Blog

  • কাশিয়ানীতে রেস্টুরেন্টে নারীকে ধর্ষণ! কর্মচারীকে গ্রেফতার

    কাশিয়ানীতে রেস্টুরেন্টে নারীকে ধর্ষণ! কর্মচারীকে গ্রেফতার

    শেখ শোভন আহমেদ: গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে তিন সন্তানের জননী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে রেস্টুরেন্টের কর্মচারী রাকিব মোল্লাকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর পলাতক রয়েছে রেস্টুরেন্ট মালিক মজনু মোল্লা।

    গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার গোপালপুর কুটুম বাড়ি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার রাকিব মোল্লা উপজেলার পোনা গ্রামের হিরু মোল্লার ছেলে। আজ দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত রাকিব মোল্লা এবং ভুক্তভোগী নারী উভয়ই ‘কুটুমবাড়ি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রাকিব বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে অনৈতিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন। রাজি না হওয়ায় সুযোগ খুঁজতে থাকেন। একপর্যায় গত ১৪ মার্চ রুম পরিষ্কার করার কথা বলে কৌশলে তাকে হোটেলের একটি নির্জন কক্ষে ডেকে নিয়ে যান রাকিব। সেখানে হোটেলের মালিক মজনু মোল্যার সহযোগিতায় রাকিব ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। গত ২৫ মার্চ ওই নারী হোটেল মালিক মজনু মোল্যা ও কর্মচারী রাকিব মোল্যাকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন।

    কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, প্রধান আসামি হোটেল কর্মচারী রাকিব মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছি। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগীকে মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

  • কেশবপুরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে মব সৃষ্টি করে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ছিনতাই তিন পুলিশ সদস্য আহত

    কেশবপুরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে মব সৃষ্টি করে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ছিনতাই তিন পুলিশ সদস্য আহত

    ইমাদুল ইসলাম, যশোর জেলা ( প্রতিনিধি )

    যশোরের কেশবপুরে আদালতের রায়ে ৩ মাসের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে ফেরার পথে পুলিশের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। মসজিদের মাইকে পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে হ্যান্ডক্যাপ পরা অবস্থায় আসামিকে ছিনিয়ে নিয়েছে তাঁর স্বজন ও উত্তেজিত এলাকাবাসী। এই হামলায় এক উপ-পুলিশ পরিদর্শকসহ (এসআই) ৩ পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।

    পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার গভীর রাতে উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামে সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করতে অভিযানে যায় পুলিশ। আসামিকে আটক করে হ্যান্ডক্যাপ পরিয়ে নিয়ে আসার সময় তাঁর ভাই আল-আমিন পার্শ্ববর্তী মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেন যে, ‘পুলিশ তাঁর ভাইকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে’। এই মিথ্যা খবর ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তের মধ্যে শত শত লোক জড়ো হয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হয়।

    উত্তেজিত জনতা ও আসামির স্বজনরা পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে এসআই আসমত আলী, কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম ও হাবিবুল্লাহকে রক্তাক্ত জখম করে এবং হ্যান্ডক্যাপসহ আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। আহতদের মধ্যে দুজনকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং হাবিবুল্লাহ নামে এক পুলিশ সদস্য বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    কেশবপুর থানার ওসি (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গভীর রাতে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে হিজলডাঙ্গা ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ছিনতাই হওয়া আসামিকে পুনরায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

  • আখাউড়ায় অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির চেষ্টা, মোবাইল কোর্টে জরিমানা

    আখাউড়ায় অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির চেষ্টা, মোবাইল কোর্টে জরিমানা

    মস্তু মিয়া, জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

    দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো – পৌরশহরের কলেজপাড়ার মৃত মো. ফজলুর রহমানের পুত্র মো. শামসুজ্জামান (৩৯) এবং গরুর মালিক উপজেলার উত্তর ইউপির আনোয়ারপুর গ্রামের মৃত আঃ রহিম মিয়ার পুত্র মো. ছালাম মিয়া (৬৫)। মাংস জব্দ করে মাটিতে পুতে ফেলা হয়। আদালত পরিচালনা করেন আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. কফিলউদ্দিন মাহমুদ।

    আদালত সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থ গরু এনে জবাই করে মাংস বিক্রিরকাল বিষয়টি জানাজানি হলে প্রশাসনকে খবর দেয় এলাকার লোকজন। খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. কফিলউদ্দিন মাহমুদ ঘটনাস্থলে এসে সত্যতা পেয়ে ছালাম মিয়া কে ১০ হাজার টাকা ও শামসুজ্জামান কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

    এ ব্যপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. কফিলউদ্দিন মাহমুদ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন।

  • ডোমারে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৭ মোটরসাইকেল আরোহীকে জরিমানা

    মোঃ রাব্বি রহমান নীলফামারী প্রতিনিধি

    নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বীর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সড়ক পরিবহন আইন অমান্য করার দায়ে ৭ জন মোটরসাইকেল আরোহীকে জরিমানা করা হয়।
    জানা গেছে, অভিযানের সময় হেলমেটবিহীন চলাচল, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকা এবং ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিভিন্ন অপরাধে এসব জরিমানা করা হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং দুর্ঘটনা রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি সকল চালককে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানান।
    স্থানীয় সচেতন মহল এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং দুর্ঘটনা কমবে

  • নাটোরে ১৪শ টাকার এলপিজি গ্যাস ২ হাজার টাকায় বিক্রি করায় জরিমানা

    নাটোরে ১৪শ টাকার এলপিজি গ্যাস ২ হাজার টাকায় বিক্রি করায় জরিমানা

    মোঃ মনজুরুল ইসলাম নাটোর প্রতিনিধিঃ

    নাটোরের গুরুদাসপুরে সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি করায় এক বিক্রেতাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার (০১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ ওই জরিমান করেন।
    পৌর সদরের গুরুদাসপুর থানার পাশেই মেসার্স যমুনা ট্রেডার্সের মালিক আব্দুল মতিন সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ১২ কেজি এলপিজি গ্যাস ১৩৯৩ টাকায় কিনে ২ হাজার টাকায় বিক্রি করছিলেন। তিনি যমুনা ও টোটাল এলপিজি গ্যাসের গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিবেশক।
    প্রতি সিলিন্ডারে ৬০০ টাকারও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করা হয়। আভিযানে প্রমান ও অপরাধ স্বীকার করায় তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৪ মাসের কারাদন্ডের রায় প্রদান করা হয়। পরে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পান তিনি।
    পরিবেশক আব্দুল মতিন জানান, আগামী বৃহস্পতিবার গ্যাসের দাম বাড়বে, এমন তথ্য কোম্পানী থেকে তাকে জানানো হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে তিনি দাম বাড়িয়েছেন। তবে এটা ঠিক হয়নি।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তিনি বেশি দামে গ্যাস বিক্রির তথ্য জানতে পারেন। অভিযানে সত্যতা পাওয়া ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে তাকে সতর্কতামূলক ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। যেখানে অনিয়ম সেখানেই অভিযান চলবে বলেও জানান তিনি।

  • শ্রীপুরে সড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার 

    শ্রীপুরে সড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার 

    মাহফুজার রহমান, শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি :

    মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা গঙ্গারামখালী সড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (০১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন গঙ্গারামখালী সড়কের পাশ থেকে ওই লাশ উদ্ধার করে শ্রীপুর থানা পুলিশ।

    মাগুরার শ্রীপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. আতাউর রহমান বলেন, গঙ্গারামখালী সড়কের পাশ থেকে ৪৫ বছর বয়সী অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার হয়েছে। পরিচয় পেতে পুলিশ কাজ করছে।

  • মোহাম্মদ মাহামুদুল কুমিল্লা। কুমিল্লা নগরীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    মোহাম্মদ মাহামুদুল কুমিল্লা। কুমিল্লা নগরীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    বুধবার (১ এপ্রিল ২০২৬) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ ফাঁড়ির নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানটি পরিচালিত হয় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ক্যান্টনমেন্ট সুপার মার্কেটের সামনে ফুটওভার ব্রিজের নিচে।

    গ্রেপ্তারকৃত নারী হলেন মোসা. নুরজাহান বেগম ওরফে সুমি (৩৫)। তিনি কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার মদিনা নগর এলাকার বাসিন্দা।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে নারী পুলিশের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উপস্থিত স্থানীয় লোকজনের সামনে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে মাদকগুলো জব্দ করা হয়।
    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুরজাহান বেগম স্বীকার করেন, তিনি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে কম দামে গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশি দামে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করেছিলেন।
    এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

  • পঞ্চগড়ে জোরপূর্বক চা বাগান দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

    পঞ্চগড়ে জোরপূর্বক চা বাগান দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

    আনিসুর রহমান মানিক, পঞ্চগড় প্রতিনিধি।

    পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলা হাট ইউনিয়নের ভান্ডারগ্রামে চা বাগান জোরপূর্বক দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা।

    বুধবার (২ এপ্রিল)সন্ধ্যায় সদর উপজেলার চাকলা হাট ইউনিয়নের নতুন চাকলা বাজারে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার বাসিন্দা মাসুদ অভিযোগ করে বলেন, তার বড় ভাই নইমুল ইসলাম ২০১৭ সালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলা হাট ইউনিয়নের ভাণ্ডারুগ্রামে ওবায়দুর রহমানের কাছ থেকে ১০ বিঘা জমি ১৪ বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধভাবে গ্রহণ করেন এবং সেখানে চা বাগান গড়ে তোলেন।

    তিনি জানান, চুক্তি অনুযায়ী ২০২৩ সালে এক লক্ষ টাকা কিস্তি পরিশোধের কথা থাকলেও বিলম্ব ঘটে। এ সুযোগে বাগান মালিক চুক্তির মেয়াদ ২০৩১ সাল পর্যন্ত বহাল থাকা সত্ত্বেও চাপ প্রয়োগ করে বাগানটি ফেরত নিতে চান। পরবর্তীতে পরিস্থিতির চাপে নইমুল ইসলাম তিন রাউন্ডের জন্য বাগানটি ছাড়তে সম্মতি দেন।

    পরে ওবায়দুর রহমান স্থানীয় হাবিবুর রহমানের সঙ্গে নতুন একটি চুক্তি সম্পাদন করেন, যেখানে প্রতিবছর ৬০ হাজার টাকা খাজনা নির্ধারণ করে পাঁচ বছরের জন্য বাগানটি প্রদান করা হয়।

    মাসুদ আরও জানান, ২০২৪ সালের জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনটি রাউন্ডের চুক্তি থাকলেও বিষয়টি নিয়ে বাগান মালিকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি টালবাহানা করেন। পরবর্তীতে কোনো সুরাহা না হলে স্থানীয়দের পরামর্শে তারা চাকলা হাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু দাউদ প্রধান এর শরণাপন্ন হন।

    তিনি ৩ পক্ষকে নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বৈঠকে বসেন। বৈঠকে জমির মালিককে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি দাবি করেন, উক্ত ডিড তিনি দেননি বরং প্রতারণার মাধ্যমে তার কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।

    পরবর্তীতে বৈঠকে আপস-মীমাংসা হয়। মীমাংসা অনুযায়ী, হাবিবুর রহমানের ডিডের মূল্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার সঙ্গে অতিরিক্ত ২০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণসহ মোট ২ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি দেড় বছর বাগান থেকে যে আয় হয়েছে, সে বিষয়ে প্রথম পক্ষ কোনো দাবি করবে না বলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

    তবে ভুক্তভোগী পক্ষের অভিযোগ, মীমাংসা অনুযায়ী সমাধান হওয়ার পরও তারা চা পাতা সংগ্রহ করতে গেলে বাধার সম্মুখীন হন। মাসুদ বলেন, ইউপি সদস্যকে অবহিত করে বাগানে চা পাতা কাটতে গেলে হাবিবুর রহমানের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের ওপর হামলার চেষ্টা করে। প্রাণভয়ে সেখান থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হই।

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, হাবিবুর রহমান ও তার সহযোগীরা তাদের প্রাণনাশসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হুমকি দিচ্ছেন।

    এদিকে জমির মালিক ওবায়দুর রহমানের ছেলে মুস্তাকিম সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে বলেন, আমার বাবাকে কোম্পানির কার্ড করার কথা বলে সরল বিশ্বাসে ডিডে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। ডিডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন না এবং এর কোনো কপিও আমাদের কাছে ছিল না।

    তিনি জানান, স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু দাউদ প্রধানের নেতৃত্বে সকল পক্ষের সম্মতিতে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, তারা সেটি মেনে নিয়েছেন।

    ভুক্তভোগীরা এ ঘটনায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ, সুষ্ঠু তদন্ত এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

  • আইন হবে ডিজিটাল: LexGlobal BD বাংলাদেশের আইনি ভবিষ্যৎ

    আইন হবে ডিজিটাল: LexGlobal BD বাংলাদেশের আইনি ভবিষ্যৎ

    স্টাফ রিপোর্টার,রাজশাহী

    বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে। প্রথাগত আইনি ব্যবস্থার জটিলতা, দীর্ঘসূত্রতা এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশগম্যতার অভাব দূর করতে আবির্ভূত হয়েছে ‘LexGlobal BD’। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান Atherious Labs (সাবেক স্মার্ট প্রোডাক্টস বিডি)-এর এই ফ্ল্যাগশিপ প্রজেক্টটি কেবল একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নয়, বরং এটি দেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত পূর্ণাঙ্গ লিগ্যাল ইকোসিস্টেম।
    বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকের জন্য আইনি সেবা পাওয়া বরাবরই এক ব্যয়বহুল এবং ভীতিজনক প্রক্রিয়া। কিন্তু LexGlobal BD সেই ভয়কে জয় করার হাতিয়ার। কল্পনা করুন একজন সাধারণ ব্যবহারকারীর কথা, যিনি কোনো আইনি সংকটে পড়েছেন। এই অ্যাপের বিশেষায়িত Emergency SOS Drawing (P & L Gestures) ফিচারটি ব্যবহারকারীকে মুহূর্তের মধ্যে আইনি নিরাপত্তা বলয়ের সাথে যুক্ত করবে। এছাড়াও, AI-Powered Lawyer Search-এর মাধ্যমে যে কেউ তার মামলার ধরন অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ আইনজীবী খুঁজে পাবেন। এর ‘Instant Legal Document Drafting’ সুবিধা ব্যবহার করে ঘরে বসেই অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে প্রয়োজনীয় আইনি কাগজপত্র তৈরি করা সম্ভব হবে, যা দালালের দৌরাত্ম্য ও অতিরিক্ত খরচের চির অবসান ঘটাবে।
    আইনজীবীদের জন্য: এটি একটি প্রিমিয়াম প্রফেশনাল হাব। এখানে এআই-চালিত ক্লায়েন্ট ম্যাচিং এবং ফ্লেক্সিবল কাউন্সিলিং সেটআপের মাধ্যমে আইনজীবীরা তাদের দক্ষতা দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
    আইন শিক্ষার্থীদের জন্য: একাডেমিক সেক্টরে বিপ্লব আনতে এতে যুক্ত করা হয়েছে এটুজেড ডিজিটাল ল লাইব্রেরি। সরাসরি সিনিয়র আইনজীবীদের সাথে লাইভ কেস স্টাডি এবং ক্যারিয়ার গাইডেন্সের সুযোগ শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এক অনন্য মাত্রা যোগ করবে।
    স্মার্ট বাংলাদেশের আইনি ব্লু-প্রিন্ট প্রতিষ্ঠাতা মোঃ নাহিদ আলম-এর এই উদ্ভাবনী পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে বাংলাদেশের আইন ব্যবস্থা বিশ্বের যেকোনো উন্নত দেশের সমকক্ষ হতে পারে। “আইন হবে ডিজিটাল” এই স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিতে LexGlobal BD-ই হতে যাচ্ছে আগামীর অজেয় শক্তি। এটি কেবল একটি সেবা নয়, বরং স্মার্ট বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি নিরাপদ ও ডিজিটাল আইনি ভবিষ্যৎ।

  • গোবিন্দগঞ্জে সাংবাদিকদের উপর অতর্কিত হামলা : গ্রেফতার-১

    গোবিন্দগঞ্জে সাংবাদিকদের উপর অতর্কিত হামলা : গ্রেফতার-১

    ফয়সাল রহমান জনি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি।

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গত ৩০মার্চ দুপুর আড়াইটার দিকে খবর আসে রাজাহার ইউনিয়নের নওগাঁ(প্রভুরামপুর) মরাপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের পার্শ্বে একটি মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। এ খবর ঘটনার পেয়ে, গোবিন্দগঞ্জ সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এশিয়ান টেলিভিশনের গাইবান্ধা-২ প্রতিনিধি মাহমুদ খান সহ ৩জন সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিডিও চিত্র ধারনের সময়, রাজাহার ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম: আহবায়ক নুরুন্নবী, তার ভাই নূর আলমসহ অজ্ঞাত ৪/৫জন বাঁধা দিয়ে গালিগালাজ করে এক পর্যায়ে লাঠি সোটা, ধারালো দেশীয় নিয়ে অতর্কিত হামলা,মারপিট করে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় তার সহকর্মী আওয়ার নিউজের গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি জোবাইদুর রহমান সাগরের ভিডিও ধারন কৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ছুঁড়ে ফেলে ভাংচুরসহ অন্যান্য ক্ষতিসাধন করে। এঘটনায় সাংবাদিক মাহমুদ খান,সাংবাদিক জোবাইদুর রহমান সাগর আহত হয়।
    এঘটনার খবর পেয়ে অন্যান্য বি়ভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক বৃন্দ ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত সাংবাদিকদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে এ ঘটনায় আহত সাংবাদিক মাহমুদ খান বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনা জানতে পেরে গাইবান্ধার বিজ্ঞ জেলা পুলিশ সুপার জসিমদ্দিনের নির্দেশনায় সি-সার্কেল সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপার রশীদুল বারীর তত্বাবধানে, গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)মোজাম্মেল হকের প্রচেষ্টায় গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত)পবিত্র কুমার,বৈরাগীর হাট তদন্ত কেন্দ্রের ইন্সপেক্টর লাইছুর রহমানের নেতৃত্বে থানার সেকেন্ড অফিসার মীর শিবলি কায়েস সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স গেল ভোর রাতে এ ঘটনার অন্যতম আসামী নূর আলমকে গ্রেফতার করে। এঘটনার প্রধান আসামি রাজাহার ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম: আহবায়ক নুরুন্নবী পলাতক রয়েছে। গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোজাম্মেল হক এ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হবে । গাইবান্ধা জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ,সচেতন মহল এ হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা,প্রতিবাদ জানিয়ে এলাকার ত্রাস হিসাবে খ্যাত নুরুন্নবিসহ জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।