Author: Masum Ibn Musa

  • মীরসরাইয়ে প্রবাসীকে হামলা ও অপহরণ মামলায় এক আসামি গ্রেফতার

    মীরসরাই প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার হাদি ফকিরহাট এলাকায় প্রবাসী মোঃ শাহাদাত হোসেন সেলিমকে হামলা ও অপহরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ সালমান (৩০), যিনি মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি। সোমবার (২৩ মার্চ) তাকে গ্রেফতার করে মীরসরাই থানা পুলিশ।

    মীরসরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাফিন ইশতিয়াক রুবেল জানান, মামলার পর থেকেই অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সালমানকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

    ভুক্তভোগী প্রবাসী মোঃ শাহাদাত হোসেন সেলিম জানান, আসামিদের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। তার বাড়ির দক্ষিণ পাশে নিজ জমিতে প্রায় দেড় থেকে দুই মাস ধরে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ চলছিল।

    গত ১৮ মার্চ বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রসহ আসামিরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তার পিঠে আঘাত ও ডান গালে ঘুষি মেরে আহত করা হয়।

    ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলার একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক একটি অজ্ঞাতনামা সিএনজিতে তুলে অপহরণ করে হাদি ফকিরহাট বাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে।

    স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে হত্যার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে মীরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

    শাহাদাত হোসেন সেলিম জানান, শারীরিকভাবে সুস্থ হয়ে এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করার পর তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন, যার কারণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।

  • রাজশাহীতে ঈদ ঘিরে কি বড় বিপদের সংকেত? বিপুল পরিমাণ ককটেল ও দেশীয় অস্ত্রের স্তূপ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫।

    রাজশাহীতে ঈদ ঘিরে কি বড় বিপদের সংকেত? বিপুল পরিমাণ ককটেল ও দেশীয় অস্ত্রের স্তূপ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৫।

    মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি​​​|

    রাজশাহী মহানগরীতে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা নসাৎ করে দিয়েছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৫)। আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও শহরকে অস্থির করার উদ্দেশ্যে মজুত করা বিপুল পরিমাণ ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে এলিট ফোর্সটি।
    ​মধ্যরাতের রুদ্ধশ্বাস অভিযানে ​মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানাধীন রেলওয়ে মাঠ (রেলমাঠ) সংলগ্ন একটি নির্জন লেবু বাগানে এই অভিযান পরিচালিত হয়। র‍্যাব-৫ এর সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে হানা দেয়। বাগানের ভেতরে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি সন্দেহভাজন প্লাস্টিকের বস্তা পড়ে থাকতে দেখে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে র‍্যাব সদস্যরা।
    ​সক্রিয় ছিল বোম ডিসপোজাল ইউনিট ​বস্তা দুটিতে শক্তিশালী বিস্ফোরক থাকার আশঙ্কায় তাৎক্ষণিকভাবে র‍্যাব-৫ এর স্পেশাল বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞ দলটি ঘটনাস্থলে পৌঁছে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে তল্লাশি চালিয়ে বস্তা থেকে ২১টি তাজা ককটেল সদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করে। একইসাথে অপর একটি বস্তা থেকে উদ্ধার করা হয় বেশ কিছু ভয়ংকর দেশীয় অস্ত্র, যার মধ্যে রয়েছে:​০১টি বড় হাসুয়া (দৈর্ঘ্য ৭২ সে.মি.)
    ​০১টি বিশাল ছোরা (দৈর্ঘ্য ৬৫ সে.মি.)​০১টি মাঝারি ছোরা (দৈর্ঘ্য ৩৮ সে.মি.)​০১টি ধারালো চাকু (দৈর্ঘ্য ২৫ সে.মি.)

    ​র‍্যাব-৫ এর মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধারকৃত ককটেল ও অস্ত্রগুলোর মালিক সম্পর্কে স্থানীয়রা কোনো তথ্য দিতে পারেনি। তবে র‍্যাবের প্রাথমিক ধারণা, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ ম্লান করতে এবং নগরীতে ত্রাস সৃষ্টি করতে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এই মজুত গড়ে তুলেছিল। গভীর রাতে জনমানবহীন বাগানে এই অস্ত্র মজুত করা থেকে স্পষ্ট যে, তারা বড় কোনো রক্তক্ষয়ী হামলার ছক কষছিল।

    ​উদ্ধারকৃত বিস্ফোরক ও দেশীয় অস্ত্রসমূহ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) মূলে রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কারা জড়িত এবং কারা এই বাগানটিকে ‘সেফ হাউজ’ হিসেবে ব্যবহার করছে, তাদের খুঁজে বের করতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে র‍্যাব।
    ​এলাকায় বর্তমানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করলেও র‍্যাবের টহল বৃদ্ধির পর জনমনে স্বস্তি ফিরেছে।

  • ​মৌলভীবাজারে ছোট ভাইকে হত্যার ঘটনায় ঘাতক বড় ভাই গ্রেফতার

    ​মৌলভীবাজারে ছোট ভাইকে হত্যার ঘটনায় ঘাতক বড় ভাই গ্রেফতার

    ​ছাদিকুর রহমান সাব্বির, সিলেট বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান , দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি

    ​মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ফাটাবিল এলাকায় তুচ্ছ ঘটনার জেরে আপন ছোট ভাইকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগে বড় ভাই হানিফ মিয়াকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল (১৫ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে কুমিল্লা সদর কোতোয়ালী থানার সংরাইশ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
    ​ঘটনার প্রেক্ষাপট
    ​পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ মার্চ বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে ফাটাবিল এলাকায় সরকারি রাস্তার ব্রিজের ওপর এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত তামিম মিয়া (১৮) স্থানীয় শাহেদ আলীর ছেলে।
    ​ঘটনার দিন হানিফ মিয়ার ১০ বছর বয়সী ছেলে সাইদুলকে শাসন করার জন্য একটি থাপ্পড় দেন তার ছোট চাচা তামিম মিয়া। এই বিষয় নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাই হানিফ মিয়া ধারালো চাকু দিয়ে তামিমের গলার নিচে আঘাত করেন।
    ​তদন্ত ও গ্রেফতার অভিযান
    ​গুরুতর আহত অবস্থায় তামিমকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই ঘাতক হানিফ মিয়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুটি ব্রিজের নিচে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় নিহতের বোন সাথী আক্তার বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
    ​হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামিকে ধরতে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনের নির্দেশনায় একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়েরের নেতৃত্বে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। অবশেষে কুমিল্লার সংরাইশ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
    ​একনজরে ঘটনা:
    ​নিহত: তামিম মিয়া (১৮)।
    ​গ্রেফতার: হানিফ মিয়া (৩৫)।
    ​ঘটনার স্থান: ফাটাবিল এলাকা, মৌলভীবাজার সদর।
    ​গ্রেফতারের স্থান: কুমিল্লা সদর কোতোয়ালী এলাকা।
    ​কারণ: ভাতিজাকে শাসন করা নিয়ে পারিবারিক বিরোধ।
    ছবি সংযুক্ত ।

  • চাঁপাই মৎস্যচাষী সমবায় সমিতির উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ 

    চাঁপাই মৎস্যচাষী সমবায় সমিতির উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ 

    মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

    চাঁপাই মৎস্যচাষী সমবায় সমিতির মাসিক সভা ও সদস্যদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আজ শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে জেলা শহরের শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজ মার্কেটের তৃতীয় তলায় একটি অফিসে বিতরণ করা হয়।

    মাসিক সভায় সভাপতিত্ব করেন চাঁপাই মৎস্যচাষী সমবয় সমিতির সভাপতি ওবায়দুল হক। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল রানা, কোষাধক্ষ্য আব্দুল কাদের, কার্যনির্বাহী সদস্য আল আমিন প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সমিতির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

    ঈদ সামগ্রীর মধ্যে ছিল, আতব চাউল, নুডুলস, তেল, চিনি, লাচ্চা সেমাই, পাপড়, বুন্দিয়া ৭ ধরনের খাদ্য সামগ্রী।

    সভাপতি ওবায়দুল হক জানিয়েছেন, ঈদুল ফিতর আমাদের মুসলমানদের জন্য অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। দিনটি আমাদের মুসলিম ভাইদের বড়ই আনন্দের এবং খুশির দিন। চাঁপাই মৎস্যচাষী সমিতির উদ্যোগে ঈদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তুলতেই প্রথম বারের মতো সমিতির পক্ষ থেকে এই ক্ষুদ্র প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীতেও সমিতির সদস্যদের নিয়ে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

  • পীরগঞ্জে আকস্মিক বৃষ্টিতে কৃষকের  ফসল নষ্ট।

    পীরগঞ্জে আকস্মিক বৃষ্টিতে কৃষকের ফসল নষ্ট।

    মো. আরফান আলী :
    ঠাকূরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় ১২ ও ১৩ মার্চ রাত্রে টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণে কৃষকের স্বপ্ন ভেসে গেছে পানিতে। মাঠজুড়ে সবুজ ফসল এখন বৃষ্টির পানির নিচে তলিয়ে গেছে। অনেক কৃষকের পরিশ্রম ও আশা মুহূর্তেই ক্ষতির মুখে পড়েছে। ভারাক্রান্ত কৃষক কোন কূল কিনারা না পেয়ে হতাশ, জীবন ধারণের সম্বল টুকু হারিয়ে নিঃস্ব ক্ষুদ্র কৃষকগণ। তিমটি ফসল গম, ভূট্রা আলু বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
    প্রাকৃতিক এই দূর্যোগে কৃষকের ক্ষতি অপূরণীয় হলেও সবাই আশা করছেন দ্রুত পানি নেমে যাবে এবং আবার নোতুন করে ঘুরে দাঁড়াবে কৃষকের জীবন ও কৃষি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে কোন দূর্যোগ পূর্বাভাস প্রদান করা হয় নি। পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হাসান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা প্রণয়ন করে প্রণোদনা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে বাংলাদেশ পল্লী ফেডারেশন নির্বাহী পরিচালক কবি ও সাংবাদিক জানান, সরকার চাইলে প্রাকৃতিক দূর্যোগের জন্য কৃষি বীমা চালু করেলে কিছুটা ক্ষুদ্র কৃষকের ক্ষতিপূরণ দেওয়া যেতে পারে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন

    মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় শহরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতাল মোড় থেকে পুরাতন বাজার পর্যন্ত এলাকায় এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) উজ্জ্বল কুমার ঘোষ।
    উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ নাকিব হাসান তরফদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ফয়সাল রাযহান,সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দীন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান, সদর হাসপাতালের আরএমও ডাঃ আব্দুস সামাদ, ,অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আনিসুর রহমান, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অরুপ কুমার দাস, , দি চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ-সভাপতি মোঃ খাইরুল ইসলাম, জেলা সমবায় অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মোখলেছুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মামুন-অর – রশীদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মনিটরিং অফিসার মোঃ জহুরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের
    কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
    জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ এবং শহরের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে এ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সকলকে উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। এ কার্যক্রমে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

  • প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পরিচালনা করে যাচ্ছেন গাজার ব্যবসা।

    প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পরিচালনা করে যাচ্ছেন গাজার ব্যবসা।

    মোঃ রেজা, কুমিল্লা ক্রাইম বার্তা

    জানা যায় দির্গদিন ধরে ভারত বডার সিমান্ত পার করে বাংলাদেশে গাঁজা সাপ্লাই করে আসছেন এই চক্রটি।

    তবে সম্পত্তি একটি ভিডিও কুমিল্লা ক্রাইম বার্তার হাতে এসে পৌছায় আর এই ভিডিওতে দেখা যায় গাজা পুরানো এবং ভালো এই ধরনের কথা কাস্টমারের সাথে সরাসরি ভিডিও কলে বলছেন।

    তবে এমনইএক গাজাব্যবসায়িকের সন্ধান পাওয়া যায় কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বাবুর্চি আদর্শ গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে সাব্বিরকে।

    এবং এবিষয়ে গাজা ব্যবসায়িক সাব্বিরের সাথে মুঠোফোনে কথা বলতে গেলে তিনি জানান…..

    তবে তার এলাকার স্থানীয়দের ভাষ্য মোতাবেক জানা যায় এ সাব্বির দীর্ঘদিন যাবত গাঁজা ফেনসিডিল ইয়াবা বিক্রি করে যুব সমাজকে নষ্ট করে ফেলছেন।

    এবং স্থানীয়দের আরো অভিযোগ অতি দ্রুতই এই কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়িক সাব্বিরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিতে হবে ।

    তারা আরো জানান এ ধরনের গাঁজা ব্যবসায়ী দেশের আনাচে কানাচে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে সিটিএ আছে তাদেরকেও খুঁজে বাহির করে আইনের কাছে সপর্দ করতে হবে।

     

  • ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় এতিমখানা ও মাদ্রাসার অনাথ এবং অসহায় শিক্ষার্থীদের মাঝে সৌদি আরবের উপহার হিসেবে খেজুর বিতরণ করা হয়েছে।

    ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় এতিমখানা ও মাদ্রাসার অনাথ এবং অসহায় শিক্ষার্থীদের মাঝে সৌদি আরবের উপহার হিসেবে খেজুর বিতরণ করা হয়েছে।

    রিপোর্ট সালথা উপজেলা প্রতিনিধি ইয়াছিন শেখ

    উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, King Salman Humanitarian Aid and Relief Center এর মাধ্যমে রাজকীয় Saudi Government-এর পক্ষ থেকে পবিত্র রমজান উপলক্ষে উপহার হিসেবে এই খেজুর পাঠানো হয়।
    ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রেরিত নির্দেশনার আলোকে সালথা উপজেলায় মোট ১৮ কার্টুন খেজুর পাওয়া গেছে।
    পরে এসব খেজুর উপজেলার বিভিন্ন এতিমখানা, লিল্লাহ বোর্ডিং ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত অনাথ ও দুস্থ ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বরাদ্দ দেওয়া হয়।
    উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পবিত্র রমজান মাসে এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • মনিরামপুরে যৌতুকের দাবিতে স্বামী-ভাসুর ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে গৃহবধূকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

    মনিরামপুরে যৌতুকের দাবিতে স্বামী-ভাসুর ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে গৃহবধূকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

    কল্যান রায় জয়ন্ত

    যশোরের মণিরামপুরে যৌতুকের দাবিতে স্বামী, ভাসুর ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ বিথিকা সুলতানা মণিরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাহিরঘোরিয়া গ্রামের মহাতাব উদ্দিনের মেয়ে বিথিকা সুলতানা (২৬) প্রায় তিন বছর আগে কাজিয়াড়া গ্রামের মৃত খালেক গাজীর ছেলে মেহেদি হাসানের (৩২) সঙ্গে ৩ বছর পূর্বে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি ছেলে সন্তান (মাহির-৮ মাস) রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই স্বামী মেহেদি হাসান, তার বড় ভাই সোহরাব হোসেন (৪৮) এবং শাশুড়ি লালবানু বিবি (৬০) যৌতুকের দাবিতে তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারলে তাকে মারধর করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হতো। মেয়ের সংসার টিকিয়ে রাখতে তার বাবা মহাতাব উদ্দিন আসবাবপত্র, বিভিন্ন সামগ্রী এমনকি ছাগলও দেন। তবে কিছুদিন শান্ত থাকার পর আবারও তার ওপর নির্যাতন শুরু হয়।

    গত ৯ মার্চ দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে স্বামী মেহেদি হাসান পুনরায় টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে স্বামীসহ অন্যরা তাকে ঘরের ভেতরে আটকে রেখে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও নীলাফোলা জখম হয়। একপর্যায়ে স্বামী লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া স্বামী ও শাশুড়ি তাকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন এবং তাদের ৮ মাস বয়সী শিশু সন্তান মাহিরকে ছুড়ে ফেলে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

    ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় তার বাবা তাকে উদ্ধার করে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা করান। পরে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে পরামর্শ করে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনায় বাহিরঘোরিয়া গ্রামের রেজাউল হোসেন ও গোপালপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামসহ স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টি জানেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ভুক্তভোগী গৃহবধূ বিথিকা সুলতানা জানান, আমার স্বামী পরকীয়া এবং মাদকাসক্ত। আমাকে বিভিন্ন সময়ে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করতো। সংসার বাঁচাতে আমি কয়েকদফা বাবার বাড়ি থেকে টাকা-পয়সা ও জিনিসপত্র নিয়ে দিয়েছি। আমার সন্তানের জন্মের পর থেকে আমার স্বামী আমার দেখাশোনা এমনকি ভরণপোষণ দেন না। আমার ভাসুরের ইন্দনে আমাকে ডিভোর্স দেওয়ার পায়তারা করছে। আমি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে শ্বশুরবাড়িতে বাচ্চাসহ উঠলে কয়েকদিনের মাথায় আমার ভাসুরের নির্দেশে শাশুড়ি ও স্বামী মিলে আমাকে হত্যার উদ্দ্যেশে লোহার রড় দিয়ে মাথায় আঘাত করে এবং মেঝেতে ফেলে গলার উপর উঠে দাড়ায়। একপর্যায়ে আমি আমার বাবার বাড়িতে জানালে, আমার বাবা-মা ও ভাবি আমাকে নিয়ে মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা করান। পরবর্তীতে আইনি সহায়তার জন্য আমি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। অভিযোগ করার পর আমার স্বামী ও ভাসুর বিভিন্ন মাধ্যমে আমাকে ও আমার পরিবারকে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি আইনের কাছে ন্যায় বিচার চাই।

    বিথিকা সুলতানার ভাবি জানান, খবর পেয়ে আমার ননদকে আনতে গেলে আমাদের সামনে তার শাশুড়ি মারধর করেন। স্থানীয়দের সহায়তায় চিকিৎসার জন্য আমরা দ্রুত মনিরামপুর হাসপাতালে নিয়ে আসি। সেই থেকে ও (বিথিকা সুলতানা) আমাদের বাড়িতে আছে।

    বিথিকা সুলতানার পিতা মহাতাব উদ্দিন জানান, আমার মেয়েকে বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময় যৌতুকের জন্য চাপ দিতো। আমি গরীব মানুষ। তারপরও মেয়ের সুখের জন্য ধার-দেনা করে বিভিন্ন সময়ে জামাইকে টাকা-পয়সা ও জিনিসপত্র দিয়েছি। আমার জামাই মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসায়ী। কয়েকদিন আগে আমার মেয়েকে হত্যার উদ্দ্যেশে মারধর করেছে। মনিরামপুর হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসছি। আমি আমার জামাই ও তার পরিবারের শাস্তি চাই।

    ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত স্বামী মেহেদী হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিভিন্ন সময়ে পারিবারিক কলহে তাকে টুকটাক মারধর করি এটা সত্য কিন্তু তাকে হত্যার উদ্দ্যেশ্যে কখনো মারধর করিনি। সে কিছুদিন আগে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল। স্থানীয়দের সহায়তায় ঘরের টিন কেটে তাকে উদ্ধার করেছি। কয়েকদিন আগে আত্মহত্যা করার জন্য দরজা দিতে গেলে আমি দরজায় লাথি মারি, ওইসময় দরজার আঘাতে তার কপাল কেটে যায়। কয়েকটি চড় মারা ছাড়া তাকে আর মারধর করিনি।

    ছেলের বৌ-কে মারধরের বিষয়ে ভুক্তভোগীর শাশুড়ি লালবানু বিবি’র কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার বৌমা আমাকে গালিগালাজ ও মারধর করে। কয়েকদিন আগেও গালিগালাজ করছিল ওই সময় একটা চড় মেরেছিলাম। ছেলে-বৌ এর সাথে ঝগড়া হলে আমি তার মধ্যে যায় না।

    এবিষয়ে মেহেদী হাসানের বড় ভাই সোহরাব হোসেনের নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি দীর্ঘদিন ধরে খুলনাতে বসবাস করি। বাড়িতে কি হয় তা আমি জানি না। আমার সম্মান ক্ষুণ্ন করা জন্য আমার বিরুদ্ধে উদ্দ্যেশ্যপ্রণোদিত হয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।

    এ বিষয়ে মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রজিউল্লাহ খান’র নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশির ওপর নৃশংস নির্যাতনের অভিযোগ — আশরাফ-বাহার ‘মানবপাচার মাফিয়া’ চক্র নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশির ওপর নৃশংস নির্যাতনের অভিযোগ — আশরাফ-বাহার ‘মানবপাচার মাফিয়া’ চক্র নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
    লিবিয়ায় অবস্থানরত শত শত বাংলাদেশি তরুণের জীবন আজ চরম অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কে ঘেরা। ভুক্তভোগী পরিবার, প্রবাসী সূত্র ও মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত চার শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিক একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্রের হাতে জিম্মি হয়ে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রের নেতৃত্বে রয়েছে কুমিল্লার আশরাফ ও তার ভাই বাহার, যাদের অনেকেই “মানবপাচার মাফিয়া” চক্রের মূল হোতা হিসেবে উল্লেখ করছেন।
    সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি শক্তিশালী দালাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে বাংলাদেশ থেকে তরুণদের বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণা করা হচ্ছে। ইউরোপে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নেওয়া হয়। অনেক পরিবার শেষ সম্বল জমি বিক্রি করে কিংবা ঋণ নিয়ে সেই টাকা জোগাড় করে।
    ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, বিদেশে পাঠানোর নামে প্রথমে তাদের বিভিন্ন দেশে নেওয়া হয়। পরে অবৈধ পথে লিবিয়ায় নিয়ে গিয়ে তাদের পাসপোর্ট ও কাগজপত্র কেড়ে নেওয়া হয়। এরপর শুরু হয় এক বিভীষিকাময় জীবন।
    লিবিয়ায় এসব আটক স্থানের নাম ভুক্তভোগীদের ভাষায় “গেম ঘর”। অভিযোগ রয়েছে, এসব স্থানে দিনের পর দিন মানুষকে অমানবিক পরিবেশে আটকে রাখা হয়। পর্যাপ্ত খাবার দেওয়া হয় না, অসুস্থ হলেও চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকে না। সামান্য প্রতিবাদ করলেই মারধর ও নির্যাতনের শিকার হতে হয় বলে জানিয়েছেন একাধিক ভুক্তভোগী।
    সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযোগ হলো—জিম্মি করে রাখা ব্যক্তিদের দিয়ে পরিবারের কাছে ফোন করিয়ে মুক্তিপণের টাকা দাবি করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। নির্ধারিত সময়ে টাকা না পেলে নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করে পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দ্রুত টাকা পাঠাতে বাধ্য করার ঘটনাও ঘটছে বলে জানা গেছে।
    এই মানবপাচার চক্রের সঙ্গে আশরাফের দুই স্ত্রী—মাদারীপুরের রুনা ও বরিশালের সিমুর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও উঠেছে। বিভিন্ন সূত্র বলছে, তারা বিদেশে অবস্থান করে দালাল নেটওয়ার্ককে সহযোগিতা করেন এবং নতুন প্রবাসপ্রত্যাশীদের প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলতে ভূমিকা রাখেন।
    এছাড়া আশরাফের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে আকাশ নামের এক ব্যক্তির নামও সামনে এসেছে। জানা গেছে, আকাশের বাড়ি সিলেট জেলায় এবং তিনি আশরাফের একান্ত সহকারী হিসেবে পুরো নেটওয়ার্ক পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
    ভুক্তভোগীদের দাবি, এই চক্রের নির্দেশেই লিবিয়ার বিভিন্ন স্থানে আটক কেন্দ্র পরিচালনা করা হয় এবং সেখান থেকেই পরিবারগুলোর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করা হয়। স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, কথিত এই “আশরাফ-বাহার মানবপাচার মাফিয়া চক্র” দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক পাচার নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থেকে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
    মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, লিবিয়ায় বাংলাদেশিদের ওপর এমন নির্যাতনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা অবিলম্বে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানবপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
    এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও এখন পর্যন্ত তাদের কাছ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।