Blog

  • ছাতক উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।

    ছাতক উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।

    ফজল উদ্দিন, ছাতক প্রতিনিধিঃ

    সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ মে) রাত ৮টার দিকে উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়, উপজেলা গেইট, কোর্ট রোডস্থ তানজিদ ম্যানশনের দ্বিতীয় তলায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

     

    উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক কাজী রেজাউল করিম রেজার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মো. খালেদ মিয়ার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, আহবায়ক কমিটির সদস্য সাকির আমীন, মোশাররফ হোসেন, লুৎফুর রহমান শাওন, নাজমুল হাসান জুয়েল ও ফজল উদ্দিন।

     

    এর আগে সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে সদস্য চুড়ান্তকরণে যাচাই-বাছাই কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ কমিটির প্রধান আহবায়ক কাজী রেজাউল করিম রেজার সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন, যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য শাহ মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, মো. খালেদ মিয়া, সাকির আমীন ও মোশাররফ হোসেন।

     

    উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী শুক্রবার (১৫ মে) বিকেল ৪টায় উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে আহবায়ক কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়।

  • পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে ঐতিহাসিক বারআউলিয়ার মাজার শরীফ পরিদর্শনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

    পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে ঐতিহাসিক বারআউলিয়ার মাজার শরীফ পরিদর্শনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি: শাহিনুর রহমান

    আগামী ১৪ মে অনুষ্ঠিতব্য ঐতিহাসিক বারআউলিয়ার মাজার শরীফের ওরসকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী থানাধীন মাজার শরীফ পরিদর্শন করেছেন পঞ্চগড় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) সিফাত-ই-রাব্বান।

    সোমবার (১১ মে ২০২৬) মাজার শরীফ পরিদর্শনকালে তিনি ওরসকে ঘিরে গৃহীত সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় মাজার এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারে ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন, সাদা পোশাকে পুলিশের তৎপরতা বৃদ্ধি এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    পরিদর্শন শেষে মাজার শরীফ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। তিনি ওরস অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ শইমী ইমতিয়াজ, আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিয়ার রহমানসহ মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ।

  • সংস্কৃতি মন্ত্রীর নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন

    সংস্কৃতি মন্ত্রীর নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন

    দেবদূত কর তীর্থ, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

    ত্রিশাল, ময়মনসিংহ:

     

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নামে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি। সোমবার (১১ মে) তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন।

     

    পরিদর্শনকালে ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

     

    উপাচার্যের কার্যালয় সংলগ্ন কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, একাডেমিক কার্যক্রম ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন উপাচার্য। এসময় সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও বহুমাত্রিক প্রতিভার প্রতীক। তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

     

    মন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক ভাষা শিক্ষার জন্য বিশেষায়িত ভাষা ইন্সটিটিউট চালু করা প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে পড়াশোনার সুযোগ পায়। একইসঙ্গে ত্রিশালকে নজরুলচর্চা ও সাংস্কৃতিক পর্যটনের কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

     

    মতবিনিময় সভায় ময়মনসিংহ-৭ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন বলেন, ত্রিশালে জাতীয়ভাবে নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপনের উদ্যোগ এ অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। তিনি জানান, পাঁচ দিনব্যাপী আয়োজিতব্য নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জাতীয় পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পীদের অংশগ্রহণে একটি বৃহৎ সাংস্কৃতিক মিলনমেলার আয়োজন করা হচ্ছে।

     

    এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, দপ্তরপ্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

     

    উল্লেখ্য, কবি নজরুলের ১২৭তম জন্মজয়ন্তীর জাতীয় অনুষ্ঠান উপলক্ষে ময়মনসিংহে প্রস্তুতি সভা শেষে সংস্কৃতি মন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন।

  • পায়রা চত্বরে রাস্তার ওপর অবৈধভাবে মালামাল রেখে বিক্রি, দুইজন গ্রেফতার

    পায়রা চত্বরে রাস্তার ওপর অবৈধভাবে মালামাল রেখে বিক্রি, দুইজন গ্রেফতার

    মোঃ জিয়াউর রহমান

    বিভাগীয় সম্পাদক রংপুর
    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি

    রংপুর মহানগরীর পায়রা চত্বর এলাকায় রাস্তার ওপর মালামাল রেখে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
    রবিবার (১১ মে) বেলা সাড়ে ১২ দিকে মহানগরীর কোতয়ালী থানাধীন পায়রা চত্বর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোঃ জিন্নাত আলী। এসময় এএসআই (নিরস্ত্র) মোঃ মাহাবুবুল আলমসহ সঙ্গীয় ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।
    পুলিশ জানায়, বাটা জুতার শো-রুমের সামনে পাকা রাস্তার ওপর মালামাল রেখে অবৈধভাবে বিক্রয় কার্য পরিচালনা করায় এবং জনসাধারণের রাস্তা পারাপারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার দায়ে দুইজনকে আটক করা হয়।
    গ্রেফতারকৃতরা হলেন
    ১। মোঃ রিয়াজুল জান্নাত দিনার (২৬)
    ২। মোঃ বুলু মিয়া (৩৫)
    তাদের উভয়ের ঠিকানা নিউ জুম্মাপাড়া পাকার মাথা, ওয়ার্ড নং-২৩, থানা কোতয়ালী, রংপুর মহানগর, রংপুর।
    রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদের নির্দেশনায় মহানগরীতে জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে এবং ফুটপাত ও সড়কে অবৈধ দখলমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • বাগেরহাটের রামপালে কোটি টাকার সম্পদ হারিয়ে দিশেহারা পোল্ট্রি ব্যাবসায়ী আনোয়ার; চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে মামলা করে বিপাকে

    বাগেরহাটের রামপালে কোটি টাকার সম্পদ হারিয়ে দিশেহারা পোল্ট্রি ব্যাবসায়ী আনোয়ার; চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে মামলা করে বিপাকে

    হারুন শেখ বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি।

     

    বাগেরহাটের রামপালে চাঁদাবাজ ও ঘের দখলবাজদের কবল থেকে পোল্ট্রি খামার ও মৎস্যঘের ফিরে পেতে মামলা করে বিপাকে পড়েছেন ব্যাবসায়ী আনোয়ার হোসেন। কোটি টাকা মূল্যের পোল্ট্রি খামার ও মৎস্যঘের হারিয়ে সমাজপতিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও প্রতিকার মিলছে না। এতে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি। আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা হলেও তারা প্রকাশ্যে বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছি।

    মামলার এজাহারে ব্যাবসায়ী আনোয়ার হোসেন উল্লেখ করেছেন, জনৈক শেখ রুহুল আমিন ও শেখ মঞ্জুরুল বারীদ্বয়ের বাশতলীর মদনাখালীস্থ গ্রামে প্রায় ৮ একর জমি লিজ মূলে গ্রাহণ করেন। ওই জমিতে বেশ কয়েকটি টিনসেড ও স্থাপনা নির্মাণসহ পোল্ট্রি মুরগী মজুদ, ছাগলের ফার্ম করেন। এছাড়াও তিনি একইসাথে মৎস্যঘেরে বিপুল পরিমাণ মৎস্য চাষ করে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন, কালভার্ট নির্মাণ, বিদ্যুৎ সংযোগসহ উন্নতমানের বসবাসের ঘর নির্মাণ করেন। ওই সময় তিনি উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের মৃত ইমান হাওলাদারের ছেলে হাওলাদার কবির হোসেনকে কর্মচারী হিসেবে ফার্মে নিয়োগ দেন। এরপরে ওই ফার্মটি কৌশলে দখলের ষড়যন্ত্র করেত থাকে ওই কর্মচারী কবির হোসরনসহ ক্ষমতাশীন দলের পরিচয়দানকারী কতিপয় সন্ত্রাসীরা। পরবর্তীতে গত ইংরেজি ০৫-০৪-২০২৬ তারিখ রবিবার অনুমান সন্ধা ৭ টার সময় ওই কর্মচারী কবির হোসেন ও তার সহযোগী একই গ্রামের শেখ আব্দুস সবুরের ছেলে শেখ সালমান হোসেনসহ অজ্ঞাত ২৫/৩০ জন সন্ত্রাসীদের সাথে নিয়ে ওই ফার্মে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন। তারা ওই সময় ব্যাবসায়ী আনোয়ার হোসেনের ফার্মে দলবলসহ প্রবেশ করেন। ওই সময় কবির হোসেন ব্যাবসায়ী আনোয়ারের গলায় রাম দা ধরে তাকে ঘরের মধ্যে আটকে রেখে ১৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন। তখর সন্ত্রাসীরা আরো হুমকি দিয়ে বলেন, তোর কাঁচা টাকার ব্যাবসা। এলাকায় ব্যাবসা করতে হলে তোকে চাঁদার টাকা দিতেই হবে। তা না দিলে তোকে জীবনে শেষ করে ফেলবো বলে হুমকি দেয়। ওই সময় পিকআপে মজুদ করা ২ টন মুরগী ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের মারফত মোসাম্মৎ রোজিনার ইসলামী ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে ৩ লক্ষ টাকা ও পারভীনের একাউন্টের মাধ্যমে ২ লক্ষ ৫ হাজার টাকা ট্রান্সফার করে নিয়ে যায়। চাঁদার টাকা বাবদ ৫ লক্ষ ৫ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার পর বাকী ১০ লক্ষ টাকা ১৫ দিনের মধ্যে দিয়ে বলেন। এ ঘটনা জানাজানি হলে এবং গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের জানালে ঘটনার ২য় দিন ইংরেজি ৩০-০৪-২০২৬ তারিখ বৃহস্পতিবার অনুমান সকাল ১০ টায় বাশতলীর মদনাখালীস্থ ফার্মে প্রবেশ করে আসামী কবির, শেখ সালমান হোসেন, মনিরা বেগমসহ ২৫/৩০ জন। তারা রাম দা, শাবল ও খোন্তাসহ অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ফার্মে প্রবেশ করে আরো ৪০০ কেজি মুরগী যার অনুমান মূল্য ১ লক্ষ টাকা, ঘেরে থাকা বাগদা, গলদা, রুই, কাতল ও বিভিন্ন প্রজাতির সাদা মাছ লুট করে নেয়। যার অনুমান মূল্য ৪ লক্ষ টাকার মাছ লুটে নিয়ে যায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। ওই সময় আসামীরা ফার্মে থাকা মালামাল লুট ও ভাংচুর করে ক্ষতি করে। এছাড়াও তারা ব্যাবসায়ী আনোয়ার হোসেনকে ফার্ম থেকে বের করে অবৈধভাবে ফার্মটি দখল করে নেয়। এমন অবস্থায় ব্যাবসায়ী আনোয়ার হোসেন প্রতিকার চেয়ে বাগেরহাটের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে দ্রুত বিচার আইনের ৪/৫ ধারায় গত ইংরাজি ৭মে একটি মামলার পিটিশন করেন। বিজ্ঞ আদালত শুনানি শেষে রামপাল থানার ওসিকে মামলাটি এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। নির্দেশ মোতাবেক রামপাল থানার ওসি মামলাটি রেকর্ড করেন। যার নম্বর -৭, তারিখ ০৭-০৫-২০২৬। মামলা করে বাদী বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবী করেন।

    অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কবির হোসেন বাইরে থাকায় তার স্ত্রী মনিরা বেগমের সাথে কথা হলে সে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন আমরা ১১ লক্ষ টাকা দিয়ে খামারের পার্টনার রয়েছি। তবে বৈধ কোন কাগজপত্র দেখাতে সে দেখাতে পারেননি।

    এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি রাজিব আল রশিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নতুন যোগদান করেছি। নথিপত্র দেখে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রাহণ করা হবে।

  • ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মায়ের মৃত্যুতে দিনাজপুর জেলা বিএনপির মিলাদ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল

    ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মায়ের মৃত্যুতে দিনাজপুর জেলা বিএনপির মিলাদ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল

    মোঃ আইনুল ইসলাম

    বিভাগীয় সম্পাদক,

    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

     

    বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মাতা মরহুমা বেগম জেবুন্নেছার রুহের মাগফিরাত কামনায় দিনাজপুর জেলা বিএনপির উদ্যোগে এক হৃদয়স্পর্শী মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (১১ মে ২০২৬) বিকেল ৫টায় শহরের জেল রোডস্থ জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এ দোয়া মাহফিলে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

    দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচির সঞ্চালনায়

     

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন

    জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মোকাররম হোসেন, সহ-সভাপতি খালেকুজ্জামান বাবু, আলহাজ্ব মাহবুব আহমেদ, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আবু বকর ছিদ্দীক, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও দিনাজপুর চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আখতারুজ্জামান জুয়েল, সহ-সভাপতি হাসানুজ্জামান উজ্জ্বল, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মুন্না, আনিসুর রহমান বাদশা, কোষাধ্যক্ষ মোঃ নুরুজ্জামান সরকার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মন্ডল বকুল, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক একেএম মাসুদুল হক মাসুদ, সদস্যসচিব রেজাউর রহমান রেজা, জেলা মহিলা দলের সভাপতি মিসেস জিনাত আরা, সাধারণ সম্পাদক শাহীন সুলতানা ডিউটি, ড্যাব দিনাজপুর জেলা শাখার সদস্যসচিব ডা. মোঃ জিয়াউল হক জিয়া, কেন্দ্রীয় তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা তাঁতীদলের সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম গুরু এবং জেলা তাঁতীদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসু খান, মোঃ রেহাতুল ইসলাম খোকা – কাউন্সিলর, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং সদস্য, দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা (অ্যাডহক কমিটি)সহ জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

     

    এছাড়াও জেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, সদর উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, কৃষকদল, শ্রমিকদল, তাঁতীদল ও মহিলাদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

    দোয়া মাহফিলে মরহুমা বেগম জেবুন্নেছার বিদেহী আত্মার শান্তি ও রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। একইসঙ্গে দেশ, জাতি ও বিএনপির কল্যাণ কামনার পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের মাতাসহ বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মীর মৃত স্বজনদের রুহের মাগফিরাত কামনাও করা হয়। মুনাজাত পরিচালনা করেন জেল রোড

    কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মুফতি মোঃ আশফাক। উল্লেখ্য, গত ৬ মে ২০২৬ তারিখে অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মাতা বেগম জেবুন্নেছা ইন্তেকাল করেন।

  • মাগুরায় হত্যা মামলা না নেওয়ার অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে, মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে মামলা রেকর্ড

    মাগুরায় হত্যা মামলা না নেওয়ার অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে, মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে মামলা রেকর্ড

    মোঃ জুয়েল রানা ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি সমগ্র বাংলাদেশ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি

     

    মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার সিন্দাইন গ্রামের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম হত্যা ঘটনায় বোয়ালমারী থানায় মামলা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের পরিবারের দাবি, ঘটনাটিকে সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী-এর হস্তক্ষেপে হত্যা মামলা রেকর্ড করা হয়।

     

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ মে মঙ্গলবার ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার হাটখোলারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রবিউল ইসলামকে একই গ্রামের শাহিদুল তার জামাই বাড়ি হাটখোলারচর বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে সঙ্গে নিয়ে যায়। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, জামাই ও শ্বশুরের মধ্যে পূর্বের বিরোধের জেরে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকা রবিউল ওই বিরোধের বলি হন।

     

    অভিযোগ রয়েছে, কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে রবিউল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ বস্তাবন্দী করে একটি প্রাইভেটকারে গুম করার চেষ্টা করা হয়। তবে মরদেহ বহনকারী গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে গেলে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।

     

    নিহতের পিতা ছারোয়ার হোসেন ওরফে ছোরন অভিযোগ করে বলেন,

    “আমার ছেলে রবিউলকে মোটরসাইকেল আনার কথা বলে হাটখোলারচর নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে হত্যা করা হয়েছে। পরে আমরা থানায় হত্যা মামলা করতে গেলে পুলিশ এটি দুর্ঘটনা মামলা হিসেবে নিতে চায়।”

     

    পরিবারের সদস্যরা পরে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী-এর কাছে গেলে তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় মন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট এসপি ও বোয়ালমারী থানার ওসিকে ফোন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

     

    মন্ত্রীর হস্তক্ষেপের পর গত রোববার বোয়ালমারী থানায় নিহত রবিউলের পিতা ছানোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ৮ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

     

    এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • পীরগঞ্জে ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের প্রতিবাদী মানববন্ধন

    পীরগঞ্জে ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের প্রতিবাদী মানববন্ধন

    মো. আরফান আলী :

    “অধিকার আদায়ে, আমরা, সবাই একসাথে’ এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিভিন্ন পেশার মর্যাদা রক্ষা ও ঔষধ কোম্পানীতে প্রতিনিধিগণের নিরাপদ কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবীতে ঠাকূরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ফারিয়া মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

     

    পীরগঞ্জ উপজেলা সংগঠনের আয়োজনে সোমবার সকাল ১০, টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পনী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা প্রতিবাদী মানববন্ধন করেণ।

    সংগঠনের সভাপতি আব্দুল মালেক, সাধারণ সম্পাদক তুষার হোসেন নিম্নোক্ত দাবী পেশ করেণ,

    তারা বলেন আমরা দালাল নয় মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভগণ এদেশের সবোর্চ্চ শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠি আমরা সব সময় মানুষের পাসে থেকে সেবা করতে চায় আমরা দালাল নয়, আমরাও মানুষ। আমাদের কাজে বাধা দিলে আগামীতে আন্দোলন দিতে বাধ্য হব।

    এসময় কদর আলী অভিযোগ করে বলেন, আমরা দালাল নয়, পেশার মর্যাদা রক্ষা নিরাপদ কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করণের দাবিতে সারা দেশের নেয় ফারিয়া প্রতিবাদ এবং মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।

  • সবুজ ও পরিচ্ছন্ন দিনাজপুর উদ্যোগের উদ্বোধন, জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির সূচনা

    সবুজ ও পরিচ্ছন্ন দিনাজপুর উদ্যোগের উদ্বোধন, জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির সূচনা

    মোঃ আইনুল ইসলাম বিভাগীয় সম্পাদক,

    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

     

    পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই পরিচ্ছন্নতার শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান প্রধান অতিথির-

    “Green & Clean Dinajpur” শীর্ষক পরিবেশবান্ধব ও সচেতনতামূলক উদ্যোগের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ স্কাউটস, দিনাজপুর এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, দিনাজপুর এরিয়া প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেশন অফিসের যৌথ আয়োজনে সোমবার (১১ মে ২০২৬) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষ “কাঞ্চন-১”-এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

     

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোঃ রিয়াজ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের পুলিশ সুপার জনাব মোঃ জেদান আল মুসা, সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আসিফ ফেরদৌস, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিরেক্টর জনাব সুরেশ বাঢলেট এবং সিনিয়র ডিরেক্টর-অপারেশনস জনাব চন্দন জাকারিয়াস গমেজ।

     

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জনাব এস. এম. হাবিবুল হাসান। এসময় বিভিন্ন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, জেলা ও উপজেলা স্কাউটস সম্পাদক, রোভার স্কাউট সদস্য, স্কাউটস প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

     

    প্রধান অতিথি তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে “Green & Clean Dinajpur” উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও সচেতন সমাজ গড়ে তুলতে পরিবার থেকেই শিশুদের মাঝে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। ছোটবেলা থেকেই সন্তানদের এ বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হলে তারা ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সন্তানদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে সামাজিক দায়িত্ববোধ ও পরিচ্ছন্নতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও সচেতন করে তুলতে হবে। একইসঙ্গে তিনি শিক্ষকদের প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সচেতনতার বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা গুরুত্বসহকারে প্রদান করা প্রয়োজন। বিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের মাঝে দায়িত্ববোধ ও সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।

     

    এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের এ ধরনের ইতিবাচক কাজে অংশগ্রহণকে নেতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মানবিক ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পরিচ্ছন্নতা শুধু সামাজিক দায়িত্ব নয়, এটি নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

    বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, সমাজের বাস্তব চিত্র ও ইতিবাচক উদ্যোগগুলো সঠিকভাবে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে নিরপেক্ষ, তথ্যভিত্তিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সত্য ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পেশাদারিত্বের সঙ্গে তুলে ধরার মাধ্যমেই গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।

     

    অনুষ্ঠান শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচতলার খোলা প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের প্রতিনিধিসহ উপস্থিত অতিথিরা পরিবেশ সচেতনতার প্রতীক হিসেবে অসংখ্য বেলুন উড়িয়ে “সবুজ ও পরিচ্ছন্ন দিনাজপুর” উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। আয়োজকরা জানান, দিনাজপুর জেলাকে আরও সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

  • রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় টাঙ্গন নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন,পরিবেশ ও জনপদের জন্য বাড়তে থাকা হুমকি।

    রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় টাঙ্গন নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন,পরিবেশ ও জনপদের জন্য বাড়তে থাকা হুমকি।

    সাকিব আহসান

    প্রতিনিধি,পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও

     

    ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা-এর কোষারাণীগঞ্জ ইউনিয়নে টাঙ্গন নদীর নির্ধারিত সীমানার বাইরে থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এক ইজারাদারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (১১ মে) দুপুরে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন এন. এম. ইশফাকুল কবীর। অভিযানে সংশ্লিষ্ট ইজারাদার মোশারফের বিরুদ্ধে ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ (সংশোধিত ২০১১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই টাঙ্গন নদীর নির্ধারিত বালু মহালের বাইরে বিভিন্ন স্থানে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন চলছিল। এতে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তনের পাশাপাশি আশপাশের কৃষিজমি, বসতবাড়ি ও পরিবেশ ঝুঁকির মুখে পড়ে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুম ঘনিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে এমন কর্মকাণ্ড নদীভাঙনের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে তোলে।

    স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, রাতের অন্ধকার কিংবা ভোরবেলা ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে নদী থেকে বালু উত্তোলন করা হতো। ভারী যানবাহনের চলাচলে গ্রামের সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি ফসলি জমির মাটির গঠনও নষ্ট হচ্ছে। অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, অব্যাহতভাবে নদীর গভীরতা ও তীরের ভারসাম্য নষ্ট হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।

    প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত ইজারার বাইরে গিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ পেয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় প্রশাসনের উপস্থিতি দেখে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। তারা আশা করছেন, এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে অবৈধ বালু উত্তোলন অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন শুধু পরিবেশের ক্ষতিই করে না, এটি একটি অঞ্চলের সামগ্রিক ভূ-প্রকৃতি ও জনজীবনের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। নদীর তলদেশ অতিরিক্ত গভীর হয়ে গেলে সেতু, কালভার্ট ও তীররক্ষা বাঁধ ঝুঁকির মুখে পড়ে। একইসঙ্গে নদীভাঙনের কারণে বহু পরিবার বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়।

    বাংলাদেশে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে নানা সময় দুর্ঘটনা, পরিবেশ ধ্বংস ও সরকারি সম্পদ ক্ষতির ঘটনা সামনে এসেছে। এ কারণে সরকার ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন’ প্রণয়ন করে নির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় বালু উত্তোলনের নির্দেশনা দিয়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে অসাধু চক্র কিংবা প্রভাবশালী মহলের কারণে সেই আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হয়।

    এ অবস্থায় সচেতন মহল মনে করছে, শুধু জরিমানা করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। প্রয়োজন নিয়মিত মনিটরিং, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা এবং পরিবেশগত ঝুঁকি বিবেচনায় কঠোর প্রশাসনিক নজরদারি। পাশাপাশি নদী ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় স্থানীয় জনগণকেও আরও সচেতন হতে হবে।

    টাঙ্গন নদী শুধু একটি নদী নয়; এটি উত্তরাঞ্চলের বহু মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি ও পরিবেশের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই স্বল্পমেয়াদি আর্থিক লাভের জন্য নদীর স্বাভাবিক অস্তিত্ব বিপন্ন করা হলে তার ক্ষতিকর প্রভাব বহন করতে হবে পুরো জনপদকেই।