Blog

  • পাওনা টাকার জেরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

    পাওনা টাকার জেরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

    হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

     

    হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে পাওনা টাকার জেরে দুই পরিবারের সংঘর্ষে মানউল্লাহ মিয়া নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।

    রোববার (১০ মে) দুপুরে উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পাঁচাইক্কা নামক স্থানে এ ঘঠনা ঘঠে। নিহত মানউল্লাহ মিয়া (৬০) শিবপাশা ইউনিয়নের পাঁচাইক্কার মৃত ভুইয়া মিয়ার ছেলে।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত মানউল্লা মিয়ার ভাই আনতু মিয়ার কছে একই গ্রামের ইউনুস মিয়ার স্ত্রী জাহেদা বেগমের টাকা পাওনা ছিল৷ রোববার সকালে এই বিষয় নিয়ে জাহেদা বেগম ও তার সন্তানরা আনতু মিয়াকে গালি দেন।

    পাওনা টাকার জেরে সংঘর্ষে প্রাণ গেল বৃদ্ধের
    কুষ্টিয়ায় দরবার শরীফের খাদেমের ওপর হামলা
    দুপুরে হাওর থেকে ফিরে মানউল্লাহ বিষয়টি জানতে পেরে জাহেদা বেগম ও তার সন্তানদের জিজ্ঞেস করতে গেলে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা বাধে ও একপর্যায়ে দুই পরিবারের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

    সংঘর্ষে মানউল্লা গুরুতর আহত হলে পরিবারের লোকজন তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য শিরু মিয়া জানান, আমি ব্যাক্তিগত কাজে ঢাকায় রয়েছি। কিছুক্ষণ আগে বাড়িতে কল দেওয়ায় বিষয়টি জানতে পেরেছি।

    শিবপাশ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।(সাংবাদিক ফয়সাল আমিন)

  • যশোরের শার্শা এলাকায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

    যশোরের শার্শা এলাকায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

    নিজস্ব প্রতিবেদক

     

    যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারন-সাতক্ষীরা মহাসড়কের গিলাপোল এলাকায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে শাহিন হোসেন (৩৫) ও তুজাম্মেল হোসেন (৪৮) নামে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। সোমবার (১১ মে) সকাল ৭টার দিকে গিলাপোল কবির ব্রিক্সের সামনে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

     

    নিহত শাহিন হোসেন উলাশীর খালপাড় এলাকার সিদ্দিক হোসেনের ছেলে। তুজাম্মেল হোসেন একই গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে।

     

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোটরসাইকেলে করে শাহিন ও তুজাম্মেল পার্শ্ববর্তী নাভারন বাজারে ঝাল নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে গিলাপোল এলাকার কবির ব্রিক্সের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কভার ভ্যান তাদের মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই শাহিন হোসেন নিহত হন।

     

    গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তুজাম্মেল হোসেনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

     

    এ বিষয়ে নাভারন হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোপাল চন্দ্র দাস জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। দুর্ঘটনায় জড়িত কভার ভ্যানটি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

  • পায়রা চত্বরে রাস্তার ওপর অবৈধভাবে মালামাল রেখে বিক্রি, দুইজন গ্রেফতার

    পায়রা চত্বরে রাস্তার ওপর অবৈধভাবে মালামাল রেখে বিক্রি, দুইজন গ্রেফতার

    মোঃ জিয়াউর রহমান

    বিভাগীয় সম্পাদক রংপুর

    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি

     

    রংপুর মহানগরীর পায়রা চত্বর এলাকায় রাস্তার ওপর মালামাল রেখে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

    রবিবার (১১ মে) বেলা সাড়ে ১২ দিকে মহানগরীর কোতয়ালী থানাধীন পায়রা চত্বর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোঃ জিন্নাত আলী। এসময় এএসআই (নিরস্ত্র) মোঃ মাহাবুবুল আলমসহ সঙ্গীয় ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।

    পুলিশ জানায়, বাটা জুতার শো-রুমের সামনে পাকা রাস্তার ওপর মালামাল রেখে অবৈধভাবে বিক্রয় কার্য পরিচালনা করায় এবং জনসাধারণের রাস্তা পারাপারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার দায়ে দুইজনকে আটক করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন

    ১। মোঃ রিয়াজুল জান্নাত দিনার (২৬)

    ২। মোঃ বুলু মিয়া (৩৫)

    তাদের উভয়ের ঠিকানা নিউ জুম্মাপাড়া পাকার মাথা, ওয়ার্ড নং-২৩, থানা কোতয়ালী, রংপুর মহানগর, রংপুর।

    রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদের নির্দেশনায় মহানগরীতে জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে এবং ফুটপাত ও সড়কে অবৈধ দখলমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • রেজার রুহের মাগফেরাত কামনায় দৌলতপুরে জাসাসের দোয়া মাহফিল

    রেজার রুহের মাগফেরাত কামনায় দৌলতপুরে জাসাসের দোয়া মাহফিল

    সরদার সাইদী হাসান বাবু, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি খুলনা বিভাগ: দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

     

    খুলনা মহানগর জাসাসের সদ্য প্রয়াত যুগ্ম-আহ্বায়ক রেজাউল ইসলাম রেজার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিনের দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য বিশেষ দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

     

    রবিবার (১০ মে) বাদ আসর দৌলতপুর থানা জাসাসের উদ্যোগে দৌলতপুর সেভ এন্ড সেফ প্রাঙ্গনে  আয়োজন করা হয়।

     

    দৌলতপুর থানা জাসাসের সভাপতি এস.এম মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-আহ্বায়ক সাঈদ দিদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি এম. মুর্শিদ কামাল। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন।

     

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা মহানগর জাসাসের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নূর ইসলাম বাচ্চু, সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) কাজী জলিল এবং খালিশপুর থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ জাহিদুল ইসলাম।

     

    স্মরণসভায় বক্তারা মরহুম রেজাউল ইসলাম রেজাকে সংগঠনের একজন পরিশ্রমী, নিষ্ঠাবান ও আপসহীন নেতা হিসেবে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তাঁরা বলেন, ‘রেজা ভাইয়ের মতো একজন ভালো কর্মীকে হারিয়ে খুলনা মহানগর জাসাস অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।’ একইসাথে বক্তারা শফিকুল আলম তুহিনের রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনা করে সবাইকে দোয়া করতে আহ্বান জানান।

     

    অনুষ্ঠানে খুলনা মহানগর জাসাসের যুগ্ম-আহ্বায়ক মিতুল মিঠু, মো. সেলিম, ফারুক হোসেন আশা, তরিকুল ইসলাম; সোনাডাঙ্গা থানা জাসাসের সভাপতি মো. আলিমুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক হাসানুল বান্না; সদর থানা জাসাসের সভাপতি রবিউল ইসলাম; খালিশপুর থানা জাসাসের সভাপতি শেখ মনির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম টুটুলসহ বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

     

    এছাড়া দৌলতপুর জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক কাবিদুর রহমান, বিএনপি নেতা শেখ মহিউদ্দিন, মিনারুল ইসলাম, শামিম আজাদ খান মিলু, আজিজুর রহমান মিলন, আরিফ খান, বিএল কলেজ জাসাসের সভাপতি মেহেদী হাসান, সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, জাসাস নেতা মার্শাল টিটো, মোস্তাফিজুর রহমান, ফুয়াদ হাসান ছবি, আমিন শাহ, সংগীতশিল্পী আবদার রহমান, শেখ গোলাম কিবরিয়া সুইট, মাসুদ, টিটো, শফিউল, আজিজ, ঝিল্টন, ইভা খাতুন, নাসিমা, আব্দুর রাজ্জাক, নূর মোহাম্মদ,

    শ্রমিক দলের দৌলতপুর থানার প্রেসিডেন্ট সর্দার আরব আলী,নাসির হাওলাদার, মহানগর কৃষক দল এর শেখ খালিদ হাসান মঈন ও স্বেচ্ছাসেবক দল দৌলতপুর থানা সেক্রেটারি সর্দার আলামিন রতন, দৌলতপুর থানা ছাত্রদল প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান মৃদুলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

     

    অনুষ্ঠানের শুরু ও শেষে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। মোনাজাতে মরহুমের রুহের মাগফেরাত, অসুস্থ নেতার সুস্থতা এবং দেশ-জাতির মঙ্গল কামনা করা হয়।

  • ২ লক্ষ টাকা ঘুষ না দেয়ায় বিপক্ষে রায়; রংপুর জোনাল অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ২ লক্ষ টাকা ঘুষ না দেয়ায় বিপক্ষে রায়; রংপুর জোনাল অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিনিধি:

     

    ঘুষ না পেয়ে ব্যাকডেটে রায় প্রদান, নোটিশ গোপন, পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জমির প্রকৃত মালিকদের সর্বস্বান্ত করার অভিযোগ উঠেছে রংপুর জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মোঃ নাজমুল হুদা, নাজির তোফাজ্জল হোসেন, পেশকার মোঃ শামীম হোসেন এবং ভূরুঙ্গামারী সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার লতিফুর রহমান।

     

    এ ঘটনায় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বাসিন্দা লুৎফর রহমান গত ৬ মে মহাপরিচালক, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটির ডকেট নম্বর-০৬০০৭। একই ধরনের অভিযোগ ৭ মে দায়ের করেন ইনছার আলী নামে এক গ্রাম পুলিশ সদস্য। উভয়ের জমি চর-ভূরুঙ্গামারী মৌজার জে.এল নং-৫০ এলাকায় অবস্থিত।

     

    অভিযোগে বলা হয়, ৯৩/২৩ নম্বর মিসকেসে বিবাদীপক্ষ ১৯৭০ সালের একটি কথিত আমোক্তানামা দলিল উপস্থাপন করলেও বাদীপক্ষ দাবি করেছে, তাদের পূর্বসূরিরা ১৯৬৩ ও ১৯৬৪ সালের বৈধ দলিলের মাধ্যমে মোট ২ দশমিক ৫০ একর জমি ক্রয় করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে ছিলেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে ওই জমি সাব-কবলা দলিলমূলে ক্রয় করেন লুৎফর রহমান গং। পরে নামজারি, খাজনা পরিশোধ ও রেকর্ড সংশোধনসহ সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের নামে ডি.আর.এ রেকর্ড ও ডি.পি খতিয়ান প্রস্তুত হয়।

     

    অপরদিকে, ৩১ ধারার শুনানিকালে ২০২০ সালে ভূরুঙ্গামারী সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসে উভয় পক্ষ হাজির হয়ে কাগজপত্র দাখিল করলেও অভিযোগ রয়েছে, সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার মোঃ লতিফুর রহমান ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে ২০২১ সালের ৭ মার্চ লুৎফর রহমানকে গরহাজির দেখিয়ে তার রেকর্ডীয় ১ দশমিক ৬২ একর জমি থেকে ১ দশমিক ৪২ একর কর্তন করে বিবাদীপক্ষের অনুকূলে রায় দেওয়া হয়।

     

    এরপর প্রতিকার চেয়ে লুৎফর রহমান ৪২(ক) ধারায় আবেদন করলে তা ৯৩/২৩ নম্বর মিসকেস হিসেবে নথিভুক্ত হয়। মামলাটি চলমান থাকায় একবার নথিজাত করা হলেও পুনরায় আবেদনের পর মামলাটি সচল করা হয়। সর্বশেষ ৮ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার নাজমুল হুদা জানান, বিবাদীপক্ষের ১৮৭৩৮/৭০ নম্বর আমোক্তানামা দলিলের সত্যতা যাচাই করে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। পরে ১৪ ও ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে পরপর দুটি চিঠি দিয়ে দলিলের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়।

     

    অভিযোগকারী দাবি করেন, এসব অনুসন্ধান চলমান থাকা অবস্থায় জোনাল অফিসারের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি তাকে জানান, “জোনাল স্যারকে দুই লাখ টাকা দিলে আপনার পক্ষে রায় হবে।” এরপর তিনি ওই ব্যক্তির সঙ্গে আর যোগাযোগ না করে অফিসে পেশকার শামীম হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। পরে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে আদেশ হয়েছে জানতে পেরে রায়ের কপি তুলে দেখেন, তার বিপক্ষে ও ব্যাকডেটে রায় দেওয়া হয়েছে।

     

    তিনি অভিযোগ করেন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে দলিল সংক্রান্ত চিঠিপত্র পাঠানো হলেও রায়ে ৮ এপ্রিল ২০২৫ তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া তার নামে বৈধ দলিল, নামজারি, খারিজ ও খাজনা থাকলেও রায়ে দলিলের ধারাবাহিকতা নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিবাদীপক্ষের নামে খারিজ না থাকলেও তাদের নামে খারিজ রয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

     

    অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, রায়ের তথ্য গোপন রেখে ওই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “এখন আর যোগাযোগ করে লাভ হবে না। বিশ্বাস না হলে খোঁজ নিয়ে দেখেন, আপনার বিপক্ষে রায় দিয়েছে। যারা টাকা দিয়েছে তাদের পক্ষে রায় হয়েছে, আর যারা টাকা দেয়নি তাদের বিপক্ষে রায় গেছে।”

     

    লুৎফর রহমান বলেন, “আমার সি.এস, এস.এ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত দলিল, নামজারি ও খাজনার কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও দুই লাখ টাকা ঘুষ না দেওয়ায় বিবাদীপক্ষের নিকট থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে আমার বিপক্ষে ও ব্যাকডেট দিয়ে রায় দেওয়া হয়েছে। এতে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।”

     

    তিনি আরও বলেন, রায়ের পর জোনাল অফিসারের সঙ্গে দেখা করলে তিনি বলেন, “যা রায় দিয়েছি, এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। রায়ে অসন্তুষ্ট হলে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে যান। এছাড়া সরকারের দপ্তর খোলা আছে। আমি যদি সব রায় সঠিকভাবে দিই, তাহলে আদালত বা অন্য দপ্তর কী করবে?”

     

    এদিকে, ইনছার আলীও অভিযোগ করেছেন, ঘুষ না দেওয়ায় যথাযথ নোটিশ ছাড়াই তার জমি সংক্রান্ত মামলার নথিজাত ও আদেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    অভিযোগকারীরা মহাপরিচালকের কাছে মিসকেস নং-৯৩/২৩ ও সংশ্লিষ্ট আপিল কেসের রায় বাতিল, ডি.পি খতিয়ান বহাল এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

     

    রংপুর জোনাল সেটেলমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, ৫৮টি উপজেলায় ৬ হাজার ৭১০টি মৌজা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মৌজা থেকেই লাখ টাকা ঘুষের দুটি অভিযোগ দাখিল হয়েছে।

     

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে রংপুর জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মোঃ নাজমুল হুদা বলেন, আমি সাংবাদিকবান্ধব মানুষ। বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্টদের তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছি।

     

    এছাড়া আর্থিক লেনদেনের অভিযোগটি অস্বীকার করেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভুয়া ওয়ারিশ সনদে নামজারির চেষ্টা একজনের কারাদণ্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভুয়া ওয়ারিশ সনদে নামজারির চেষ্টা একজনের কারাদণ্ড

    মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভুয়া ওয়ারিশ সনদ ব্যবহার করে অন্যের জমি নিজের নামে নামজারি (মিউটেশন) করার চেষ্টার অভিযোগে একজনকে কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মোঃ আব্দুস সাত্তার। তিনি সদর উপজেলার কৃষ্ণগোবিন্দপুর মিয়াপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে। রবিবার (১০ মে) চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, অভিযুক্ত আব্দুস সাত্তার জালিয়াতির মাধ্যমে একটি ভুয়া ওয়ারিশ সনদ তৈরি করেন। পরে সেই সনদ ব্যবহার করে অন্যের মালিকানাধীন জমি নিজের নামে নামজারি করার চেষ্টা করেন। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ একরামুল হক নাহিদ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেন। জালিয়াতির অপরাধে তাকে ৩ (তিন) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আইনগত প্রক্রিয়ায় জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ বলেন, “ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের জালিয়াতি বা প্রতারণা রোধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে। সরকারি কাজে বিঘ্ন ঘটানো বা ভুয়া নথি ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের জমি আত্মসাতের চেষ্টা করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

    ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ মানুষকে হয়রানিমুক্ত রাখতে এবং ভূমিসেবা আরও স্বচ্ছ করতে এ ধরনের কঠোর তদারকি ও অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।

  • কুড়িগ্রামে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ত্রাণমন্ত্রী

    কুড়িগ্রামে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন ত্রাণমন্ত্রী

    রফিকুল ইসলাম রফিক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

     

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন, পানি সংরক্ষণ ও কৃষি উন্নয়নের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন, বর্তমান সরকার সেই ধারাবাহিকতায় দেশব্যাপী খাল পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

     

    রোববার (১০ মে) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা-এর হলোখানা ইউনিয়ন-এর আরাজী পলাশবাড়ী এলাকায় দাশেরহাট ছড়া থেকে এসিল্যান্ড সংযোগ খাল পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি কোদাল দিয়ে মাটি কেটে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং পরে খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ করেন।

     

    ত্রাণমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন খাল খনন ও পরিচর্যা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা ও পানি সংকট তৈরি হয়েছে। নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী সারাদেশে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষিকাজ সম্প্রসারণ, পানি সংরক্ষণ, মাছ চাষের উন্নয়ন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

     

    তিনি জানান, চলতি বছরে সারাদেশে ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে মোট ৭ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি একই সময়ে ২০ কোটি গাছ রোপণের কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হবে।

     

    এসময় তিনি আরও বলেন, উত্তরাঞ্চল ও হাওড় এলাকায় বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এসব এলাকায় বজ্র আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং বজ্রনিরোধক যন্ত্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় মানুষ নিরাপদ আশ্রয় নিতে পারে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চল ও হাওড় এলাকায় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যাও বাড়ানো হবে বলে জানান তিনি।

     

    জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় আরাজী পলাশবাড়ী মৌজার দাশেরহাট ছড়া থেকে এসিল্যান্ড সংযোগ খাল পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হবে। এ প্রকল্পে খাল পুনঃখনন ও অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা।

     

    প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রথম ধাপে জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলা, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা, রাজারহাট উপজেলা, উলিপুর উপজেলা ও রৌমারী উপজেলা-এর মোট ৫৯ দশমিক ৯৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলাধার সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

     

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সদস্য সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব ও শফিকুল ইসলাম বেবু, জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিএম কুদরত এ খুদা, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এ টিএম বেনজীর রহমান এবং হলোখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম উপস্থিত ছিলেন।

     

    এর আগে সকালে ত্রাণমন্ত্রী লালমনিরহাট-এ নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে কুড়িগ্রামে পৌঁছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরে তিনি কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-এর সম্ভাব্য স্থান নালিয়ারদোলা এলাকা পরিদর্শন করেন।

  • অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রতারণার অভিযোগে খুলনা জেলা পরিষদের মজুদ সহকারি নুরজাহান কাকুলীর বিরুদ্ধে নোটিশ

    অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রতারণার অভিযোগে খুলনা জেলা পরিষদের মজুদ সহকারি নুরজাহান কাকুলীর বিরুদ্ধে নোটিশ

    এইচ এম সাগর (হিরামন) খুলনা :

    অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে খুলনা জেলা পরিষদের মজুদ সহকারী (ভারপ্রাপ্ত) নুরজাহান কাকুলীর বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। রবিবার, ১০ মে পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির বিশিষ্ট আইনজীবী, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট এফ এম এ রাজ্জাক এ নোটিশ প্রদান করেন। নোটিশে তিনি উল্লেখ করেন, পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের ধামরাইল গ্রামের বাসিন্দা ও ধামরাইল গাজী পাড়া বাইতুন নূর জামে মসজিদের সভাপতি জাফর আলী গাজীর কাছ থেকে মসজিদের জন্য খুলনা জেলা পরিষদ থেকে ১০ লাখ টাকা অনুদান পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে নুর জাহান কাকুলী নগদ ৩ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে প্রতিশ্রুত অনুদান দিতে ব্যর্থ হলে পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য তিনি নিজ নামীয় সোনালী ব্যাংক পিএলসি, সার ইকবাল রোড শাখা, খুলনার একটি চেক প্রদান করেন। তবে গত ৭ মে ২০২৬ তারিখে চেকটি ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবটিতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকটি ডিজঅনার করে ফেরত দেয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জাফর আলী গাজী নুর জাহান কাকুলির সরানাপন্ন হয়ে বিষয়টি বলেন। তবে নুর জাহান কাকুলি ভুক্তভোগির কথায় কর্নপাত করেনি। তাই তিনি নিরুপায় হয়ে আইনজীবির সরনাপন্ন হয়। আইনজীবী এফ এম এ রাজ্জাক নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে ৩ লাখ টাকা পাওনাদার মোঃ জাফর আলীকে পরিশোধ করে চেক ফেরত নিতে নুর জাহান কাকুলিকে আইনি নোটিশ দিয়েছেন। অন্যথায় নুর জাহান কাকুলির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করবেন বলে নোটিশে উল্লেখ করেছেন।

  • বাহাদুর বাজার মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন — ভোটযুদ্ধে নতুন নেতৃত্বে ব্যবসায়ীদের আস্থা

    বাহাদুর বাজার মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন — ভোটযুদ্ধে নতুন নেতৃত্বে ব্যবসায়ীদের আস্থা

    মোঃ আইনুল ইসলাম

    বিভাগীয় সম্পাদক,

    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

     

    সভাপতি পদে জোবায়দুর রহমান, সহ-সভাপতি পদে খলিল ও সাধারণ সম্পাদক পদে জহুরুল নির্বাচিত, দিনাজপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী “বাহাদুর বাজার মৎস্য ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতি লিঃ” এর ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। গত ০৯ মে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, শনিবার সমিতির কার্যালয়ে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিটি।

     

    নির্বাচনে সভাপতি পদে “ছাতা” প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মোঃ জোবায়দুর রহমান ১১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী “চেয়ার” প্রতীকের মোঃ আইয়ুব আলী পান ৬১ ভোট।

    সহ-সভাপতি পদে “গরুরগাড়ী” প্রতীকের মোঃ খলিল ৬৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। একই পদে “হরিণ” প্রতীকের মোঃ জমির হোসেন পান ৬৪ ভোট এবং “আনারস” প্রতীকের মোঃ আরকান পান ৩৭ ভোট।

     

    সাধারণ সম্পাদক পদে “তালা-চাবি” প্রতীকের মোঃ জহুরুল বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। তিনি পান ১১৭ ভোট। অপরদিকে “মাছ” প্রতীকের মোঃ নুর ইসলাম পান ৫৭ ভোট।

    সদস্য পদে অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে “মোরগ” প্রতীকের মোঃ রাশেদ আলী সর্বোচ্চ ১৩৫ ভোট পেয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন। “আম” প্রতীকের মোঃ মাসুদ রানা ১২২ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় এবং “মই” প্রতীকের মোঃ রবি হোসেন ৭৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। এছাড়া “ফুটবল” প্রতীকের মোঃ রাব্বি পান ৬৫ ভোট।

     

    নির্বাচন কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সমবায় সমিতি বিধিমালা-২০০৪ অনুযায়ী সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ভোটগ্রহণ ছিল অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ। নির্বাচন চলাকালে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো এবং পুরো পরিবেশ ছিল উৎসবমুখর। নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেন নির্বাচন কমিটির সভাপতি মোঃ আলমগীর মিয়া, সদস্য মোঃ নুরুজ্জামান ও সদস্য মোঃ সবুজ বিপ্লব। তারা নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নবনির্বাচিত কমিটির প্রতি সমিতির উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

    স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সমবায় সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, নবনির্বাচিত নেতৃত্ব বাহাদুর বাজার মৎস্য ব্যবসায়ীদের অধিকার, ব্যবসায়িক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

  • ঠাকুরগাঁওয়ে দুগ্ধ খাত উন্নয়নে ব্র্যাকের কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত।

    ঠাকুরগাঁওয়ে দুগ্ধ খাত উন্নয়নে ব্র্যাকের কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত।

    বেলাল হোসেন ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

     

    ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখানগর ইউনিয়নে দুগ্ধ খাতের উন্নয়ন ও লাভজনক খামার গড়ে তুলতে একদিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজ।

    শনিবার (৯ মে ২০২৬) অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণের মূল প্রতিপাদ্য ছিল— “অধিক দুধ উৎপাদন, গাভী পালন ও লাভজনক খামার গঠন”। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গবাদিপশু খামারিরা অংশগ্রহণ করেন।

    প্রশিক্ষণে গৃহ পর্যায়ে দুগ্ধ গাভী পালনের আধুনিক পদ্ধতি, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, প্রজনন, স্বাস্থ্যসেবা, পরিচ্ছন্নতা এবং খামারের তথ্য সংরক্ষণ বিষয়ে খামারিদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ডা. অমল কুমার রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডা. মনিরুজ্জামান মিলন (ভিএস)। সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের এরিয়া সেলস ম্যানেজার মো. আবু সায়েম।

    বক্তারা বলেন, আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক খামার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গাভীর সঠিক যত্ন নিশ্চিত করা গেলে দুধ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব। একইসঙ্গে উন্নত প্রজনন পদ্ধতি ও কার্যকর স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা খামারের লাভজনকতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    প্রশিক্ষণে রোগ নিয়ন্ত্রণ, সঠিক প্রজনন ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্ন খামার পরিচালনা এবং আয় বৃদ্ধির বিভিন্ন কৌশল হাতে-কলমে উপস্থাপন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহিত করতে আয়োজন করা হয় কুইজ প্রতিযোগিতারও।

    শেষে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া কৃষকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।