Blog

  • রাজাপুর–কাঁঠালিয়ায় ভালো নেতৃত্ব চান মানুষ: ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী

    রাজাপুর–কাঁঠালিয়ায় ভালো নেতৃত্ব চান মানুষ: ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী

    রাজাপুর–কাঁঠালিয়ায় ভালো নেতৃত্ব চান মানুষ: ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী

    মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি

    ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী বলেছেন, “আমরা চাই রাজাপুর–কাঁঠালিয়া একজন ভালো লোকের হাতে থাকুক। এমন একজন মানুষ আসুক, যিনি মানুষের জন্য কাজ করবেন, নিজের ব্যক্তিগত আখের গোছানোর জন্য নয়।”

    তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের বিবেচনাশক্তি অনেক বেশি। তারা ভালো মানুষকে কোথায় মূল্যায়ন করতে হয়, তা ভালোভাবেই বোঝে। অনেকেই বলে ভালো মানুষের মূল্যায়ন নেই—আমি তা বিশ্বাস করি না। মূল্যায়ন আপনাদের হাতেই।” মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের নৈকাঠি, লেবুবুনিয়া ও আমতলা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    গণসংযোগকালে ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী আরও বলেন, “আমাকে মূল্যায়ন করার জন্য বিদেশি সার্টিফিকেট লাগবে না। শুধু আপনারা বিবেচনা করবেন—কোন মানুষটা রাজাপুর–কাঁঠালিয়ার হাল ধরতে পারবে এবং কার নেতৃত্বে এই এলাকায় একটি ভালো ভবিষ্যৎ আসবে।”

    তিনি বলেন, “ইনশাআল্লাহ, আপনাদের দোয়া ও সাহায্য থাকলে আল্লাহ হয়তো আমাকে আপনাদের খেদমত করার সুযোগ দেবেন। আমি একজন ব্যারিস্টার। অনেকেই বলে—এক ব্যারিস্টার গেছে, আরেক ব্যারিস্টার আসছে। এই কথাটা বলার উদ্দেশ্য একটাই—রাজাপুর–কাঁঠালিয়া একজন শিক্ষিত, ভালো ও যোগ্য মানুষের হাতে থাকা উচিত।”

    তিনি আরও বলেন, “এমন একজন প্রতিনিধির প্রয়োজন, যার কাছে আপনারা নির্দ্বিধায় যেতে পারবেন, যার দরজা সবসময় আপনাদের জন্য খোলা থাকবে এবং যে যেকোনো সমস্যায় আপনাদের পাশে দাঁড়াবে। ইনশাআল্লাহ, আগামী দিনে আমি চেষ্টা করব আমার প্রতিশ্রুতি ঠিক রাখতে।”

    এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী বলেন, “মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কী করা যায়—তা খুব কঠিন কিছু নয়। আমি রাজাপুর–কাঁঠালিয়ায় বিশাল সম্ভাবনা দেখি। এখানে একটি ভালো ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন গড়ে তোলা সম্ভব। অনেক ফ্যাক্টরি হতে পারে।”

    তিনি বলেন, “আমাদের ইয়াং জেনারেশনের কর্মসংস্থানের বড় প্রয়োজন রয়েছে। সেই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা আমাদের করতেই হবে। আজ অনেক ছেলে-মেয়ে ড্রাগসে জড়িয়ে পড়ছে। তাদের এই পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে হলে চাকরি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “একজন মানুষের পক্ষে একা এটা সম্ভব নয়। কিন্তু একজন জনপ্রতিনিধির যদি সঠিক ইচ্ছা ও ভালো করার নিয়ত থাকে, তাহলে সে এটা করতে পারে। এই অঞ্চলে একটি ইকোনমিক জোন করার চেষ্টা করা যেতে পারে। সেখানে দশটি ফ্যাক্টরি হলে—বিশেষ করে কুটির শিল্প, কৃষিনির্ভর শিল্প, শীতলপাটি শিল্পসহ বিভিন্ন কারখানা গড়ে উঠতে পারে।”

    এলাকার ভৌগোলিক সুবিধার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “রাজাপুর–কাঁঠালিয়া একটি আদর্শ জায়গা। এখানে নদীবন্দর রয়েছে, ঢাকার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ভালো, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র কাছেই, বিদ্যুতের কোনো সমস্যা নেই এবং পায়রা সমুদ্রবন্দরও খুব কাছে। সবকিছু আমাদের হাতের নাগালে।”

    ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী বলেন, “যদি এখানে একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন হয় এবং দশটি ফ্যাক্টরি গড়ে ওঠে, তাহলে এক হাজার থেকে দশ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। তারা কাজ পেলে পরিবার সচ্ছল হবে এবং খারাপ পথে যাবে না।”

    তিনি বলেন, “এই কাজগুলো করার সুযোগ আমার আছে। আমি বহু মানুষের সঙ্গে পরিচিত, আইন পেশায় নিয়োজিত এবং বিদেশে অনেক কোম্পানির সঙ্গে কাজ করেছি। আমি চাইলে ইনশাআল্লাহ এই কাজটা করতে পারব। এজন্য যে জায়গাটা দরকার—সেই জায়গায় আপনারাই আমাকে নিয়ে যান।”

    শেষে তিনি বলেন, “ইনশাআল্লাহ, এই এলাকার প্রতিনিধি হলে আমার জন্য কাজ করা সহজ হবে। আপনাদের কাছে এটুকুই দাবি—আমাকে সুযোগ দিন। আগামী পাঁচ বছরে রাজাপুর–কাঁঠালিয়ার চিত্র বদলে যাবে।”

  • ইটনায় মাদ্রাসাতুত তাক্বওয়া আল ইসলামিয়ার শুভ উদ্বোধন ও প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে ইসলামী মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

    ইটনায় মাদ্রাসাতুত তাক্বওয়া আল ইসলামিয়ার শুভ উদ্বোধন ও প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে ইসলামী মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

    মোঃ মাহফুজুর রহমান ফরহাদ
    ইটনা কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি।

    কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার পশ্চিম গ্রাম সংলগ্নে অবস্থিত মাদ্রাসাতুত তাক্বওয়া আল ইসলামিয়ার শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে আগামী ৬ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, রোজ মঙ্গলবার ১ম বার্ষিকি এক মহতী ইসলামি ইসলামি মহা সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

    উক্ত ইসলামি মহাসম্মেলনে সভাপতিত্ব করিবেন পীরে বরহ্বক হযরত মাওলানা শায়েখ ফয়জুদ্দীন সাহেব( দা.বা)

    উক্ত উদ্বোধনী মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন
    ঐতিহাসিক শহিদী মসজিদের খতিব ও আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়া, কিশোরগঞ্জ-এর শাইখুল হাদিস
    আল্লামা শফিকুর রহমান জালালাবাদী (দা.বা.)।

    এছাড়াও মাহফিলে উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রখ্যাত বুজুর্গ উলামায়ে কেরাম, আলেম-মাশায়েখ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    উল্লেখ্য, দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার ও কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক যোগ্য আলেম তৈরির লক্ষ্যে
    আখেরাতের পুঁজি সঞ্চয় গ্রুপবাসী ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সার্বিক সহযোগিতায়
    হাফেজ মাওলানা নাঈম হুসাইন এই দ্বীনি প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন।

    মাদ্রাসার জন্য প্রয়োজনীয় জমি ক্রয় এবং মাদ্রাসা মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পে প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে, যা দ্বীনের খেদমতে মুসলিম উম্মাহর একটি প্রশংসনীয় অবদান।

    আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সকল দ্বীনপ্রাণ মুসলমানদের উক্ত উদ্বোধনী ওয়াজ মাহফিলে উপস্থিত থেকে নসিহত গ্রহণ ও দোয়ার মাধ্যমে এ দ্বীনি প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • রাজশাহীতে ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে হামলা

    রাজশাহীতে ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে হামলা

    মো: গোলাম কিবরিয়া
    রাজশাহীর জেলা প্রতিনিধি

     

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খালেদ হাসান বিপ্লবের বাড়িতে শনিবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে দুর্বৃত্তরা ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে এবং ককটেল হামলা করেছে। হামলায় বাড়ির তিনটি মোটরসাইকেল, টেলিভিশন, ফ্রিজ, এসি ও অন্যান্য আসবাবপত্র ভেঙে ফেলা হয়।

    বিপ্লবের বাড়ি রাজশাহী নগরের মতিহার থানার কাজলা নতুন বৌ বাজার এলাকায়। হামলার সময় তার বাবা হেলাল উদ্দিনকে (৬২) একটি কক্ষে আটকে রাখা হয় এবং মা খালেদা বেগমকে (৫৩) হাতুড়িপেটা করা হয়।

    পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, রাতে প্রায় ১০০-১৫০ জন মানুষ বাড়িতে আসে। বাইরে মূল ফটকে তালা থাকায় সবাই ঢুকতে পারেনি। পরে ৩০-৪০ জন প্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করে এবং দোতলায় উঠে বিপ্লবকে খুঁজতে থাকে। তাকে না পেয়ে বাড়িতে তাণ্ডব চালানো হয়। হামলাকারীরা নিচতলায় থাকা তিনটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং বাড়ি লক্ষ্য করে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়।

    পরিবার ঘটনার পর পুলিশকে (৯৯৯) জানালে রাতেই তিনজন টহল সদস্য বাড়িতে এসে পরিস্থিতি দেখেন। তারা খালেদা বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন, তবে ভয়ের কারণে তিনি যেতে পারেননি।

    মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক বলেন, “আমি রাতে থানায় ছিলাম না। ঘটনার বিষয়ে আমার জানা নেই এবং এখনও কেউ অভিযোগ করেনি।”

  • রাজশাহীতে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    রাজশাহীতে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    মো: গোলাম কিবরিয়া
    রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

    রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলায় র‍্যাব-৫ এর অভিযানে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য, মোটরসাইকেল, মোবাইলফোন ও একটি টিপচাকু উদ্ধার করা হয়।

     

    র‍্যাব-৫, সিপিএসসি, রাজশাহীর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (১০ নভেম্বর ২০২৫) বিকেল ৫টার দিকে তানোর থানাধীন হাটদহ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম ও রুবেল আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার উভয়েই তানোর থানার বাসিন্দা।

    র‍্যাব জানায়, আসামিদের দেহ তল্লাশী করে ৮০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১টি মোটরসাইকেল, ৪টি মোবাইল ফোন এবং ১টি টিপচাকু উদ্ধার করা হয়।

    র‍্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা স্বীকার করেছে যে তারা দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে অবৈধ মাদক ব্যবসায় জড়িত। তারা সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল, গাঁজা ও ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সংগ্রহ করে রাজশাহী জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করত।

    র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদ্বয় এলাকায় চিহ্নিত মাদকচক্রের সক্রিয় সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে রাজশাহীর তানোর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    র‍্যাব-৫ কর্তৃপক্ষ জানায়, সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে তাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে

  • রহস্যে ঘেরা ৪২৫ বছরের পুরনো গায়েবি মসজিদ

    রহস্যে ঘেরা ৪২৫ বছরের পুরনো গায়েবি মসজিদ

    মোঃ মাহফুজুর রহমান ফরহাদ

    ইটনা (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:

     

    কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার বাজার থেকে মাত্র এক কিলোমিটার পশ্চিমে, শান্ত ও মনোরম বড়হাটি গ্রামে দাঁড়িয়ে আছে এক রহস্যময় প্রাচীন স্থাপনা তিন গম্বুজওয়ালা গায়েবি মসজিদ। স্থানীয়ভাবে কেউ একে বলেন ঐতিহাসিক শাহী মসজিদ, কেউবা বড় মসজিদ নামে চেনেন। তবে সবচেয়ে বেশি পরিচিতি পেয়েছে ‘গায়েবি মসজিদ’ নামেই।

     

    মসজিদের খতিব কারী মাওলানা আজিজুল হক মীর সাহেব জানান,

     

    গায়েব বলতে কিছু নেই, একমাত্র আল্লাহই আলিমুল গায়েব। তবে এই মসজিদটি কে বা কারা নির্মাণ করেছেন, সে সম্পর্কে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য বা শিলালিপি পাওয়া যায়নি। সেই রহস্য থেকেই লোকমুখে একে ‘গায়েবি মসজিদ’ বলা হয়।”

     

    আশ্চর্য বৈশিষ্ট্য

     

    এই মসজিদের অন্যতম বিস্ময় হলো এর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা। গরমের দিনে ভেতরে প্রবেশ করলেই পাওয়া যায় শীতল পরশ, আর শীতকালে ভেতরটা হয়ে ওঠে আশ্চর্যরকম উষ্ণ। শত বছরের পুরনো স্থাপত্যে এমন প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য এখনো বিজ্ঞানীদের কৌতূহলের বিষয়।

     

    মসজিদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য

     

    যদিও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে মসজিদ নির্মাতার নাম ও সঠিক নির্মাণকাল জানা যায়নি তবে ইতিহাসবিদদের ধারণা প্রায় ৪২৫ বছর আগে ঈশা খাঁর সভাসদ দেলোয়ার এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। সময়ের প্রভাবে আংশিক ক্ষয় হলেও, এর স্থাপত্যশৈলীতে এখনো মুগ্ধ হন দর্শনার্থীরা।

     

    মসজিদে ভক্ত-পর্যটকদের ভিড়

     

    প্রতিদিনই স্থানীয় মুসল্লি ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত পর্যটকদের ভিড়ে মুখর থাকে মসজিদ প্রাঙ্গণ। কেউ আসেন নামাজ আদায় করতে, কেউ আসেন ঐতিহাসিক স্থাপনা দেখতে, আবার অনেকে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় তাবারক ও শিন্নি বিতরণ করেন।

     

    ইটনার বড়হাটি গ্রামের এই গায়েবি মসজিদ শুধু একটি উপাসনালয় নয় — এটি কিশোরগঞ্জের অতীত ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের এক জীবন্ত প্রতীক।

  • রহস্যে ঘেরা ৪২৫ বছরের পুরনো মসজিদ

    রহস্যে ঘেরা ৪২৫ বছরের পুরনো মসজিদ

    1. Jow*ar Bha*nta 29 October 2025 Today Full Episode | জো*য়ার ভা*টা আজকের নতুন পর্ব
  • 425-year-old Ghaybi Mosque shrouded in mystery: A unique example of heritage in Itna, Kishoreganj

    425-year-old Ghaybi Mosque shrouded in mystery: A unique example of heritage in Itna, Kishoreganj

    Md. Mahfuzur Rahman Farhad, Itna (Kishoreganj) Correspondent:

    Just one kilometer west of the market in Itna Upazila of Kishoreganj, in the quiet and picturesque village of Barahati, stands a mysterious ancient structure, the Ghaybi Mosque with three domes. Locally, some call it the historical Shahi Mosque, while others call it the Big Mosque. However, it is most commonly known as the ‘Ghaybi Mosque.’

    Maulana Azizul Haque Mir Sahib, the khatib of the mosque, said,

    There is nothing to say Ghaybi, only Allah is the Knower of the Unseen. However, no reliable information or inscription has been found about who or what built this mosque. It is because of that mystery that it is popularly called the ‘Ghaybi Mosque.’

    Amazing Features

    One of the wonders of this mosque is its ability to control temperature. On hot days, you can find a cool breeze, and in winter, the inside becomes surprisingly warm. Such natural features in a century-old architecture are still a matter of curiosity for scientists.

    History and Heritage of the Mosque

    Although the name of the mosque builder and the exact construction date are not known from talking to the locals, historians believe that Delwar, a member of Isha Khan’s council, built this mosque about 425 years ago. Although it has partially deteriorated due to the effects of time, visitors are still fascinated by its architectural style.

    Crowds of devotees and tourists in the mosque

    Every day, the mosque premises are crowded with local devotees and tourists from different parts of the country. Some come to offer prayers, some come to see the historical structures, and many distribute Tabarak and Shinni to please Allah.

    This hidden mosque in Barahati village of Itna is not just a place of worship — it is a living symbol of Kishoreganj’s past traditions and beliefs.