Blog

  • বারহাট্টায় ১২ বোতল বিদেশী মদ ও ইয়াবাসহ এক নারী গ্রেফতার

    বারহাট্টায় ১২ বোতল বিদেশী মদ ও ইয়াবাসহ এক নারী গ্রেফতার

    ওমর ফারুক আহম্মদ বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ

    নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। অভিযানে ১২ বোতল বিদেশী মদ ও ১০ পিস ইয়াবাসহ মোছা. জুমা আক্তার (২৩) নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মূল অভিযুক্ত তার বাবা পালিয়ে যায়।

    সোমবার (৯ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে নেত্রকোনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় থেকে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে। এরআগে গতকাল রবিবার বিকেল ৫টা ১০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বারহাট্টা থানাধীন আসমা ইউনিয়নের হরিয়াতলা গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    নেত্রকোনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার বিকেলে হরিয়াতলা গ্রামের মো. আবুল কাশেমের দক্ষিণ দুয়ারী চৌচালা টিনের বসতঘরে অভিযান চালায় ডিএনসি’র একটি রেইডিং টিম। এ সময় ঘরটিতে তল্লাশি চালিয়ে একটি সাদা রঙের প্লাস্টিক ব্যাগের ভেতর পেপার কাগজে মোড়ানো ১২ বোতল ‘এসি ব্ল্যাক’ ব্র্যান্ডের ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বোতলে ৩৭৫ মিলি করে মোট সাড়ে চার লিটার মদ ছিল। এছাড়া একটি সাদা পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ১০ পিস কমলা রঙের অ্যাম্ফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।

    অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে মোছা. জুমা আক্তারকে গ্রেফতার করে ডিএনসি। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা মো. সোহেল মিয়ার স্ত্রী এবং ওই ঘরের মালিক মো. আবুল কাশেমের মেয়ে। তবে ডিএনসির উপস্থিতি টের পেয়ে জুমার বাবা মো. আবুল কাশেম (৬৩) কৌশলে পালিয়ে যান।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, পলাতক আসামি আবুল কাশেমকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় নেত্রকোনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল হুদা বাদী হয়ে বারহাট্টা থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

  • আড়াইহাজারে র‍্যাবের অভিযানে ২ পাইপগান ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার!

    আড়াইহাজারে র‍্যাবের অভিযানে ২ পাইপগান ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার!

    সোহান মিয়া, আড়াইহাজার উপজেলা প্রতিনিধি ;

    নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় পরিত্যক্ত একটি ব্যাগ থেকে দুটি পাইপগান, এক রাউন্ড গুলি এবং অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১১।
    সোমবার (৯ মার্চ) রাত প্রায় সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বালিয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব উদ্ধার করা হয়।
    র‍্যাব-১১ সূত্রে জানা যায়, রাত্রীকালীন টহলের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আড়াইহাজার থানার বালিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হামিদের বাড়ির উত্তর পাশে একটি কলাবাগানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে একটি লম্বা আকৃতির সন্দেহজনক ব্যাগ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
    পরে স্থানীয় কয়েকজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে ব্যাগটি তল্লাশি করে এর ভেতর থেকে দুটি পাইপগান, এক রাউন্ড গুলি এবং অস্ত্র তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
    উদ্ধারকৃত আলামত জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আড়াইহাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
    র‍্যাব-১১ জানিয়েছে, অবৈধ অস্ত্র ও মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

  • সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র অভিযানে বিপুল ভারতীয় ট্যাপেন্টান্ডল ট্যাবলেট জব্দ

    সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র অভিযানে বিপুল ভারতীয় ট্যাপেন্টান্ডল ট্যাবলেট জব্দ

    মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টান্ডল ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (৯ মার্চ) রাত ১২টা ৫ মিনিটে ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ মনাকষা বিওপি’র একটি বিশেষ টহলদল শিবগঞ্জ উপজেলার দূর্লভপুর ইউনিয়নের বুগলাউরি ঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় সেখানে থেকে ৩০৫০ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টান্ডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা। জব্দকৃত ট্যাপেন্টান্ডল ট্যাবলেট পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় জমা করা হয়েছে। বিজিবি জানায়, গত তিন মাসে ৫৩ বিজিবি বিভিন্ন অভিযানে একজন আসামিসহ ভারতীয় ২৩২ বোতল ফেন্সিডিল, ৩৮৯ বোতল মদ, ১৫৬৮ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ, ৭৫৫০টি ট্যাপেন্টান্ডল ট্যাবলেট, একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে। জব্দকৃত এসব মালামালের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২২ লাখ টাকা। এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি বলেন, ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি সর্বদা তৎপর রয়েছে। যেকোনো ধরনের চোরাচালান ও অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে।
    তিনি আরও জানান, আসন্ন ঈদ মৌসুমকে সামনে রেখে জ্বালানি চোরাচালানসহ সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধে সীমান্ত এলাকায় এবং নদীপথে অতিরিক্ত টহল ও চেকপোস্ট পরিচালনার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

  • সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য চট্টগ্রামের সলিমপুরজঙ্গল দেড় হাজার যৌথ বাহিনী সদস্যের কম্বো অপারেশন

    সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য চট্টগ্রামের সলিমপুরজঙ্গল দেড় হাজার যৌথ বাহিনী সদস্যের কম্বো অপারেশন

    এম এস শ্রাবন মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টার

    অভিযানের মূল লক্ষ্য চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের বাহিনীর নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া।
    প্রায় ৩০০০ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত দুর্গম এই পাহাড়ী এলাকায় বর্তমানে প্রায় ২০ হাজারের অধিক ঘরবাড়ি ও লক্ষাধিক মানুষের বসবাস।

    ফজরের নামাজের আগেই কঠোর গোপনীয়তায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় দেড় হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের সমন্বয়ে বড় ধরনের যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন।
    রবিবার (৮ মার্চ)২৫ খ্রিঃ
    দিবাগত গভীর রাতে জঙ্গল সলিমপুরের চারদিকের সব প্রবেশপথ ঘিরে ফেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোমবার ভোর থেকে বাহিনীর সদস্যরা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে পাহাড়ি ও ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকার ভেতরে প্রবেশ করে তল্লাশি অভিযান শুরু করেন।
    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে শুরু হওয়া এই অভিযান সোমবার ভোর থেকে শুরু হয়ে মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত চলতে পারে।
    অভিযানের লক্ষ্য হিসেবে সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া, অস্ত্র উদ্ধার এবং চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) প্রায় ৮০০ সদস্য এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের প্রায় ৭০০ সদস্য। এছাড়াও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযানে সহায়তা করছেন।
    রাত প্রায় চারটার দিকে নগরীর আগ্রাবাদ ছোটপুল পুলিশ লাইন্স থেকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য গাড়িবহর নিয়ে জঙ্গল সলিমপুরের উদ্দেশে রওনা হন। একই সময়ে বিভিন্ন স্থান থেকে যৌথবাহিনীর অন্যান্য সদস্যরাও এলাকাটিতে অবস্থান নেন।
    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা প্রথমে এলাকার সব প্রবেশমুখ নিয়ন্ত্রণে নেন।
    পরে ভোরের দিকে ধাপে ধাপে পাহাড়ি বসতিগুলোর দিকে অভিযান পরিচালনা শুরু করা হয়।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র জানায়, অভিযানের প্রধান লক্ষ্য চট্টগ্রাম নগর সহ বৃহত্তর চট্টগ্রামে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের বাহিনীর নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া।
    পাশাপাশি চাঁদাবাজী দখলবাজীর সাথে সম্পৃক্ত চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের পাকড়াও করা। দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপের প্রভাব রয়েছে বলে কথিত আছে।

    এলাকাটিতে সক্রিয় কয়েকটি গ্রুপের মধ্যে রয়েছে ইয়াসিন গ্রুপ, রোকন গ্রুপ ও রিদোয়ান গ্রুপ। এর মধ্যে ইয়াসিন গ্রুপকে সবচেয়ে শক্তিশালী বলে মনে করা হয় এবং এলাকার একটি বড় অংশ তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা।
    এসব গ্রুপের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, জমি দখল, মাদক ব্যবসা, অস্ত্রের অবৈধ বেচাকেনা এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
    চট্টগ্রাম নগরীর খুব কাছাকাছি হলেও জঙ্গল সলিমপুর দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং এলাকা হিসেবে পরিচিত। অনেকেই এলাকাটিকে ‘দেশের ভেতর আরেক দেশ’ কিংবা ‘সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল’ বলে উল্লেখ করেন। এই জনপদে পরিচিত ছাড়া বিনা অনুমতিতে কেউ প্রবেশ করতে পারেনা বলেও প্রচলিত আছে।
    বায়েজিদ লিংক রোডের উত্তর পাশে প্রায় তিন হাজার ১০০ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই এলাকা পাহাড়ি ও দুর্গম।
    বর্তমানে সেখানে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার ঘরবাড়ি রয়েছে এবং বিভিন্ন জেলা থেকে আসা অন্তত এক থেকে দেড় লাখ মানুষের বসবাস।
    অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা বসতি, সরু রাস্তা, পাহাড়ি পথ এবং ঘনবসতির কারণে দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাটিতে নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা অভিযান চালানো কঠিন ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
    গত (১৯ জানুয়ারি) জঙ্গল সলিমপুরে কয়েকজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালাতে গেলে র‍্যাব সদস্যরা হামলার মুখে পড়েন।
    সে-সময় লাঠিসোঁটা হাতে কয়েকশ মানুষ র‍্যাবের দুটি মাইক্রোবাস ধাওয়া করে এবং গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করে। অভিযোগ রয়েছে, র‍্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে প্রকাশ্যে গুলিও চালানো হয়।
    একপর্যায়ে হামলাকারীরা র‍্যাবের কয়েকজন সদস্যকে মারধর করে এবং তাদের অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়। ওই ঘটনায় র‍্যাব–৭ এর উপসহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নিহত হন এবং আরও তিনজন সদস্য আহত হন।
    র‍্যাবের তথ্যমতে, ওই হামলায় প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ জন অংশ নিয়েছিল।
    ঘটনার পর জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানোর কথা বলা হলেও এত বড় আকারের সমন্বিত অভিযান এবারই প্রথম শুরু হয়েছে।
    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অপরাধ দমন ও স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • সিলেটে ‘বালু মকসুদ’ এর হয়রানিমূলক মামলা কোর্টে স্থগিত ; রায়ে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী

    সিলেটে ‘বালু মকসুদ’ এর হয়রানিমূলক মামলা কোর্টে স্থগিত ; রায়ে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী

    সিলেটে ‘বালু মকসুদ’ এর হয়রানিমূলক মামলা কোর্টে স্থগিত ; রায়ে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী

    সাইফুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি

    সিলেটের জালালাবাদ থানাধীন তিলকপুর শিবেরখলা এলাকায় অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন এবং সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে মকসুদ আহমদ ওরফে ‘বালু মকসুদ’র বিরুদ্ধে।

    সম্প্রতি মকসুদ আহমদ বাদী হয়ে এলাকার নিরীহ ৫ জন ব্যক্তিসহ অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে জালালাবাদ থানায় একটি চাঁদাবাজির অভিযোগ করেন। যা আজ কোর্টে স্থগিত করে আদালত।

    এর আগের হয়রানি মূলক মামলায করে এলাকাবাসীকে চাপের ফেলার চেষ্টা করে মাকসুদ ও তার সহযোগীরা
    তবে এলাকাবাসীর দাবি, এটি একটি সম্পূর্ণ সাজানো ও ভিত্তিহীন মামলা, যার মূল উদ্দেশ্য হলো অবৈধ বালু উত্তোলনে বাধা দানকারীদের কণ্ঠরোধ করা।

    এ নিয়ে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে মকসুদ আহমদ তার অভিযোগে দাবি করেন, বিবাদী কাওছার আহমদ, গোলাম সারোয়ারসহ
    তার লিজকৃত বালু মহালে প্রবেশ করে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেছেন এবং ইতিপূর্বে ৪০ হাজার টাকা চাঁদা নিয়েছেন।

    তবে স্থানীয়দের মতে, ঘটনার সত্যতা নেই। বরং মকসুদ আহমদ দীর্ঘ দিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধ বুলডোজার ও ড্রেজার দিয়ে নদীর পাড় কেটে মাটি ও বালু উত্তোলন করে আসছেন, যার ফলে নদী ভাঙনের হুমকিতে পড়েছে খিত্তারগাঁওসহ আশপাশের এলাকা।

    আজকের এই মামলার স্থগিতাদেশ আসার পরে এলাকাবাসী ধন্যবাদ জানায় সিলেটের ডিসি, স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে।

    তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন ভবিষ্যতেও এমন মিথ্যা মামলা প্রতিরোধে প্রশাসন ও অন্যান্য ব্যক্তিরা তাদেরকে সহযোগিতা করবে।

  • জামালপুরে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন।

    জামালপুরে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন।

    জুয়েল আহমেদ, জামালপুর জেলা প্রতিনিধি
    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি

    জামালপুরের মেলান্দ উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন হয় নিহত মাসুদ মিয়া পিতা মোহাম্মদ মমিন মিয়া। মাতা মিশু বেগম।, গ্রাম মেলান্দ উপজেলার নয়ানগর বাজার প্রত্যক্ষদর্শী হতে জানা যায়, নিহত মাসুদ মিয়ার সাথে ছোট ভাই হাসিব মিয়ার দীর্ঘদিন যাবত পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল। আজ আনুমানিক রাত ৮ টার সময়, আসামি হাসিব মিয়ার বউয়ের সাথে নিহত মাসুদ মিয়ার ভাত খাওয়া নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়, এই সূত্র ধরে আসামি হাসিব মিয়া নিহত বড় ভাই মাসুদ মিয়াকে রাস্তার মাঝে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত্ জখম করে, স্থানীয় লোকজন মাসুদ মিয়াকে, দ্রুত হসপিটালে নিয়ে গেলে হসপিটাল এর কর্তব্যরত, চিকিৎসক মাসুদ মিয়াকে মৃত ঘোষণা করে,

  • জয়পুরহাট ২০  বর্ডার গার্ড ব্যাটলিয়নের বিজিবি কর্তৃক ২ টি কষ্টিপাথরের মূর্তি সহ হাতে নাতে গ্রেফতার -০১।।

    জয়পুরহাট ২০ বর্ডার গার্ড ব্যাটলিয়নের বিজিবি কর্তৃক ২ টি কষ্টিপাথরের মূর্তি সহ হাতে নাতে গ্রেফতার -০১।।

    মোঃ মাহবুব হোসেন মেজর
    দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

    জয়পুরহাট ২০ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন বিজিবি কর্তৃক কষ্টিপাথরের ২টি বিষ্ণু সহ ১ জনকে হাতে নাতে গ্রেফতার করেন।

    শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় জয়পুরহাট ২০ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ( সিও) মোহাম্মদ লতিফুল বারি এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির একটি চৌকস দল দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার মঙ্গলপুর ইউনিয়নের ধনগাঁও গ্রামে অভিযান চালিয়ে মোঃ রাসেল ইসলামের বাড়ি থেকে একটি কষ্টিপাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার সহ হাতে নাতে তাকে গ্রেফতার করেন।

    পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই উপজেলার ফরকারাবাদ গ্রামে অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় আরও একটি কষ্টিপাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার করা হয়।

    উদ্ধার হওয়া দুটি কষ্টিপাথরের বিষ্ণু মূর্তির মোট ওজন প্রায় ২৫ কেজি ৬৭০ গ্রাম।
    যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫ লাখ ৭২ হাজার টাকা।

  • কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে বিরোধে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম ও লুটপাট

    মোঃ সাইফুল আলমঃ

    গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়নের ঠেঙ্গারবান গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শফিকুল নামে এক ব্যবসায়ীকে পৈশাচিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা ঐ ব্যবসায়ীর দুই হাত ও দুই পা ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি তার চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা করেছে। এছাড়া তার বাড়ি থেকে নগদ ৩৭ লক্ষ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
    ​ হামলার ঘটনায় ​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে শফিকুলের বসতবাড়ির জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল।
    শনিবার (৭ ই মার্চ-২০২৬ ইং) সকাল ৯টার দিকে একদল নারী ও পুরুষ অতর্কিতভাবে শফিকুলের ডুপ্লেক্স বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়ির কেসি গেটসহ চারটি প্রধান দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তান্ডব চালায়।
    ​নৃশংস শারীরিক নির্যাতনে
    ​হামলাকারীরা শফিকুলকে একা পেয়ে ধারালো কুড়াল দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। নৃশংসতার একপর্যায়ে তার দুই হাত এবং দুই পা ভেঙে দেওয়া হয়। এমনকি তার চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টাও করে দুর্বৃত্তরা। বাঁধা দিতে গেলে শফিকুলের স্ত্রী, মা এবং বোনকেও মারধর ও লাঞ্ছিত করা হয়।
    ​বড় অঙ্কের টাকা ও স্বর্ণ লুট
    ​আক্রান্ত পরিবারের দাবি, শফিকুল ২১৮ বিঘা জমি ভাড়া নিয়ে বড় মৎস্য প্রজেক্ট পরিচালনা করতেন। ঘটনার আগের দিনই তিনি বিশাল অংকের মাছ বিক্রি করেছিলেন। হামলাকারীরা সেই মাছ বিক্রির নগদ ৩৭ লক্ষ টাকা এবং প্রায় ৬ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুটে নিয়েছে। মূলত বাড়িটি দখলের উদ্দেশ্যেই এই পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ।

    ​গুরুতর আহত শফিকুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীনে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা দিন আছেন । এলাকায় এই ঘটনায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এই জঘন্য হামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

  • খুমেকে জাতীয়তাবাদী চিকিৎসক কর্মকর্তা কর্মচারী দলের ইফতার মাহফিলে মফস্বল প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ

    খুমেকে জাতীয়তাবাদী চিকিৎসক কর্মকর্তা কর্মচারী দলের ইফতার মাহফিলে মফস্বল প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ

    মহিদুল ইসলাম (শাহীন), খুলনা,

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চিকিৎসক ও কর্মকর্তা কর্মচারী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টার সময় হৃদরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাঃ মোস্তফা কামাল এর সভাপতিত্বে মেডিকেল কলেজ হলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন

    খুমেক ড্যাপ এর সাধারণত সম্পাদক ডাঃ আবু জাফর মোঃ সালেহ,প্রাইম হসপিটালের চেয়ারম্যান ডা ডেভিড,খুমেক ডিডি ডাঃ সুজাত আহমেদ, ইউরোলজিস্ট ডাঃ তাজরুল ইসলাম তাজ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাব সভাপতি মহিদুল ইসলাম শাহীন, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম নবী, সাংবাদিক তাজ উদ্দিন টুকু,

    রফিকুল ইসলাম টুকু, বদরুজ্জামান খাকি, মেডিকেল কলেজ পেশ ঈমাম মাওলানা কামাল হোসেন জাফরীসহ মেডিকেল কলেজে ও হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এসময় তিনটি হলরুমে একই সঙ্গে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • বটিয়াঘাটায় জে এম আই গ্যাস কোম্পানি কর্তৃক অবৈধ দখল উচ্ছেদে এসে পিছু হটল পানি উন্নয়ন বোর্ড

    বটিয়াঘাটায় জে এম আই গ্যাস কোম্পানি কর্তৃক অবৈধ দখল উচ্ছেদে এসে পিছু হটল পানি উন্নয়ন বোর্ড

    এইচ এম সাগর (হিরামন), খুলনা :
    খুলনার দাকোপ বটিয়াঘাটা সড়কে অবস্থিত বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩০ নম্বর পোল্ডারের জমি দীর্ঘদিন ধরে দখল করে সেখানে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ করেছে জেএমআই গ্যাস কোম্পানি। দখলের অভিযোগটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নজরে এলে কর্তৃপক্ষ একাধিকবার প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ জারি করে। তবে এসব নোটিশের প্রতি কোন কর্ণপাত করেনি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। পরে বিষয়টি নিয়ে একাধিক বার বৈঠকের পর খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসকের কাছে সীমানা প্রাচীর ও গেট উচ্ছেদের আবেদন জানান। এর আগেও কয়েকবার উচ্ছেদ অভিযান চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা সফল হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনকে ম্যানেজ ও মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে প্রতিবারই উচ্ছেদ অভিযানের হাত থেকে রেহাই পেয়ে যায় কোম্পানিটি। স্থানীয়দের আরো অভিযোগ, সরকারি জমির পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিও দখল করেছে গ্যাস কোম্পানি। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে অভিযোগ দিলেও এখনো পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ৫ই মার্চ ২০২৬ খুলনা জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে উচ্ছেদ অভিযানে যান। উচ্ছেদ অভিযানের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে কোম্পানির সিকিউরিটি গার্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং তাদের ভেতরে প্রবেশে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। কাগজপত্রের জটিলতার কারণে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি বলে জানান জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বটিয়াঘাটা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো : শোয়েব শাত- ঈল -ইভান, খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডি রিফাদ আহমেদ, এসও সাইদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।