংগঠন, তখন প্রকৃত সাংবাদিকতার অস্তিত্বই প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

    কোনো বৈধ গণমাধ্যমের সঙ্গে সম্পর্ক না থাকা, অনুমোদনহীন ও অযোগ্য ব্যক্তিরা সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও প্রভাব বিস্তারে লিপ্ত—এটি শুধু পেশার অপমান নয়, এটি জাতির সঙ্গে প্রতারণা।

    সিনিয়র সাংবাদিক ও গ্লোবাল সাংবাদিক ফোরামের সম্মানিত গ্রুপ এডমিন যে সাহসী ও সময়োপযোগী বার্তা দিয়েছেন, তা প্রকৃত সাংবাদিকদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও যন্ত্রণার প্রতিধ্বনি।

    এই বক্তব্য শুধু অভিযোগ নয়—এটি একটি সতর্ক সংকেত। আজ বাস্তবতা হলো— প্রেস কার্ডধারী, নিয়োগপত্রপ্রাপ্ত, জাতীয় ও নিবন্ধিত গণমাধ্যমে কর্মরত প্রকৃত সাংবাদিকরা উপেক্ষিত।

    আর ভুয়া ক্লাবের দৌরাত্ম্যে তারা সংবাদ সংগ্রহে বাধাগ্রস্ত, হুমকির মুখে, অপমানিত। এর সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হলো— এর ফলে গণমাধ্যমের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা ভেঙে পড়ছে।

    যে সাংবাদিকতা ছিল জনগণের পক্ষে দাঁড়ানোর শক্তি, আজ তা কিছু অসাধু ব্যক্তির হাতিয়ারে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে। একজন গ্লোবাল সাংবাদিক ফোরামের সদস্য হিসেবে আমি দৃঢ় কণ্ঠে বলতে চাই—

    🔴 সাংবাদিক পরিচয় যাচাই এখন আর দাবি নয়, এটি সময়ের অনিবার্য প্রয়োজন।

    🔴 ভুয়া সাংবাদিক ক্লাব ও অনুমোদনহীন সংগঠন নিষিদ্ধ না হলে প্রকৃত সাংবাদিকতা রক্ষা পাবে না।

    🔴 নিউজের নামে চাঁদাবাজি ও প্রতারণার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে অপরাধ আরও বাড়বে।

    আজ প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহলের নীরবতা ভুয়া সাংবাদিকদের সাহস জোগাচ্ছে—এই সত্য অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আজ নীরব থাকলে আগামীকাল সাংবাদিকতা নামক পেশাটিই প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

    গ্লোবাল সাংবাদিক ফোরামের এই অবস্থান আমাদের আশার আলো দেখায়। এই ফোরাম যদি ঐক্যবদ্ধভাবে প্রকৃত সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ায়, তবে ভুয়া সাংবাদিকতার মুখোশ খুলে পড়বেই—ইনশাআল্লাহ।

    ✊ প্রকৃত সাংবাদিকতা বাঁচাতে হলে এখনই রুখে দাঁড়াতে হবে।
    ✊ সত্যের পক্ষে, ন্যায়ের পক্ষে—এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।

    কারণ, 👉 সাংবাদিকতা বেঁচে থাকলে গণতন্ত্র বাঁচবে,
    👉 আর গণতন্ত্র বাঁচলে রাষ্ট্র বাঁচবে।

  • সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে মাদক ব্যাবসায়ি ও নির্বাচনী সহিংসতার অভিযোগে এইচ এম শাকিল গ্রেফতার

    সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে মাদক ব্যাবসায়ি ও নির্বাচনী সহিংসতার অভিযোগে এইচ এম শাকিল গ্রেফতার

    পিরোজপুর নেছারাবাদ উপজেলার সেহাংগল গ্রামের নির্বাচনী সহিংসতার অভিযোগে ও মাদক ব্যাবসায়ি, নেছারাবাদ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, এইচ এম শাকিল হোসেন (৪৩) দীর্ঘ দিন ধরে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত, এলাকায় যুবসমাজ আজ ধ্বংসের মুখে।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাটি ইউনিয়নের সেহাংগল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মাদক ব্যাবসায়ি এইচ এম শাকিল আহমেদ (৪৩) কে যৌথ বাহিনী গ্রেফতার করেন।

    এইচ এম শাকিল হোসেন, তিনি সেহাংগল গ্রামের এডভোকেট মরহুম আব্দুল মান্নান হাওলাদারের পুত্র ও সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার সোহেল পারভেজ এর ছোট ভাই, তাঁর প্রভাব বিস্তার করে এলাকার সাধারণ মানুষ আজ আতঙ্কিত ও তাদের ভয়ে নিরব।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, তিনি বিভিন্ন সময়ে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা স্বতন্ত্র প্রার্থী ‘ মাহমুদ হোসেন এর সমর্থকদের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় বাধা প্রদান করেন । এ সময় ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারার ঘটনা ঘটে। ফলে ভুক্তভোগীদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়ে যায় ও বাড়ি ঘরে থাকতে দিবেনা বলে হুমকি দেয়, ও স্বতন্ত্র প্রার্থী’র ঘোড়া মার্কা ব্যানার
    ফেস্টুন ছিরে ফেলে।

    নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, থানায় তার বিরুদ্ধে পূর্বে অনেক মামলা ছিলো, ও নির্বাচনী সহিংসতার ও মাদক অভিযোগে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরবর্তীতে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • সালথায়  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়ার হুমকি অভিযোগ দায়ের

    সালথায় সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়ার হুমকি অভিযোগ দায়ের

    মোঃ ইলিয়াছ খান স্টপ রিপোর্টার দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি:

    ফরিদপুরে সালথায় নিজ বাড়ি থেকে সংবাদ সংগ্রহ কাজে যাওয়ার পথে মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩০) নামে এক সাংবাদিক কে প্রেরণনাশকের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। গতকাল রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে সালথা উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের রামকান্তপুর-বাহিরেদিয়া দেশের বাড়ি তিন রাস্তার মোড়ে এই ঘটনার ঘটে । হুমকির ঘটনায় উপজেলা সহকারী চিটারিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।

    সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম সালথা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সমকাল পত্রিকার সালথা প্রতিনিধি। তিনি আটঘর ইউনিয়নের বিভাগদী গ্রামের মোঃ আলতাফ শেখের ছেলে। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয় (৮ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ সংগ্রহ করার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বিবাগদী গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে সালথা বাজারে যা ছিলেন সাংবাদিক সাইফুল। পথে রামকান্তপুর ইউনিয়নের রামকান্তপুর বাহিরেদিয়া দেশের বাড়ি তিন রাস্তার মোড় এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জন যুবক তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। পরে তাকে ঘেরাও করে ওই যুবকরা নানা ধরনের হুমকি দেন তারা প্রশ্ন তোলে বলেন, তুই শুধু শামা ওবায়েদ নিউজ করিস কেন, উত্তরের সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম বলেন, গতকাল এলাকায় তিনি ছিলেন না। তাছাড়া ওই মিটিং সম্পর্কে অবগত ছিলাম না। এরপর অভিযুক্ত যুবক বলেন, গতকাল বুড়িদিয়া বাজারে রিক্সা মার্কার প্রার্থী মাওলানা আকরাম আলী ওরফে দলা হুজুরের পক্ষের লোকদের উপর বিএনপি প্রার্থী শামা ওবায়েদ সমর্থকরা আমলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে সংবাদ করিস নি কেন। বাহিরে জিয়া একটি ঘটনায় শামা ওবায়েদ অভিযোগ করেছিল, খেয়ে নিয়োগ করেছিলিস তোর মা হয় নাকি , অথচ হুজুরের নিউজটা করলি না কেন। পরে উত্তেজিত ওই যুবক বলেন, ১২ তারিখের পর তোর হাড্ডিগুড্ডি ভেঙ্গে দিয়ে সাংবাদিকতা শিখানো হবে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি একজন পেশাদার সাংবাদিক। সব সময় চেষ্টা করি নিরপেক্ষ ভাবে সংবাদ প্রকাশ করার জন্য। কিন্তু সংবাদ প্রকাশ করে যদি এভাবে হুমকির মুখে পড়তে হয়। তাহলে তা শুধু আমার জন্য নয়, পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য উদ্বেগ জনক। এমন অবস্থায় আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
    এ বিষয়ে ফরিদপুর-২ আসনের ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী আল্লামা শাহ্ আকরাম আলী বলেন, আমি নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত রয়েছি। কারা এই হুমকি দিয়েছে, তা আমি জানি না। আমাকে হেয় পূর্ণ করতে কেউ এ ঘটনা ঘটিয়েছে কি না। তা খোঁজখবর নিচ্ছি। এটা দুঃখজনক ঘটনা। সাংবাদিকরা তাদের কাজ করবে, এখানে হুমকি কেন দেওয়া হবে।

    সালথা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম নাহিদ হুমকির ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সাংবাদিক সাইফুলকে হুমকি দেওয়া যুবকদের যদি দ্রুত শনাক্ত করা না হয়, তাহলে আমরা আন্দোলনে যাবো। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই এবং হুমকি দাতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই। এভাবে নিরাপত্তাহীনতায় সাংবাদিকতা করা সম্ভব না। আমরা এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

    সালথা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সালথা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিক সাইফুলকে হুমকি বিষয় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো হবে।

  • পঞ্চগড়ে ধানের শীষের প্রচার প্রচারনায় পথনাটক

    পঞ্চগড়ে ধানের শীষের প্রচার প্রচারনায় পথনাটক

    মোঃ শহিদুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পথনাটক মঞ্চায়নের মাধ্যমে পঞ্চগড় ১ আসনে বিএনপির প্রার্থীর প্রচারনা করছে নাট্যকর্মীরা। এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের প্রচারনায় গ্রামে গ্রামে পথনাটক মঞ্চস্থ করছে তারা। নাটকের নাম ‘দি ডায়েরী’। নাটকের সাথে যুক্ত নাট্যকর্মীরা জানান,নাটকে ১৭ বছরের ফ্যাসিস্ট দু:শাসন,গুম খুনের চিত্র, ছড়িয়ে যাওয়া দুর্নীতি ভোট কেনাবেচার নানা কাহিনী প্রতিফলিত হয়েছে।
    নাটকের মাধ্যমে বিএনপি এবং পঞ্চগড় ১ আসনের প্রার্থীর নানা প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। গান, নৃত্য এবং অভিনয়ের মাধ্যমে এসব প্রসঙ্গ নাটকে উঠে এসেছে। প্রান্তিক গ্রামের বিভিন্ন বাড়ির উঠোনে, বাজারপ নাটকটি মঞ্চস্থ হচ্ছে। নাটক উপভোগ করছেন প্রত্যন্ত গ্রামের দর্শকেরা। নাটকটি রচনা করেছেন সরকার হায়দার। নির্দেশনা দিয়েছেন বদিউজ্জামান মিলন। অভিনয় করেছেন ফাহিম আহমেদ, দুরন্ত দুর্নিবার, আতিফ ও রাহাত।

    মিউজিক করেছেন রইস উদ্দিন,আনোয়ার, আদনান ও ইমরান। নাটকের অভিনেতা ও কবি ফাহিম আহমেদ জানান, নওশাদ জমিরের আগ্রহে তারা এই নাটক বিভিন্ন গ্রামে মঞ্চায়ন করছেন। তার নাটক এবং সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ আমাদের অনুপ্রানীত করেছে। তিনি একজন সৎ ও যোগ্য প্রার্থী। সরকার হায়দার জানান, ৫ আগষ্টের পর স্থবির সাংস্কৃতিক অঙ্গন। মঞ্চনাটক বা পথনাটক চর্চাও প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে। সারা দেশে সাংস্কৃতিক কর্মীরা একটা আতংকের মধ্যে রয়েছে। ঠিক এই সময়ে কোন রাজনৈতিক দল যদি সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে তাদের প্রচারনায় মঞ্চনাটক বা পথনাটককে উপজিব্য করে তা সংস্কৃতির জন্য অবশ্যই একটা ভালো খবর।
    পঞ্চগড় বিএনপির এই উদ্যোগ অবশ্যই সারা দেশে সাড়া ফেলবে। প্রতিদিন ৬ টি গ্রামে ৬ টি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নাটকটি আগামী ১০ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদেরকে ধানের শীষের পক্ষে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে মঞ্চস্থ হবে।

  • Untitled post 583

    বিপ্লব হোসেন (মুক্তি), রংপুর বিভাগীয় ব্যুরো চিফ, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি

    রংপুরে মিঠাপুকুর উপজেলায় বিবাদমান প্রতিপক্ষের হাত থেকে মাকে বাঁচাতে গিয়ে হামলায়
    গুরুতর আহত যুবক নুরজামান (২৫) চিকিৎসা কালীন অবস্থার মারা গিয়েছেন শনিবার বিকেলে মিঠাপুকুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়।

    নিহত নুরুজ্জামান উপজেলার কাফ্রিখাল ইউনিয়নের ইকবালপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের আবদুল কাশেম আলীর ছেলে ।

    এই ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসী জানান অপরাধীর শাস্তি হোক।

  • গোমস্তাপুরে র‍্যাবের অভিযান পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্রসহ নাশকতার পরিকল্পনা নস্যাৎ

    গোমস্তাপুরে র‍্যাবের অভিযান পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্রসহ নাশকতার পরিকল্পনা নস্যাৎ

    মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল, রাজশাহী প্রতিনিধি|


    ​আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিয়েছে র‍্যাব-৫। চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর থানাধীন রহনপুর এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি ওয়ান শ্যুটার পিস্তল, কার্তুজ এবং বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

    ​র‍্যাব-৫, রাজশাহী, সিপিসি-১-এর একটি আভিযানিক দল গতকাল ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত ১০:০০ ঘটিকায় এই অভিযান পরিচালনা করে। নিয়মিত টহল চলাকালীন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, রহনপুর-আড্ডা গামী পাকা রাস্তার উত্তর পাশে নিউ রফিক অটো রাইসমিলের কাছে একটি আমগাছের ঝোপের ভেতর সন্দেহভাজন একটি প্লাস্টিকের বস্তা পড়ে আছে।
    ​র‍্যাব সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি সাদা রঙের বস্তা উদ্ধার করেন।
    ​উদ্ধারকৃত আলামতসমূহ
    ​বস্তাটি থেকে নিম্নলিখিত আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়:​০১টি দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি ওয়ান শ্যুটার পিস্তল।​০৫ রাউন্ড কার্তুজ (অ্যামোনিশন)।​০২টি খালি ম্যাগাজিন।​০২টি তলোয়ার ও ০২টি চাইনিজ কুড়াল।
    ​০১টি রামদা ও ০১টি স্টিলের বল্লম।​০১টি ডেগার।

    ​র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, ধারণা করা হচ্ছে যে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় অস্থিরতা ও আতঙ্ক সৃষ্টির লক্ষ্যে দুষ্কৃতিকারীরা এসব অস্ত্র মজুত করেছিল। সঠিক সময়ে অভিযান পরিচালনার ফলে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা নাশকতার পরিকল্পনা নস্যাৎ সম্ভব হয়েছে।
    ​উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও আলামতগুলো পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে গোমস্তাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে র‍্যাবের গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

    ​চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে র‍্যাবের বড় সাফল্য; রহনপুর থেকে ১টি ওয়ান শ্যুটার পিস্তল, ২ টি ম্যাগাজিন ও ৮টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার।
    ​নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতার পরিকল্পনা নস্যাৎ; পরিত্যক্ত অবস্থায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫।

    রাজশাহী প্রতিনিধি

  • বটিয়াঘাটায় দুই শতাধিক মানুষের জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান

    বটিয়াঘাটায় দুই শতাধিক মানুষের জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান

    হিরামন সাগর
    খুলনা জেলা প্রতিনিধি

    খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছে। উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের হেতালবুনিয়া পূর্বপাড়ায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রায় দুই শতাধিক সমর্থক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় হেতালবুনিয়া পূর্বপাড়া নির্বাচন পরিচালনা অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বটিয়াঘাটা উপজেলার ২নং ইউনিয়ন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ গাজী। এ সময় দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। নবাগত সদস্যরা জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দলে যোগদান করেন এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-১ (দাকোপ–বটিয়াঘাটা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠান শেষে হেতালবুনিয়া পূর্বপাড়া জামায়াতে ইসলামীর নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মোহাম্মদ আলী গাজী, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ সাজ্জাদ মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াসিন হাওলাদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মজিবর, বাইতুল মাল সম্পাদক ইব্রাহিম তালুকদার এবং সহকারী বাইতুল মাল সম্পাদক হিসেবে হেদায়েতকে মনোনীত করা হয়। এছাড়া কার্যকরী ও সাধারণ সদস্য হিসেবে হেদায়েত মোল্লঙ্গী, মোহাম্মদ সালাম হোসেন, মোহাম্মদ ছালাম হোসেন, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, মোহাম্মদ শেখ, মোহাম্মদ আলমগীর শেখ, মোহাম্মদ মিজান, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ শেখসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ##

  • “সুখে ডুবে থাকা চোখ কি দুঃখের গভীরতা দেখতে পায়?”

    “সুখে ডুবে থাকা চোখ কি দুঃখের গভীরতা দেখতে পায়?”

    মোঃ আইনুল ইসলাম, বিভাগীয় সম্পাদক, দুর্নীতি চালাস নিউজ টিভি।

    বিশেষ ফিচার প্রতিবেদন:
    সুখের সাগরে ডুবে থাকা মানুষের কাছে দুঃখ অনেক সময় কেবল একটি শব্দ। আর দুঃখের সাগরে ডুবে বড় হওয়া মানুষের কাছে দুঃখ—একটি বাস্তবতা, একটি ইতিহাস, একটি নীরব যুদ্ধ।

    যিনি কখনো অভাবের তীব্র ক্ষুধা অনুভব করেননি, তিনি ক্ষুধার কষ্টের সংজ্ঞা জানেন—কিন্তু তার গভীরতা বোঝেন না। যিনি কখনো অপমানের ভারে মাথা নিচু করেননি, তিনি অপমান শব্দটি শুনেছেন—কিন্তু তার যন্ত্রণা অনুভব করেননি। এটাই বাস্তবতা। এটাই জীবনের নির্মম সত্য।

    দুঃখ মানুষকে ভেঙে দেয় না, মানুষকে গড়ে তোলে, যারা দুঃখের সাগরে ডুবে বড় হয়েছেন, তারা ছোটবেলা থেকেই শিখে যান—
    কিভাবে নীরবে কষ্ট সহ্য করতে হয়, কিভাবে না পেয়েও কৃতজ্ঞ থাকতে হয়, কিভাবে নিজের দুঃখ গিলে অন্যের কষ্ট বুঝতে হয়।
    দুঃখ মানুষকে সংবেদনশীল করে।
    দুঃখ মানুষকে মানুষ চিনতে শেখায়।

    দুঃখ মানুষকে অহংকার থেকে দূরে রাখে। এই মানুষগুলোই সমাজে সবচেয়ে বেশি সহানুভূতিশীল। কারণ তারা জানে— একটু অবহেলা কত বড় ক্ষত তৈরি করতে পারে, একটু সাহায্য কত বড় আশ্রয় হয়ে উঠতে পারে।

    সুখ কি মানুষকে অমানবিক করে তোলে? সুখ নিজে কোনো অপরাধ নয়। কিন্তু সুখে ডুবে থাকা যদি মানুষকে অন্ধ করে তোলে—তাহলে সেটাই বিপদ। যারা সুখের সাগরে বড় হয়েছেন, অনেক সময় তারা দুঃখকে দেখেন দূর থেকে।

    তাদের চোখে দুঃখ “অন্যের সমস্যা”, তাদের কানে কষ্ট “অতিরঞ্জন”, তাদের বিবেকে অসহায়ত্ব “অযোগ্যতা”।

    এখানেই প্রশ্ন উঠে—
    যে মানুষ নিজে কষ্ট পায়নি, সে কি অন্যের কষ্ট বুঝতে পারে? সবাই পারে না— কিন্তু যে চায়, সে পারে।
    কারণ দুঃখ বোঝার জন্য শুধু অভিজ্ঞতা নয়, দরকার বিবেক।

    সমাজের সবচেয়ে বড় বৈষম্য: অনুভূতির বৈষম্য আমরা অর্থনৈতিক বৈষম্যের কথা বলি, সামাজিক বৈষম্যের কথা বলি—
    কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর বৈষম্য হলো অনুভূতির বৈষম্য।

    একজন মানুষ কাঁদছে, আরেকজন বলছে— “এটা তো তেমন কিছু না।”
    এই কথাটাই প্রমাণ করে—
    দুঃখের সাগর আর সুখের সাগরের মাঝখানে কতটা দূরত্ব। দুঃখকে বোঝা শেখা—মানুষ হওয়ার শর্ত
    যারা দুঃখের সাগরে ডুবে বড় হয়েছেন, তারা সবাই মহান নন।

    আর যারা সুখের সাগরে বড় হয়েছেন, তারা সবাই নিষ্ঠুরও নন।
    পার্থক্যটা তৈরি হয় চিন্তায়।
    আপনি যদি নিজের সুখের ভেতর থেকেও অন্যের কষ্ট দেখার চেষ্টা করেন— তাহলে আপনি মানুষ।

    আর যদি নিজের সুখের দেয়াল দিয়ে সব দুঃখ ঠেকিয়ে দেন—
    তাহলে আপনি কেবল স্বচ্ছল, মানুষ নন। শেষ কথা
    দুঃখ মানুষকে চিনতে শেখায়।
    সুখ মানুষকে পরীক্ষা করে।
    যে মানুষ দুঃখ পেয়েও মানবিক থাকে—সে পরিণত মানুষ।
    আর যে মানুষ সুখে থেকেও দুঃখ বুঝতে শেখে— সে-ই প্রকৃত অর্থে সভ্য।

  • পঞ্চগড় জেলা পুলিশের  কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত

    পঞ্চগড় জেলা পুলিশের কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত

    শাহিনুর রহমান, পঞ্চগড় প্রতিনিধি

    পঞ্চগড় জেলা পুলিশের উদ্যোগে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। অদ্য ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিঃ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ০০ মিনিটে পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে এ কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।

    কিট প্যারেডে অভিবাদন গ্রহণ ও প্যারেড পরিদর্শন করেন পঞ্চগড় জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ রবিউল ইসলাম। এসময় তিনি উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের কিট সামগ্রী, পোশাক-পরিচ্ছন্নতা ও সামগ্রিক শৃঙ্খলা সরেজমিনে পর্যালোচনা করেন। পুলিশ সুপার মহোদয় জেলা পুলিশের সকল সদস্যকে উত্তম পোশাক পরিধান, কিট সামগ্রীর যথাযথ ব্যবহার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীর সদস্য হিসেবে সুশৃঙ্খল জীবনযাপন ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। এছাড়াও যেসব পুলিশ সদস্যের কিট সামগ্রী পাওনা রয়েছে, তাদেরকে দ্রুত সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে সংগ্রহ করার নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।

    কিট প্যারেডে প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আরআই, পুলিশ লাইন্স, পঞ্চগড় জনাব মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরী।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জনাব মোঃ ফরহাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জনাব মোঃ শইমী ইমতিয়াজসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ফোর্সবৃন্দ।

  • হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে সেনাবাহিনীর অভিযানে ১৩৩ পিস ইয়াবা সহ ৪ ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে সেনাবাহিনীর অভিযানে ১৩৩ পিস ইয়াবা সহ ৪ ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    বুলবুল আহমেদ, নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:-

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে (৫ ফেব্রুয়ারী) গভীর রাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নবীগঞ্জ ক্যাম্পের একটি বিশেষ টিম হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের কান্দিগাও গ্রামের ইয়াবা ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর ও লিটন এর বাসায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের বাসায় তল্লাসি চালিয়ে ১৩৩ পিস মরণ নেশা ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ৪ জন ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।
    আটকৃতরা হলো, নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়ননের দেবপাড়া গ্রামের শফিকুল মিয়ার পুত্র ইয়াবা ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর মিয়া (৪৫), কান্দিগাও গ্রামের আমজাদ উল্লার পুত্র ইয়াবা ব্যবসায়ী মোঃ লিটন মিয়া (৩৫), একই গ্রামের ইয়াবা ব্যবসায়ী মোঃ বদরুল ইসলাম (৩০) ও ইয়াবা ব্যবসায়ী মোঃ রয়েল মিয়া (৩৫)।
    আটককৃতদের ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ৪ ব্যবসায়ীকে নবিগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।