Blog

  • ঠাকুরগাঁওয়ে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে   ভার্মি কম্পোস্ট সেপারেটর মেশিন বিতরণ

    ঠাকুরগাঁওয়ে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে  ভার্মি কম্পোস্ট সেপারেটর মেশিন বিতরণ

    রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা

    কৃষিতে স্বনির্ভর উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষিকে আরো সমৃদ্ধ করতে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ভার্মি কম্পোস্ট (কেঁচো সার) সেপারেটর মেশিন বিতরন করা হয়েছে।

    দিনাজপুর অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায়

     

    সোমবার দুপুরে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে কৃষকদের হাতে এসব মেশিন তুলে দেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ নাসিরুল আলম। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সঙ্গী সরকার শান্তা, ইউনিয়ন কৃষি কর্মকর্তাগন ও উপকারভোগী কৃষকরা সহ অন্যান্যরা।

     

    সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ নাসিরুল আলম বলেন, ঠাকুরগাঁও কৃষি সমৃদ্ধ হওয়ায় সারা বছরই জমিগুলো চাষাবাদ হয়ে থাকে। যেহেতু আমাদের এখানকার জমি উচু তাই প্রায় কোন জমিই পড়ে থাকেনা। ফলে মাটির জৈব গুন দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। তাই মাটির গুনাগুন রক্ষায় কম্পোস্ট সার উৎপাদনের উদ্দোক্তা তৈরি হরা হচ্ছে এবং উদ্দোক্তাদের সহযোগিতার লক্ষে এসব কম্পোস্ট সেপারেটর মেশিন প্রদান করা হচ্ছে ও পর্যায়ক্রমে আগামীতেও প্রদান করা হবে।

     

    উল্লেখ্য, কৃষি উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ১০ টি ভার্মি কম্পোস্ট সেপারেটর মেশিন বিতরন করা হয়েছে। যার প্রতিটির বাজার মুল্য প্রায় ৩৫ হাজার টাকা করে। এছাড়াও নারী পুরুষ মিলিয়ে জেলায় ৭০ জন ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনকারী কৃষক ও উদ্দোক্তা রয়েছে।

     

  • ভাঙ্গুড়ার জহুরা খাতুন পেলেন আজাদ প্রোডাক্টসের “রত্নগর্ভা মা অ্যাওয়ার্ড”

    ভাঙ্গুড়ার জহুরা খাতুন পেলেন আজাদ প্রোডাক্টসের “রত্নগর্ভা মা অ্যাওয়ার্ড”

    মো. মেহেদী হাসান

    ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

    পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার গর্ব মিসেস জহুরা খাতুন আজাদ প্রোডাক্টস আয়োজিত “রত্নগর্ভা মা অ্যাওয়ার্ড” লাভ করেছেন। সন্তানদের সুশিক্ষিত, আদর্শবান ও প্রতিষ্ঠিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলে সমাজে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় তাকে এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে।

    জহুরা খাতুন ভাঙ্গুড়া উপজেলার সরকারি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন আরবি শিক্ষক মরহুম তজিমউদ্দিন মাওলানার সহধর্মিণী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি একটি সুশিক্ষিত, আদর্শ ও মানবিক পরিবার গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। তার তিন সন্তানই উচ্চশিক্ষিত এবং নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে সফলভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এলাকায় তিনি একজন গর্বিত ও অনুকরণীয় মা হিসেবে সুপরিচিত।

    সম্প্রতি আজাদ প্রোডাক্টস দেশব্যাপী “রত্নগর্ভা মা অ্যাওয়ার্ড” এর জন্য আবেদন আহ্বান করলে জহুরা খাতুনের পরিবারের পক্ষ থেকে মনোনয়ন পাঠানো হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে তাকে এ সম্মাননার জন্য নির্বাচিত করা হয়।

    জহুরা খাতুনের ছেলে আব্দুর রউফ জানান, আগামী ১১ মে সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে তার মায়ের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে। এ খবরে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয়রা জানান, জহুরা খাতুন একজন স্নেহময়ী, শিক্ষানুরাগী ও আদর্শ মা। তার সন্তানদের সাফল্যের পেছনে রয়েছে তার ত্যাগ, পরিশ্রম ও নৈতিক শিক্ষার অসামান্য অবদান। তাদের মতে, এই সম্মাননা শুধু জহুরা খাতুনের ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং পুরো ভাঙ্গুড়া উপজেলার জন্য গর্বের বিষয়।

  • বরগুনায় ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের মানববন্ধন

    বরগুনায় ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের মানববন্ধন

    মোঃ জাহিদুল ইসলাম

    ক্রাইম রিপোর্টার

     

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের আটকের প্রতিবাদে বরগুনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। একইসঙ্গে পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের দাবিও জানান ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা।

    সোমবার (১১ মে) সকালে বরগুনা প্রেসক্লাবের সামনে ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভস অ্যাসোসিয়েশন (ফারিয়া) বরগুনা জেলা শাখার আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    ‘অধিকার আদায়ে আমরা সবাই একসাথে’ স্লোগানে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চিকিৎসা প্রতিনিধিরা দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তারা চিকিৎসকদের কাছে আধুনিক ওষুধ ও চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য পৌঁছে দেন। অথচ বিভিন্ন সময় তাদের দালাল হিসেবে অপমান করা হয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

    ফারিয়ার সাধারণ সম্পাদক মো. ফোরকান মিয়া বলেন, “আমরা দেশের স্বাস্থ্যখাতে কাজ করি। ওষুধের ব্যবহার ও বিধিনিষেধ সম্পর্কে চিকিৎসকদের অবহিত করি। হাসপাতালের কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে আমাদের সম্পৃক্ততা নেই। তারপরও আমাদের দালাল বলা হয়।”

    তিনি আরও বলেন, ফার্মাসিউটিক্যালস খাত দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই এই খাতের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

    ফারিয়ার সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “চিকিৎসা প্রতিনিধিরা উচ্চশিক্ষিত পেশাজীবী। কিন্তু বারবার তাদের পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে। আমরা এর সুষ্ঠু সমাধান চাই।”

    এ সময় বরগুনা জেলার বিসিডিএস সভাপতি মো. সামসুল আলম (খোকন শরীফ) বলেন, “চিকিৎসা প্রতিনিধিরা কোনো দালাল নন। তারা আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের তথ্য চিকিৎসকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাই এ পেশার সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি জরুরি।”

    উল্লেখ্য, গত ৬ মে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালালবিরোধী অভিযান চালায় এনএসআই ও পুলিশ। অভিযানে দালাল সন্দেহে ১৯ জন ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভকে আটক করা হয়। অভিযোগ ছিল, তারা নির্ধারিত সময়ের বাইরে হাসপাতাল এলাকায় অবস্থান করছিলেন। পরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যাচাই-বাছাই শেষে তাদের ছেড়ে দেন। ওই ঘটনার প্রতিবাদেই বরগুনায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

  • হবিগঞ্জের বাহুবলে নাজমা আক্তার হত্যা বিচারের দাবিতে ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন

    হবিগঞ্জের বাহুবলে নাজমা আক্তার হত্যা বিচারের দাবিতে ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন

    স্টাফ রিপোর্টার

    হবিগঞ্জে নাজমা আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত নারীর ভাই মনি মিয়া গত ১০মে ২০২৬ ইং তারিখে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযোগ করেছেন, তার বোন নাজমা আক্তার হত্যাকাণ্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পরিকল্পিতভাবে প্রকৃত আসামিদের আড়াল করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, “হত্যাকাণ্ড নিরাপদ করতে ভিকটিমের আপন ভাইকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দিয়ে আব্দুল গণি কৌশলে জেলে পাঠিয়ে দেন।”

     

    লিখিত বক্তব্যে মনি মিয়া জানান, তার বোন হত্যার সঠিক বিচারের দাবিতে গত ৮ মার্চ তিনি হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় নিহতের সতীন সিতারা বেগম, তার ভাই আব্দুল গণি, চন্দু মিয়া, তাদের পিতা কন্ঠুই মিয়াসহ মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়। বর্তমানে মামলাটি শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

     

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার বোন মারা যাওয়ার প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিন আগে আসামিদের কয়েকজন মিলে কটিয়াদী বাজারে তার বোনের দেবর তোরাব আলীকে মারধর করে। এ ঘটনায় পরবর্তীতে নিহত নাজমা আক্তার তাকে জানিয়েছিলেন যে, আব্দুল গণি তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে। এমনকি তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

     

    মনি মিয়া আরও বলেন, পরবর্তীতে নানা প্রলোভন ও চাপে তার বোনকে সতীন সিতারা, গণি মিয়া ও কন্ঠুই মিয়ার সঙ্গে জড়িয়ে নানা অপপ্রচার চালানো হয়। অথচ জমিজমা সংক্রান্ত কোনো বিরোধ ছিল না বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি ছিল না; যা ছিল তা ছিল পৈত্রিক সম্পত্তি।

     

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, তার বোন হত্যার পেছনে বড় ধরনের স্বার্থ জড়িত ছিল। তিনি বলেন, “আমার বোনকে হত্যার মাধ্যমে একটি পক্ষ নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করেছে। একদিকে সতীনকে মুক্ত রাখা, অন্যদিকে আমার প্রবাসী বোন তাজমা আক্তারের টাকা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যও থাকতে পারে।”

     

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করতে পরিকল্পিতভাবে তদন্তকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এ সময় তিনি প্রশাসনের প্রতি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান এবং প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।

     

    সংবাদ সম্মেলনে মনি মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি নিরীহ মানুষ। আমাদের পিতা-মাতা কেউ জীবিত নেই। দুই বোনের মধ্যে একজনকে হারিয়ে আমি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছি। আমার বোন নাজমা আক্তারের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।”

     

    তিনি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানান এবং প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

  • অটোরিকশা চালক নিহত নাঈম ইসলামের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করলেন জামায়াত নেতা ড. আব্দুস সামাদ

    অটোরিকশা চালক নিহত নাঈম ইসলামের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করলেন জামায়াত নেতা ড. আব্দুস সামাদ

    ফারুক আহমেদ, সিরাজগঞ্জ:

     

     

    গত শনিবার রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য গণমানুষের প্রাণের নেতা প্রফেসর শায়েখ মাওলানা আলহাজ্ব মোহাম্মদ ড. আব্দুস সামাদ মালতী নগর গ্রামের সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত দিন মজুর ও অসহায় অটোরিকশা চালক নাঈম ইসলামের বাড়িতে গিয়ে তার চার বছরের এতিম বাচ্চার খোঁজ খবর নেন এবং তার হাতে নগদ কিছু টাকা তুলে দেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন, তাড়াশ মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক ও ৩নং ধুবিল ইউনিয়ন সভাপতি ড. মোঃ জহুরুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাওলানা মুহাম্মদ নুরুল্লাহ সিরাজী, প্রচার সম্পাদক ডা আক্তার হোসেন, অফিস সম্পাদক আবুল কাশেম এবং ওয়ার্ড সভাপতি মাওলানা ইব্রাহিম হোসেন সহ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যয়ের নেতৃবৃন্দের ও স্থানীয় লোকজন।জামায়াতে নেতা প্রফেসর শায়েখ ড. আব্দুস সামাদ শোকাহত পরিবারকে মহান আল্লাহর দরবারে বিচার প্রার্থনা সহ ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান, সেই সাথে ন্যায় বিচারের সার্থে তিনি সরকারের কাছে খুনিদেরকে গ্রফতার করে জোরালো ভাবে বিচারের দাবি করেন। এইসময়ে নিহতের মা বলেন, আমার মত আর কোন মায়ের কোল যেন খালি না হয়। ” এসময় তিনি আবেগে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। নিহতের স্ত্রী খাদিজা বলেন, আমার সন্তানের মত আর কোন সন্তান যেন এতিম না হয়”এই আকুতি জানিয়ে স্বামী হত্যার বিচার চায় তিনি।

    পরিকল্পিত ভাবে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্য দুবৃত্তরা নাঈকে হত্যা করে রায়গঞ্জ উপজেলার নিমগাছি খৈচালা বিল এলাকা থেকে তার গলাকাটা লাশ গত বুধবার সকালে উদ্ধারের পর থেকে এখনো এলাকাজুড়ে থমথমে ভাব বিরাজ করছে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিতির দাবিতে সাধারণ মানুষদেরতীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

  • খেলার মাঠ উন্মুক্ত ও অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান

    খেলার মাঠ উন্মুক্ত ও অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান

    গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি:

     

    রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মনিরাম দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা এবং বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন শিক্ষার্থীরা।

     

    সোমবার (১১ মে) দুপুর ১২টায় রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় যুবসমাজ অংশগ্রহণ করেন।

     

    মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ের একমাত্র খেলার মাঠে গাছ রোপণ করায় দীর্ঘদিন ধরে খেলাধুলা বন্ধ রয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

     

    নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আবির হোসেন বলেন, “আমাদের স্কুলের একমাত্র খেলার মাঠটি গাছ লাগানোর কারণে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে গেছে। আমরা নিয়মিত খেলাধুলা করতে পারছি না, যা আমাদের জন্য খুবই কষ্টদায়ক।”

     

    সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. মোকসেদুল ইসলাম বলেন, “শুধু মাঠের সমস্যা না, আমাদের পড়াশোনার পরিবেশও ভালো না। ক্লাসরুমে অনেক ফ্যান নষ্ট, গরমে ঠিকমতো ক্লাস করা যায় না। বিশুদ্ধ পানিরও সংকট রয়েছে।”

     

    একই শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহাদাৎ হোসেন অভিযোগ করেন, ভোকেশনাল শাখায় প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। ল্যাপটপ থাকলেও তা ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না, ফলে শেখার সুযোগ থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

     

    আরেক শিক্ষার্থী জানান, অনেক সময় ক্লাসে লেখার জন্য মার্কারও থাকে না, বাধ্য হয়ে নিজেদের টাকায় মার্কার কিনে ক্লাস করতে হয়।

     

    যুবসমাজের পক্ষে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ। তিনি বলেন, “এই মাঠটি শুধু স্কুলের নয়, আশপাশের কয়েকটি গ্রামের তরুণদের একমাত্র খেলার জায়গা। এটি বন্ধ থাকায় যুবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত মাঠটি উন্মুক্ত করা জরুরি।”

     

    শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ে ইংরেজি ক্লাস নিয়মিত হয় না, ভোকেশনাল শাখায় উপকরণের ঘাটতি রয়েছে, টয়লেট সংকট বিদ্যমান এবং পুরোনো টিনশেড ভবন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত সমাবেশ ও জাতীয় দিবসগুলো যথাযথভাবে পালন করা হয় না বলেও তারা দাবি করেন।

     

    কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন, “একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন অনিয়ম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। খেলার মাঠ শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার। দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।”

     

    মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। এতে দ্রুত খেলার মাঠ উন্মুক্ত করা, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক সমস্যা সমাধানের দাবি জানানো হয়।

     

    এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

     

    আন্দোলনকারীরা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান এবং প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।

  • মাগুরা শ্রীপুরে রাতারাতি সরকারি জমি দখল: সাচিলাপুরে ‘অলৌকিক’ ঘর নির্মাণ নিয়ে তোলপার 

    মাগুরা শ্রীপুরে রাতারাতি সরকারি জমি দখল: সাচিলাপুরে ‘অলৌকিক’ ঘর নির্মাণ নিয়ে তোলপার 

    মোঃ জুয়েল রানা ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি সমগ্র বাংলাদেশ

     

    মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সাচিলাপুর বাজারে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। বাজারের একটি পরিত্যক্ত জায়গায় রাতের অন্ধকারে হঠাৎ একটি ঘর নির্মিত হতে দেখে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সকালে স্থানীয়রা বাজারে এসে দেখেন, আগের দিন যেখানে ফাঁকা জায়গা ছিল, সেখানে এখন একটি টিনের ঘর দাঁড়িয়ে আছে।

     

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাচিলাপুর বাজারের একটি সরকারি পরিত্যক্ত জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো স্থাপনা ছিল না। কিন্তু গত দিবাগত গভীর রাতে একদল প্রভাবশালী ব্যক্তি অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে এসে রাতারাতি ঘরটি তৈরি করে ফেলে। সকালে বাজারের ব্যবসায়ীরা এসে এই দৃশ্য দেখে অবাক হয়ে যান। মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কেউ কেউ একে রসিকতা করে ‘অলৌকিক ঘটনা’ বললেও অধিকাংশের মতে, এটি পরিকল্পিত ভূমি দখলের একটি কৌশল।

     

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল বাজারের এই মূল্যবান জায়গাটি নিজেদের দখলে নিতেই রাতের আঁধারকে বেছে নিয়েছে। মূলত আইনি জটিলতা এড়াতে এবং প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতেই তারা এই কৌশলের আশ্রয় নেয়। পরিচয় গোপন রেখে কাজ করায় শুরুতে বিভ্রান্তি ছড়ালেও পরে স্থানীয়দের চাপে জড়িতদের নাম সামনে আসতে শুরু করে।

     

    সাচিলাপুর বাজারের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এভাবে সরকারি জমি দখল বাজারের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করছে। তারা দ্রুত এই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে জায়গাটি দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।

     

     

    বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, সরকারি জমি দখলের কোনো সুযোগ নেই। খুব দ্রুতই তদন্ত সাপেক্ষে অবৈধ এই স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

    জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

    মোঃ শহিদুল ইসলাম  নিজস্ব প্রতিবেদক

     

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার দল ঢাকা মহানগর উত্তরের নবগঠিত কমিটির উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য পরিচিতি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর উত্তরা এলাকায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

     

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী সাইবার দল কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক এম জে সৌরভ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ফাতেমা তুজ জোহরা মিতু। অনুষ্ঠানের শুরুতেই ঢাকা মহানগর উত্তর জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের সভাপতি মো: শাহজালাল প্রধান এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিকে বরণ করে নেন। এ সময় পুরো অনুষ্ঠানস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

     

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম জে সৌরভ বলেন, বর্তমান ডিজিটাল যুগে সাইবার প্ল্যাটফর্মে রাজনৈতিক ও সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি নবগঠিত কমিটির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং স

  • সাতক্ষীরা পশ্চিম সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে এক মৌয়াল আহত

    সাতক্ষীরা পশ্চিম সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে এক মৌয়াল আহত

    আল-হুদা মালী শ্যামনগর প্রতিনিধি:

     

    সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কাছিকাটা এলাকার পায়রাটুনি খালে মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বাঘের আক্রমণে বাবলু গাজী (৪৮) নামে এক মৌয়াল গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের মালেক গাজীর ছেলে।

     

    স্থানীয় সূত্র ও ফিরে আসা মৌয়ালদের কাছ থেকে জানা যায়, গতকাল রবিবার সকাল প্রায় ৮টার দিকে মাঝি ইউসুফ গাজীর নেতৃত্বে একদল মৌয়াল সুন্দরবনের পায়রাটুনি খাল এলাকায় মধু ভাঙতে যান। হঠাৎ একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার ঝোপের আড়াল থেকে এসে তার ওপর আক্রমণ চালায়।

     

    সঙ্গে থাকা অন্য মৌয়ালরা চিৎকার ও লাঠিসোটা নিয়ে এগিয়ে এলে বাঘটি সরে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় বাবলু গাজীকে উদ্ধার করে প্রথমে বনসংলগ্ন এলাকায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে দ্রুত সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

     

    আহতের পিতা মালেক গাজী বলেন, “আমরা একসাথে মধু ভাঙতে উঠেছিলাম। হঠাৎ বাঘ এসে আমার ছেলেকে আক্রমণ করে। আল্লাহর রহমতে সে এখনো জীবিত আছে।”

     

    আক্রান্ত বাবলু গাজীর স্বজনরা জানান, তার শরীরের কয়েকটা স্থানে গভীর ক্ষত রয়েছে। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

     

    ফিরে আসা মৌয়ালরা জানান, সুন্দরবনে মধু আহরণ করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। বাঘের আতঙ্ক নিয়েই জীবিকা নির্বাহ করেন তারা।

     

    এ বিষয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, সুন্দরবনে প্রবেশের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হলেও বাঘের আক্রমণের মতো দুর্ঘটনা মাঝে মধ্যেই ঘটে। আহত মৌয়ালের চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তারা।

  • নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা  ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন বিশ্বনাথ উপজেলা।

    নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন বিশ্বনাথ উপজেলা।

    বিশ্বনাথ প্রতিনিধি আফজাল মিয়া।

     

    ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’র অনূর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল টুর্ণামেন্টে সিলেটের জেলায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বিশ্বনাথ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দল। টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় সাথী রাণী দাশ স্মৃতির একমাত্র গোলে শক্তিশালী সিলেট সিটি কর্পোরেশন অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলকে পরাজিত করে শিরোপা জিতে নেয় বিশ্বনাথ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দল।

    তীব্র বৃষ্টির কারণে রোববার (১০ মে) নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘন্টা পর বিকেল ৫টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচটি ছিল টানটান উত্তেজনাপূর্ণ। ম্যাচের প্রথমার্ধের ৮মিনেটের সময় বিশ্বনাথের আক্রমণভাগের খেলোয়াড় সাথী রাণী দাশ স্মৃতি দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত স্মৃতির সেই একমাত্র গোলেই জয় নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ উপজেলা দল প্রথম বারের মতো আয়োজিত টুর্ণামেন্টে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়ে নারী ফুটবলে নতুন এক ইতিহাস রচনা করল।

    সিলেট জেলার ১৪টি দলের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পূর্বে বিশ্বনাথ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দল প্রথম রাউন্ডের খেলায় ৩-০ গোলের ব্যবধানে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলকে, কোয়াটার ফাইনালের খেলায় ২-০ গোলের ব্যবধানে কানাইঘাট উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলকে এবং সেমি ফাইনাল খেলায় বিয়ানীবাজার উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলকে পরাজিত করে।

    টুর্ণামেন্টে বিশ্বনাথ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলে হয়ে অংশ নেয়- রুপন্তী রানী দাস, ইমা আক্তার জেনিফা, রুবা আক্তার মুন্নি, মারিয়া জান্নাত, টুপুর রাণী দাস, সামিরা বেগম, মাহিয়া আক্তার ফারজানা, মুন্নী আক্তার মরিয়ম, জান্নাতুল ফেরদৌস মাহিয়া, সাথী রানী দাস স্মৃতি, ফাতেমা বেগম তমা, মাহদিয়া জান্নাত নাদিয়া, আমিনা জান্নাত মীম, সাজেদা ছইদ আয়েশা, মারজানা তাবাসসুম, সৈয়দা নাঈমা বেগম, প্রীতি রানী সুত্রধর। দলের কোচ হিসেবে ছিলেন মোহাম্মদ আলী হোসেন, ম্যানেজার হিসেবে ছিলেন মো. হাসানুজ্জামান মিলন, সহকারী ম্যানেজার হিসেবে ছিলেন ওয়াসিম উদ্দিন।

    এদিকে প্রথম বারের মতো আয়োজিত নতুন কুঁড়ি ফুটবল টুর্ণামেন্টে সিলেট জেলা পর্যায়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় বিশ্বনাথে বইছে আনন্দের বন্যা। খেলা শেষে নিজ উপজেলায় আসার পর চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়-কর্মকর্তা, অভিভাবক ও ক্রীড়াপ্রেমীদের অংশগ্রহনে বিশ্বনাথ পৌর শহরে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আনন্দ মিছিলটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে।

    ফাইনাল ম্যাচ শেষে বিশ্বনাথ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খান জানান বিশ্বনাথ উপজেলা দল থেকে ৫ জন খেলোয়াড় চূড়ান্তভাবে সিলেট জেলা একাদশে জায়গা পেয়েছে। তারা পরবর্তীতে বিভাগীয় পর্যায়ের খেলায় সিলেট জেলার প্রতিনিধিত্ব করবে।

    ফাইনাল ম্যাচ চলাকালে মাঠে উপস্থিত থেকে বিশ্বনাথ উপজেলা অনুর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল দলকে উৎসাহ-উদ্দিপনা দিয়েছেন বিশ্বনাথ পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান, সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনার পিএস ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মঈনুল হক, বিশ্বনাথ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমাদ উদ্দিন খান, উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, অলংকারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান লিটন, বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দয়াল উদ্দিন তালুকদার, উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান রিপন, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তজম্মুল আলী রাজু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, উপজেলা ছাত্রদল নেতা আব্দুল কাইয়ুম, ক্রীড়া সংগঠক দিলোয়ার হোসেন, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সদস্য সমুজ আহমদ সায়মন, মোস্তাক আহমদ মোস্তফা, বিশ্বনাথ সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য তৌফিকুর রহমান হাবিব, মোঃ আব্দুল্লাহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।