Blog

  • ফুলবাড়ীতে অচেতন অবস্থায় ৬ ব্যক্তি উদ্ধার, চেতনানাশক চক্রের খপ্পরে পড়ার আশঙ্কা

    ফুলবাড়ীতে অচেতন অবস্থায় ৬ ব্যক্তি উদ্ধার, চেতনানাশক চক্রের খপ্পরে পড়ার আশঙ্কা

    মোঃ জিয়াউর রহমান

    বিভাগীয় সম্পাদক রংপুর
    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি

    দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় অচেতন অবস্থায় ৬ জন ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১৩ মে ২০২৬) ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে ফুলবাড়ী বাসস্ট্যান্ডের পাশে সড়ক ও জনপদ বিভাগের বাংলোর সামনে একটি ট্রাক থেকে তাদের নামিয়ে দেওয়া হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
    প্রাথমিকভাবে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা সবাই দিনাজপুর সদর এলাকার বাসিন্দা। তারা কাজের সন্ধানে ঢাকা বা দেশের অন্য কোনো এলাকায় গিয়েছিলেন। ফেরার পথে একটি প্রতারক চক্র তাদের খেজুরের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে সর্বস্ব লুটে নেয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
    স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা ব্যক্তিরা ঠিকভাবে কথা বলতে পারছিলেন না। এমনকি অনেকের দাঁড়িয়ে থাকার মতো শারীরিক অবস্থাও ছিল না। পরে এলাকাবাসী বিষয়টি বুঝতে পেরে তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেয়।
    বর্তমানে ভুক্তভোগীদের পরিচয় শনাক্ত ও তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বাসযাত্রী ও শ্রমজীবী মানুষকে অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া খাবার গ্রহণে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।

  • মিঠাপুকুরে ফ্লাইওভারের নিচে নারীসহ ৩৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার

    মিঠাপুকুরে ফ্লাইওভারের নিচে নারীসহ ৩৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার

    মোঃ জিয়াউর রহমান

    বিভাগীয় সম্পাদক রংপুর
    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি

    রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ফ্লাইওভারের নিচ এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করা এক নারীকে আটক করে স্থানীয় এলাকাবাসী। পরে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ৩৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।
    বুধবার (১৩ মে) সকাল প্রায় ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই নারীকে আচরণে সন্দেহ হলে এলাকাবাসী তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে ফেনসিডিলের বোতলগুলো পাওয়া যায়।
    পরে বিষয়টি মিঠাপুকুর থানা পুলিশকে জানানো হলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে ফেনসিডিল জব্দ করে এবং আটক নারীকে হেফাজতে নেয়।
    পুলিশ জানায়, আটক নারীর নাম তামান্না আক্তার। তার বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
    স্থানীয়দের দাবি, মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হলে এলাকায় মাদক চোরাচালান ও বিক্রি অনেকাংশে কমে আসবে।

  • ভোলাহাটে গ্রামপুলিশ নজরুল অবসরে! ওসি দিলেন সম্বর্ধনা!

    ভোলাহাটে গ্রামপুলিশ নজরুল অবসরে! ওসি দিলেন সম্বর্ধনা!

    এম. এস. আই শরীফ, ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড চরধরমপুর গ্রামের মৃত পোরা শেখের ছেলে মোঃ নজরুল ইসলামকে দীর্ঘ ৩০ বছর গ্রামপুলিশের চাকরী করে মঙ্গলবার (১২ মে ২০২৬) দুপুরের দিকে ওসির কার্যালয়ে তার বিদায় জনিত অবসরে যাওয়ায় সম্বর্ধনা প্রদান করেন।

    এ প্রথম কোন গ্রামপুলিশ অবসরে গেলে তাকে অবসরে যাবার মূহুর্তগুলিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল বারিক। তিনি দুপুরে ভোলাহাট সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ মোঃ নজরুল ইসলাম (৬৭) কে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করে নেন। পরে আপ্যায়ণের মাধ্যমে কিছু উপহার সামগ্রী তুলে দেন।

    মোঃ নজরুল ইসলাম উপজেলার চরধরমপুর গ্রামের মৃত পোরা শেখের ছেলে। তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে চাকরি শেষে অবসর গ্রহণ করায় ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল বারিক থানার অফিসে গ্রামপুলিশের অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। দীর্ঘ ৩০ বছর ইউনিয়ন পরিষদের সেবা ও পুলিশের পাশাপাশি থেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করার জনগণকে সেবা দেয়ায় তাহার সম্মানার্থে জায়নামাজ, টুপি, তোসবি ও আতর তাহার হাতে তুলে দিয়ে বিদায় সংবর্ধনা জানান।

    এ সময় ভোলাহাট থানায় কর্মরত অন্যান্য এসআই ও পুলিশ এবং গ্রামপুলিশের ৪টি ইউনিয়নের দাফাদারসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এম. এস. আই শরীফ,
    ১২.০৫.২০২৬ ইং

  • নবীনগরে র‍্যাবের উপর হামলা-কান ধরানোর ঘটনায় নারীসহ ৫জন গ্রেফতার

    নবীনগরে র‍্যাবের উপর হামলা-কান ধরানোর ঘটনায় নারীসহ ৫জন গ্রেফতার

    সঞ্জয় শীল, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি :

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের রতনপুর ইউনিয়নের খাগাতোয়া বাইল্লা পাড়ায় গত সোমবার (১১ মে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ) দুপুরে র‌্যাবের ৪ সদস্যের উপর হামলা ও কান ধরানোর ঘটনায় ১ জন নারীসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ) সকালে র‌্যাবের অভিযানে তাদেরকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়েছে।
    গ্রেফতারকৃত হলেন খাগাতোয়া গ্রামের মরহুম গোলাম ওয়াহেদের ছেলে আব্দুল কাদির (৬২), নয়ন মিয়ার ছেলে মো: রাহিম আহমেদ (২০), মুসলেম মিয়ার ছেলে আব্দুর রহমান ওরফে অপু মিয়া (১৯), হুমায়ুন কবিরের ছেলে নুর আলম ওরফে নুরনবী (১৯) ও জামাল মিয়ার স্ত্রী ছানোয়ারা বেগমকে (৪৮) বলে জানা গেছে।
    মঙ্গলবার (১২ মে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের দক্ষিণ পৈরতলায় র‍্যাব-৯-এর ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানির সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
    এও জানা যায়, র‌্যাবের ৪ জন সদস্য তথ্য সংগ্রহকালে জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় যাওয়ায় সময় তাদের উপর হামলা করে। পরে হামলাকারিদের কাছে থেকে ১ জন র‌্যাব সদস্য পালিয়ে গেলেও আটক বাকি ৩ জনকে পরে উদ্ধার করে স্থানিয় উপজেলা স্ব্যাস্থ কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছিলো। এরই প্রেক্ষিতে হামলাকারিদের ধরতে র‌্যাবের অভিযানে ১ জন নারীসহ ৪ জন পুরুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

  • জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে-২০২৬ কর্মীসভা অনুষ্ঠিত-

    জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে-২০২৬ কর্মীসভা অনুষ্ঠিত-

    মোঃ আহসান হাবীব সুমন জেলা প্রতিনিধি:

     

    জামালপুর সদর উপজেলায়

    মঙ্গলবার (১২ মে) জামালপুর পৌরসভা সংলগ্ন শহীদ সাফওয়ান সদ্য অডিটরিয়ামে আয়োজিত এ কর্মীসভা নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।

     

    উক্ত কর্মীসভায় সভাপতিত্ব করেন জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সফিউর রহমান শফি, অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন মিলন। সভায় অথীতি হিসেবে আরো বক্তব্য দেন শহর বিএনপির সভাপতি মোঃ লিয়াকত আলী, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহ-আব্দুল্লাহ আল মাসুদ,জামালপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম সজীব, সিনিয়র যুগ্ম-সাধাণ সম্পাদক মোঃ খন্দকার আহসুসজামান রুমেল,সহসভাপতি মোঃ লুকমান আহমেদ খান লুটন প্রমুখ।

     

    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামালপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

     

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদী আদর্শকে একটি সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তিনি দেশের মানুষের আত্মনির্ভরশীলতা, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি ও বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছেন।

    তিনি আরও বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্র রক্ষা ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে দেশের মানুষের হৃদয়ে এক অনন্য ও অবিস্মরণীয় স্থান করে নিয়েছেন।

     

    জাজামালপুর সদর এমপির বক্তব্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন, জনগণের কল্যাণ এবং আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনে তারেক রহমান সময়োপযোগী ও গণমুখী বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

     

    এই সংসদ সদস্য নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সকল প্রতিকূলতা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি জামালপুর সদর উপজেলাকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব এলাকায় পরিণত করতে বিএনপির সকল স্তরের নেতাকর্মীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

     

    কর্মীসভায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে পুরো মিলনায়তন ও আশপাশের এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। সভা শেষে দলীয় ঐক্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জামালপুরের সার্বিক উন্নয়ন কামনা করে কর্মী সমাবেসের সভাপতির বক্তব্যবে মধ্যে সভা সমাপ্তি ও উপস্থিত নেতাকর্মীদের মাঝে রাতের খাবার পরিবেশন মধ্যে দিয়ে সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

  • ঠাকূরগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস উদযাপন

    ঠাকূরগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস উদযাপন

    মোঃ আরফান আলী :

     

    নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঠাকূরগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস পালিত হয়।

     

    মঙ্গলবার ১২মে দিবসটি পালনে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

     

    “আমাদের নার্স, আমাদের ভবিষ্যৎ-জীবন রক্ষায় প্রয়োজন, নার্সদের ক্ষমতায়ণ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিবসটি পালনে সকাল থেকেই বিভিন্ন নার্সিং, ম্যাটস ও মিডওয়াইফারী ইনস্টিটিউটদের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রা নিজস্ব ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে কিছুক্ষণ অবস্থান নেয়। পরে নিজ নিজ ক্যাম্পাসে গিয়ে শেষ হয়। এর মধ্যে শহরের এস,কে নার্সিং কলেজের আয়োজনে কলেজের সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য দেন কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন্নাহার, চিকিৎসক মজিদা মুসফিকা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইন্সট্রাক্টর লাবু হোসেন, রোকসানা রিমু, ইশিতা নাজনিন প্রমুখ।

     

    একই সাথে শহরের হাজীপাড়ার দি নর্থ বেঙ্গল নার্সিং ইনস্টিটিউট, হলপাড়ার মনোয়ারা নার্সিং, ম্যাটস কলেজ, হাজীপাড়ার হলি স্পিরিট নার্সিং ও মিডওয়াইফারী ইনস্টিটিউটসহ বেশ কিছু নার্সিং ও ম্যাটস কলেজের পক্ষ থেকে দিবসটি পালনে বিভিন্ন কর্মসূচী পালনের খবর পাওয়া যায়।

     

    র‌্যালি ও আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারী নার্সদের হাতে বিভিন্ন প্লাকার্ডে নানান স্লোগান যেমন, “নার্স আছে যেথায়, ভরসা আছে সেথায়”, “অসুস্থ প্রাণে নতুন আশা, নার্সিদের সেবায় ভালোবাসা”, “নার্স আছে সাথে, সাহস আসে হাতে”, “রোগীর মুখে হাসি ফোটাতে, নার্সরা আছে দিনে রাতে”, “মনবতার সেবার টানে, নার্স এগিয়ে সব খানে”, এ জাতীয় স্লোগানের ব্যানার ফেসটুন লক্ষ্য করা যায়। এছাড়াও নার্সিং কলেজগুলোতে দিবসটি পালনে বিকেলে মনোজ্ঞ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

  • অবৈধ বালু উত্তোলনের পাইপলাইন ধ্বংস, পরিবেশ সুরক্ষায় কঠোর বার্তা প্রশাসনের

    অবৈধ বালু উত্তোলনের পাইপলাইন ধ্বংস, পরিবেশ সুরক্ষায় কঠোর বার্তা প্রশাসনের

    মোঃ জিয়াউর রহমান

    বিভাগীয় সম্পাদক রংপুর
    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি

    রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার রহমতপুর এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১২ মে) পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আশিক জামান।
    অভিযান চলাকালে ঘাঘট নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত পাইপলাইনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ধ্বংস করা হয়। প্রশাসনের এ পদক্ষেপে স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে।
    উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি অসাধু চক্র নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও কৃষিজমির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে এসব অবৈধ সরঞ্জাম অপসারণ ও ধ্বংস করে।
    এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে। তারা বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলে নদী রক্ষা ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে।
    প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সবাইকে আইন মেনে চলা এবং প্রকৃতি রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • রাজবাড়ীর পাংশায় শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হাসপাতালে ছাত্র, অবরুদ্ধ শিক্ষক

    রাজবাড়ীর পাংশায় শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হাসপাতালে ছাত্র, অবরুদ্ধ শিক্ষক

    মোঃ মেহেদী হাসান বিশ্বাস। পাংশা,রাজবাড়ী প্রতিনিধি:

     

     

    রাজবাড়ীর পাংশায় পড়া না পারার অভিযোগে মো. তাছিন মুন্সী (১৩) নামে এক শিক্ষার্থীকে বেধড়ক বেত্রাঘাত করেছেন এক শিক্ষক। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আহাদ হোসেনকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন স্থানীয়রা।

     

    মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থী বর্তমানে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    আহত শিক্ষার্থী মো. তাছিন মুন্সী মৌরাট ইউনিয়নের মালঞ্চি এলাকার মো. সবুজ মুন্সীর ছেলে। তিনি বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

     

    অন্যদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আহাদ হোসেন কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের খরখরিয়া গ্রামের বাসিন্দা আহম্মদ আলী খানের ছেলে। তিনি বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান শিক্ষক।

     

    বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রথম ক্লাস চলাকালে অভিযুক্ত শিক্ষক পড়া না পারার কারণে তাছিনকে প্রথমে ১০ থেকে ১৫টি বেত্রাঘাত করেন। পরে তাকে শ্রেণিকক্ষের মেঝেতে ফেলে অমানবিকভাবে লাথি মারেন। এ সময় সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে।

     

    ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসী বিদ্যালয়ে জড়ো হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রধান শিক্ষক অভিযুক্ত শিক্ষককে নিরাপত্তার স্বার্থে বিদ্যালয়ের লাইব্রেরি কক্ষে আটকে রাখেন।

     

    আহত শিক্ষার্থীর সহপাঠী মো. সিয়াম মিয়া বলেন, “স্যার আমাদের পড়া না পারলে দুইটা করে বেত মারেন। কিন্তু তাছিনকে বেশি মারেন। তাছিন তখন বলে, ‘ওদের থেকে আমাকে বেশি মারলেন কেন?’ এরপর স্যার তাকে বেঞ্চের ওপর দাঁড় করিয়ে মারতে থাকেন। পরে মেঝেতে ফেলে লাথিও মারেন। আমরা বাধা দিতে গেলে আমাদেরও মারেন।”

     

    অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আহাদ হোসেন বলেন, “পড়া না পারার কারণে প্রথমে তাছিনকে মারি। পরে সে আমার মাকে নিয়ে গালাগাল করলে আমি মেজাজ হারিয়ে ফেলি। তবে বুঝতে পারিনি এমন পরিস্থিতি হবে। আমি অনুতপ্ত। আমার ভুল হয়েছে।”

     

    আহত শিক্ষার্থীর বাবা মুন্সী জাহিদুল ইসলাম সবুজ বলেন, “খবর পেয়ে এসে দেখি আমার ছেলের পিঠে একাধিক বেত্রাঘাতের দাগ। কয়েকটি স্থান থেকে রক্ত বের হচ্ছিল। ছেলেকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে চিকিৎসার জন্য। আমি জানতে চাই, আমার ছেলের অপরাধ কি এত বড় ছিল যে তাকে এভাবে মারতে হবে?”

     

    মৌরাট ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য মো. শাজাহান মণ্ডল বলেন, “খবর পেয়েই বিদ্যালয়ে যাই। আপাতত পরিস্থিতি শান্ত রাখতে সবাইকে চলে যেতে বলা হয়েছে। যেহেতু প্রধান শিক্ষক অভিযুক্ত শিক্ষককে শোকজ করেছেন, তাই সবাইকে কিছু সময় অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে শিক্ষককে বাড়িতে চলে যেতে বলা হয়েছে।”

     

    এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল খালেক বলেন,“যে কারণেই হোক, একজন শিক্ষকের এভাবে শিক্ষার্থীকে মারধর করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তাকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সময় তিনি বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন।”

  • পাইকগাছা-কয়রা সড়ক এখন মানুষ চলাচলের ভয়াবহ মরণ ফাঁদে পরিণত 

    পাইকগাছা-কয়রা সড়ক এখন মানুষ চলাচলের ভয়াবহ মরণ ফাঁদে পরিণত 

    ‎এফ,এম,এ রাজ্জাক, পাইকগাছা (খুলনা)

    ‎খুলনার পাইকগাছা পৌর সদরের জিরো পয়েন্ট থেকে কয়রা সড়কের ব্যস্ততম অংশ এখন যেন এক ভয়াবহ – মৃত্যুফাঁদ। সড়কের ওপর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা পাথরের খোয়া, স্তূপ করে রাখা ইট-বালু আর রাস্তার একাংশ – দখল করে রাখা যানবাহনের কারণে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে হাজারো মানুষ। একটু অসাবধানতা, সামান্য ব্রেক কিংবা এক মুহূর্তের ভারসাম্য হারালেই ঘটে যেতে পারে ভয়াবহ প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। অথচ এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতি দিনের পর দিন চললেও যেন দেখার কেউ নেই। সরেজমিনে দেখা যায়, শিববাটি মৌজায় নির্মাণাধীন প্রধান – নতুন পৌর ভবনের পাশে পাইকগাছা-কয়রা সড়কের ধারে সড়ক উন্নয়ন কাজের পাথর ফেলে রাখা হয়েছে। সেই পাথরের বড় অংশ সড়কের ওপর ছড়িয়ে পড়ে রাস্তার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দখল করে রেখেছে। ফলে যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল আরোহীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। পাথরের খোয়ার উপর চাকা পিছলে যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। শুধু তাই নয়, সড়কের বিভিন্ন অংশে বাড়ি নির্মাণের জন্যইট, বালু ও পাথর ফেলে রাখায় রাস্তা আরও সংকুচিত হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের ওপর বাস দাঁড় করিয়ে রাখার কারণে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট ও বিশৃঙ্খলা। জিরো পয়েন্ট থেকে শিববাটি ব্রিজ পর্যন্ত পুরো এলাকায় যেন অব্যবস্থাপনার নগ্ন চিত্র। স্থানীয় ব্যবসায়ী মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “এটা এখন আর রাস্তা নেই, মানুষের জন্য মরণফাঁদ হয়ে গেছে। প্রতিদিন ছোট ছোট দুর্ঘটনা ঘটছে। বড় দুর্ঘটনা ঘটলে তখন হয়তো সবাই নড়েচড়ে বসবে। “কলেজ শিক্ষার্থী সুমাইয়া খাতুন বলেন, “প্রতিদিন কলেজে যেতে ভয় লাগে। মোটরসাইকেল বা ইজিবাইক একটু স্লিপ করলেই মানুষ পড়ে যাচ্ছে। রাতে অবস্থা আরও ভয়াবহ হয়ে যায়। “মোটরসাইকেল চালক রবিউল ইসলাম রনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রাস্তার উপর পাথর ছড়িয়ে আছে, আবার বাসও দাঁড়িয়ে থাকে। সামনে বড় গাড়ি এলে সাইড দিতে গিয়ে প্রাণ হাতে নিয়ে চলতে হয়। প্রশাসন কিবড় দুর্ঘটনার অপেক্ষা করছে?”ইজিবাইক চালক শফিকুল গাজী বলেন, “রাস্তার জায়গা এত কমে গেছে যে দুইটা গাড়ি ঠিকমতো পাশ কাটাতে পারে না। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটবে। “স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কার সিদ্দিকী বলেন, “এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কয়রা অঞ্চলের শত শত তরমুজবাহী ট্রাক দেশের বিভিন্ন স্থানে যায়। সন্ধ্যার পর ভারী যানবাহনের চাপ বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এমন ব্যস্ত সড়কে পাথর-বালু ফেলে রাখা চরম দায়িত্বহীনতা। “এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের ওপর নির্মাণসামগ্রী পড়ে থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। তাদের প্রশ্ন-প্রাণহানি ঘটার পরই কি কেবল প্রশাসনের টনক নড়বে? সচেতন নাগরিকরা বলছেন, ব্যস্ততম এই সড়কে সামান্য অবহেলাও কেড়ে নিতে পারে বহু নিরীহ মানুষের প্রাণ। তাই দ্রুত সড়ক থেকে ইট, বালু ও পাথর অপসারণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

  • নবাবের পেছনে দৈনিক ৭শ’ টাকা ব্যয়, খায় ১৫ কেজি খাবার

    নবাবের পেছনে দৈনিক ৭শ’ টাকা ব্যয়, খায় ১৫ কেজি খাবার

    বদিউজ্জামান রাজাবাবু

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

     

    আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে একটি বিশালাকৃতির গরু।

     

    ‘নবাব’ নামের এই গরুটি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন স্থানীয় নানা বয়সী মানুষ।

     

    খামারি আক্তার হোসেনের খামারে বেড়ে ওঠা হলিস্ট্রিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের এই গরুটি সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা হয়েছে। প্রায় তিন বছর ধরে যত্নে বড় করা গরুটির আনুমানিক ওজন প্রায় ২৫ মণ বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহানন্দা নদীর তীরবর্তী এলাকায় গড়ে ওঠা খামারটিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঈদকে সামনে রেখে গরুটির পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি ও তার পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের সদস্যের মতোই যত্নে রাখা হচ্ছে ‘নবাব’কে।

     

    খামারি সূত্রে জানা যায়, গরুটির প্রধান খাদ্য মহানন্দা নদীর চরে উৎপাদিত টাটকা কাঁচা ঘাস। এছাড়াও প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ কেজি দানাদার খাবার হিসেবে গম, ভুট্টা, ছোলা ও ভুষি খাওয়ানো হয়। গরুটির পেছনে দৈনিক প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা ব্যয় হচ্ছে।

     

    স্থানীয় বাসিন্দা আলী হোসেন বলেন, “নবাব ছোট থেকেই তাদের খামারে বড় হয়েছে। খুব যত্ন করে তাকে লালন-পালন করা হয়েছে। প্রতিদিন প্রচুর খাবার দিতে হয়।

     

    আরেক বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, “তিন বছর ধরে গরুটিকে দেখছি। এটি খুব শান্ত স্বভাবের গরু। ছোট শিশুও সহজে ধরে নিয়ে যেতে পারবে।”

     

    খামারি আক্তার হোসেন জানান, “গরুটির বয়স প্রায় তিন বছর। ছোট থেকেই নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করেছি। প্রতিদিন এর পেছনে যে খরচ হয়, তা দিয়ে একটি পরিবারের সংসার চলতে পারে। গরুটির দাম প্রায় ৮ লাখ টাকা আশা করছি।

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শারমিন আক্তার বলেন, জেলার চাহিদার তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। তিনি জানান, উন্নত জাতের গরু পালনে খামারিরা এখন আরও আগ্রহী হচ্ছেন এবং ‘নবাব’ সেই আগ্রহেরই একটি উদাহরণ।