Author: Masum Ibn Musa

  • আড়াইহাজারে র‍্যাবের অভিযানে ২ পাইপগান ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার!

    আড়াইহাজারে র‍্যাবের অভিযানে ২ পাইপগান ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার!

    সোহান মিয়া, আড়াইহাজার উপজেলা প্রতিনিধি ;

    নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় পরিত্যক্ত একটি ব্যাগ থেকে দুটি পাইপগান, এক রাউন্ড গুলি এবং অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১১।
    সোমবার (৯ মার্চ) রাত প্রায় সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বালিয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব উদ্ধার করা হয়।
    র‍্যাব-১১ সূত্রে জানা যায়, রাত্রীকালীন টহলের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আড়াইহাজার থানার বালিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হামিদের বাড়ির উত্তর পাশে একটি কলাবাগানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে একটি লম্বা আকৃতির সন্দেহজনক ব্যাগ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
    পরে স্থানীয় কয়েকজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে ব্যাগটি তল্লাশি করে এর ভেতর থেকে দুটি পাইপগান, এক রাউন্ড গুলি এবং অস্ত্র তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
    উদ্ধারকৃত আলামত জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আড়াইহাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
    র‍্যাব-১১ জানিয়েছে, অবৈধ অস্ত্র ও মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

  • সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র অভিযানে বিপুল ভারতীয় ট্যাপেন্টান্ডল ট্যাবলেট জব্দ

    সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র অভিযানে বিপুল ভারতীয় ট্যাপেন্টান্ডল ট্যাবলেট জব্দ

    মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টান্ডল ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (৯ মার্চ) রাত ১২টা ৫ মিনিটে ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ মনাকষা বিওপি’র একটি বিশেষ টহলদল শিবগঞ্জ উপজেলার দূর্লভপুর ইউনিয়নের বুগলাউরি ঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় সেখানে থেকে ৩০৫০ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টান্ডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা। জব্দকৃত ট্যাপেন্টান্ডল ট্যাবলেট পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় জমা করা হয়েছে। বিজিবি জানায়, গত তিন মাসে ৫৩ বিজিবি বিভিন্ন অভিযানে একজন আসামিসহ ভারতীয় ২৩২ বোতল ফেন্সিডিল, ৩৮৯ বোতল মদ, ১৫৬৮ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ, ৭৫৫০টি ট্যাপেন্টান্ডল ট্যাবলেট, একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে। জব্দকৃত এসব মালামালের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২২ লাখ টাকা। এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি বলেন, ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি সর্বদা তৎপর রয়েছে। যেকোনো ধরনের চোরাচালান ও অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে।
    তিনি আরও জানান, আসন্ন ঈদ মৌসুমকে সামনে রেখে জ্বালানি চোরাচালানসহ সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধে সীমান্ত এলাকায় এবং নদীপথে অতিরিক্ত টহল ও চেকপোস্ট পরিচালনার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

  • সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য চট্টগ্রামের সলিমপুরজঙ্গল দেড় হাজার যৌথ বাহিনী সদস্যের কম্বো অপারেশন

    সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য চট্টগ্রামের সলিমপুরজঙ্গল দেড় হাজার যৌথ বাহিনী সদস্যের কম্বো অপারেশন

    এম এস শ্রাবন মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টার

    অভিযানের মূল লক্ষ্য চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের বাহিনীর নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া।
    প্রায় ৩০০০ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত দুর্গম এই পাহাড়ী এলাকায় বর্তমানে প্রায় ২০ হাজারের অধিক ঘরবাড়ি ও লক্ষাধিক মানুষের বসবাস।

    ফজরের নামাজের আগেই কঠোর গোপনীয়তায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় দেড় হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের সমন্বয়ে বড় ধরনের যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন।
    রবিবার (৮ মার্চ)২৫ খ্রিঃ
    দিবাগত গভীর রাতে জঙ্গল সলিমপুরের চারদিকের সব প্রবেশপথ ঘিরে ফেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোমবার ভোর থেকে বাহিনীর সদস্যরা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে পাহাড়ি ও ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকার ভেতরে প্রবেশ করে তল্লাশি অভিযান শুরু করেন।
    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে শুরু হওয়া এই অভিযান সোমবার ভোর থেকে শুরু হয়ে মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত চলতে পারে।
    অভিযানের লক্ষ্য হিসেবে সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া, অস্ত্র উদ্ধার এবং চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) প্রায় ৮০০ সদস্য এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের প্রায় ৭০০ সদস্য। এছাড়াও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযানে সহায়তা করছেন।
    রাত প্রায় চারটার দিকে নগরীর আগ্রাবাদ ছোটপুল পুলিশ লাইন্স থেকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য গাড়িবহর নিয়ে জঙ্গল সলিমপুরের উদ্দেশে রওনা হন। একই সময়ে বিভিন্ন স্থান থেকে যৌথবাহিনীর অন্যান্য সদস্যরাও এলাকাটিতে অবস্থান নেন।
    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা প্রথমে এলাকার সব প্রবেশমুখ নিয়ন্ত্রণে নেন।
    পরে ভোরের দিকে ধাপে ধাপে পাহাড়ি বসতিগুলোর দিকে অভিযান পরিচালনা শুরু করা হয়।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র জানায়, অভিযানের প্রধান লক্ষ্য চট্টগ্রাম নগর সহ বৃহত্তর চট্টগ্রামে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের বাহিনীর নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া।
    পাশাপাশি চাঁদাবাজী দখলবাজীর সাথে সম্পৃক্ত চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের পাকড়াও করা। দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপের প্রভাব রয়েছে বলে কথিত আছে।

    এলাকাটিতে সক্রিয় কয়েকটি গ্রুপের মধ্যে রয়েছে ইয়াসিন গ্রুপ, রোকন গ্রুপ ও রিদোয়ান গ্রুপ। এর মধ্যে ইয়াসিন গ্রুপকে সবচেয়ে শক্তিশালী বলে মনে করা হয় এবং এলাকার একটি বড় অংশ তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা।
    এসব গ্রুপের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, জমি দখল, মাদক ব্যবসা, অস্ত্রের অবৈধ বেচাকেনা এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
    চট্টগ্রাম নগরীর খুব কাছাকাছি হলেও জঙ্গল সলিমপুর দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং এলাকা হিসেবে পরিচিত। অনেকেই এলাকাটিকে ‘দেশের ভেতর আরেক দেশ’ কিংবা ‘সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল’ বলে উল্লেখ করেন। এই জনপদে পরিচিত ছাড়া বিনা অনুমতিতে কেউ প্রবেশ করতে পারেনা বলেও প্রচলিত আছে।
    বায়েজিদ লিংক রোডের উত্তর পাশে প্রায় তিন হাজার ১০০ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই এলাকা পাহাড়ি ও দুর্গম।
    বর্তমানে সেখানে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার ঘরবাড়ি রয়েছে এবং বিভিন্ন জেলা থেকে আসা অন্তত এক থেকে দেড় লাখ মানুষের বসবাস।
    অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা বসতি, সরু রাস্তা, পাহাড়ি পথ এবং ঘনবসতির কারণে দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাটিতে নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা অভিযান চালানো কঠিন ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
    গত (১৯ জানুয়ারি) জঙ্গল সলিমপুরে কয়েকজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালাতে গেলে র‍্যাব সদস্যরা হামলার মুখে পড়েন।
    সে-সময় লাঠিসোঁটা হাতে কয়েকশ মানুষ র‍্যাবের দুটি মাইক্রোবাস ধাওয়া করে এবং গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করে। অভিযোগ রয়েছে, র‍্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে প্রকাশ্যে গুলিও চালানো হয়।
    একপর্যায়ে হামলাকারীরা র‍্যাবের কয়েকজন সদস্যকে মারধর করে এবং তাদের অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়। ওই ঘটনায় র‍্যাব–৭ এর উপসহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া নিহত হন এবং আরও তিনজন সদস্য আহত হন।
    র‍্যাবের তথ্যমতে, ওই হামলায় প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ জন অংশ নিয়েছিল।
    ঘটনার পর জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানোর কথা বলা হলেও এত বড় আকারের সমন্বিত অভিযান এবারই প্রথম শুরু হয়েছে।
    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অপরাধ দমন ও স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • খুমেকে জাতীয়তাবাদী চিকিৎসক কর্মকর্তা কর্মচারী দলের ইফতার মাহফিলে মফস্বল প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ

    খুমেকে জাতীয়তাবাদী চিকিৎসক কর্মকর্তা কর্মচারী দলের ইফতার মাহফিলে মফস্বল প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ

    মহিদুল ইসলাম (শাহীন), খুলনা,

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চিকিৎসক ও কর্মকর্তা কর্মচারী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টার সময় হৃদরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাঃ মোস্তফা কামাল এর সভাপতিত্বে মেডিকেল কলেজ হলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন

    খুমেক ড্যাপ এর সাধারণত সম্পাদক ডাঃ আবু জাফর মোঃ সালেহ,প্রাইম হসপিটালের চেয়ারম্যান ডা ডেভিড,খুমেক ডিডি ডাঃ সুজাত আহমেদ, ইউরোলজিস্ট ডাঃ তাজরুল ইসলাম তাজ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাব সভাপতি মহিদুল ইসলাম শাহীন, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম নবী, সাংবাদিক তাজ উদ্দিন টুকু,

    রফিকুল ইসলাম টুকু, বদরুজ্জামান খাকি, মেডিকেল কলেজ পেশ ঈমাম মাওলানা কামাল হোসেন জাফরীসহ মেডিকেল কলেজে ও হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এসময় তিনটি হলরুমে একই সঙ্গে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • বটিয়াঘাটায় জে এম আই গ্যাস কোম্পানি কর্তৃক অবৈধ দখল উচ্ছেদে এসে পিছু হটল পানি উন্নয়ন বোর্ড

    বটিয়াঘাটায় জে এম আই গ্যাস কোম্পানি কর্তৃক অবৈধ দখল উচ্ছেদে এসে পিছু হটল পানি উন্নয়ন বোর্ড

    এইচ এম সাগর (হিরামন), খুলনা :
    খুলনার দাকোপ বটিয়াঘাটা সড়কে অবস্থিত বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩০ নম্বর পোল্ডারের জমি দীর্ঘদিন ধরে দখল করে সেখানে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ করেছে জেএমআই গ্যাস কোম্পানি। দখলের অভিযোগটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নজরে এলে কর্তৃপক্ষ একাধিকবার প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ জারি করে। তবে এসব নোটিশের প্রতি কোন কর্ণপাত করেনি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। পরে বিষয়টি নিয়ে একাধিক বার বৈঠকের পর খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসকের কাছে সীমানা প্রাচীর ও গেট উচ্ছেদের আবেদন জানান। এর আগেও কয়েকবার উচ্ছেদ অভিযান চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা সফল হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনকে ম্যানেজ ও মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে প্রতিবারই উচ্ছেদ অভিযানের হাত থেকে রেহাই পেয়ে যায় কোম্পানিটি। স্থানীয়দের আরো অভিযোগ, সরকারি জমির পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিও দখল করেছে গ্যাস কোম্পানি। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে অভিযোগ দিলেও এখনো পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ৫ই মার্চ ২০২৬ খুলনা জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে উচ্ছেদ অভিযানে যান। উচ্ছেদ অভিযানের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে কোম্পানির সিকিউরিটি গার্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং তাদের ভেতরে প্রবেশে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। কাগজপত্রের জটিলতার কারণে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি বলে জানান জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বটিয়াঘাটা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো : শোয়েব শাত- ঈল -ইভান, খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডি রিফাদ আহমেদ, এসও সাইদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

  • উলিপুরের কয়েকটি এলাকায় ৭ মার্চ ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

    উলিপুরের কয়েকটি এলাকায় ৭ মার্চ ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

    রফিকুল ইসলাম রফিক, স্টাফ রিপোর্টার, কুড়িগ্রাম।

    কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার পৌরসভাসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় আগামী ৭ মার্চ (শনিবার) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত প্রায় ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। উলিপুর-১ উপকেন্দ্রের সোর্স লাইনের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সাময়িকভাবে এ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে।

    কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উলিপুর জোনাল অফিস সূত্রে জানা গেছে, উলিপুর-১ উপকেন্দ্রের আওতাধীন উলিপুর পৌরসভা, ধামশ্রেনী, ধরনীবাড়ী, হাতিয়া, তবকপুর, গুনাইগাছ, থেতরাই, পান্ডুল (আংশিক) ও দলদলিয়া (আংশিক) ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

    উলিপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এটিএম তারিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উলিপুর-১ উপকেন্দ্রের সোর্স লাইনের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে। তবে কাজ শেষ হলে নির্ধারিত সময়ের আগেও যে কোনো সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হতে পারে।

    সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

  • সীতাকুণ্ড ইকোপার্কে শিশু ইরা হত্যা: অভিযুক্ত ঘাতক মাহাবুব গ্রেপ্তার, মামলা হত্যা ধারায় রূপান্তর

    সীতাকুণ্ড ইকোপার্কে শিশু ইরা হত্যা: অভিযুক্ত ঘাতক মাহাবুব গ্রেপ্তার, মামলা হত্যা ধারায় রূপান্তর

    এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

    চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কে গলা কাটা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া দ্বিতীয় শ্রেনীর ছাত্রী ৭ বছর বয়সী শিশু জান্নাতুল নিশা ইরা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। ঘটনার মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
    মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ইরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার চাচা মো. রমিজ।
    গত রবিবার (১ মার্চ) সকালে সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক-এর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গলা কাটা অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করেন চন্দ্রনাথ মন্দির সড়ক সংস্কারকাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা। প্রথমে তাকে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়। রবিবার চমেকে ইরার গলায় অস্ত্রোপচার করা হয়। সোমবার তাকে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) নেওয়া হলে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। পুনরায় ইএনটি ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। ৩ মার্চ মঙ্গলবার ভোরে আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়।।ইরা সীতাকুণ্ডের কুমিরা ইউনিয়নের মাস্টারপাড়া গ্রামের দরিদ্র রিকশাচালক মনিরুল ইসলামের মেয়ে।
    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, স্কুল বন্ধ থাকায় ইরা প্রতিদিনের মতো তার দাদার বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু বাড়ি থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় পাওয়া যায়।

    চিকিৎসকরা জানান, শিশুটির শরীরে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
    ঘটনার দিন ১ মার্চ রবিবার রাতেই শিশুটির মা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানা-য় অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। শিশুটির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হচ্ছে।
    চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মো. রাসেল জানান, “ঘটনার মূল অভিযুক্ত প্রধান আসামী প্রতিবেশী মাহাবুব শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে।”
    ঘটনার পর পর শিশু ইরা কান্ডে দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় উঠে। পুলিশ কোনো ক্লু খুঁজে না পেলেও র‍্যাব-৭ এবং পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় চন্দ্রনাথ ধাম পাহাড়ের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হয়। ফুটেজে দেখা যায়, এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি ইরাকে নিয়ে চন্দ্রনাথ ধামের দিকে যাচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা ওই ব্যক্তিকে তাদের প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া মাহবুব (৫০) হিসেবে শনাক্ত করেন। পরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
    সীতাকুণ্ড থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে খুনিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপরাধীকে উপযুক্ত সাজা প্রদানের লক্ষে আদালতে পাঠানো হবে বলে তিনি জানান।
    ইরার চাচা আজিজ বলেন,
    “সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকেও সে ইশারায় আমাদের সঙ্গে কথা বলছিল। পরে রাত আড়াইটার দিকে তার অবস্থার অবনতি হয়। সে ইশারায় পানি ও খাবার চাইছিল, কিন্তু চিকিৎসকদের নিষেধ থাকায় কিছু দিতে পারিনি।” পরিবারের দাবি, মৃত্যুর আগে শিশুটি ইশারায় একটি নাম বোঝানোর চেষ্টা করেছিল।
    নৃশংস এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। শিশু ইরাকে হত্যা চেষ্টার পর দুর্গম পাহাড় থেকে উদ্ধার, চিকিৎসা, মামলা দায়ের, মৃত্যুর ঘটনা এবং প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে মামলাটি এখন পূর্ণাঙ্গ হত্যা মামলায় রূপ নিচ্ছে।

  • সাবেক এমপি জোয়াহেরের দ্বিতীয় জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

    সাবেক এমপি জোয়াহেরের দ্বিতীয় জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

    আব্দুল্লাহ আল মামুন পিন্টু,টাঙ্গাইলঃ

    টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের (ভিপি জোয়াহের) দ্বিতীয় জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। এর আগে সোমবার (২ মার্চ) দুপুর ১২টায় টাঙ্গাইল জেলা সদর হেলিপ্যাডে প্রথম জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে কোর্ট বিল্ডিং মসজিদের পেশ ইমাম মওলানা হাফিজুর রহমান প্রথম জানাজা নামাজে ইমামতি করেন। এরপর বেলা ৩টায় সখীপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের বেরবাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা শেষে স্থানীয় সামাজিক গোরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়।
    জানা যায়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) জোয়াহেরুল ইসলামের(ভিপি জোয়াহের) মরদেহ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে টাঙ্গাইলে এসে পৌছায় সোমবার (২ মার্চ) ভোরে। রোববার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মরদেহ বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে আনা হয় বলে জানান বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ মোর্তজা। রাতে বেনাপোল-পেট্রোপোল শূন্যরেখায় তার মরদেহ ভারতীয় অ্যাম্বুলেন্স থেকে বাংলাদেশি একটি ফ্রিজিং লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে তুলে নেওয়া হয়। পরে সেই ফ্রিজিং লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে করে টাঙ্গাইল শহরের ছোট কালিবাড়ী এলাকায় নিজ বাসভবনে আনা হয়। সেখানে থেকে জেলা সদর হেলিপ্যাডে বেলা ১২টায় প্রথম জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
    সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলামের ছোট ভাই আতোয়ার রহমান জানান, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ২০ মিনিটে ভারতের কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে দমদমের ফিনিক্স মেডিক্যাল সেন্টার নামে হাসপাতালে এক সপ্তাহের বেশি সময় ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন সাবেক এমপি জোয়াহের। মৃত্যুর তিন দিন আগে থেকে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। তিনি বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মাল্টি অর্গান ফেইলিওর ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। মৃত্যুর সময় তার পাশে স্ত্রী ও মেয়ে উপস্থিত ছিলেন। অসুস্থতার খবর পেয়ে তার মেয়ে ও স্ত্রী মেডিকেল ভিসায় কলকাতায় যান। সরকারের অনুমতি পেয়ে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়ার পর তার মরদেহ দেশে আনা হয়।
    মরহুমের জানাজা নামাজে অংশ নেন, কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম, কেন্দ্রীয় সদস্য ও কালিহাতী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইলের সাবেক পিপি এস আকবর খান, টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির সভাপতি মোনায়েম হোসেন খান আলম, সাধারণ সম্পাদক সাদিউর রহমান স্বপন, সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আলো, আইয়ুব আলী, শামীমুল আক্তার শামীম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহান শাহ সিদ্দিকী মিন্টু, মহসিন সিকদার, শামসুদ্দিন শামস, গণসঙ্গীত শিল্পী এলেন মল্লিক, টাঙ্গাইল জেলা সিপিবি’র সভাপতি নাছিমুল আক্তার সেলিম, সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলামের ছোট ভাই আতোয়ার রহমান, সখীপুরের গজারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন সখীপুরী, অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান খান হুমায়ুনসহ সখীপুর ও বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
    প্রকাশ, জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের পেশায় টাঙ্গাইল আদালতের একজন আইনজীবী ছিলেন। তিনি টাঙ্গাইলের করটিয়া সরকারি সা’দত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের দু’বারের নির্বাচিত ভিপি এবং টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি ভিপি জোয়াহের নামেও পরিচিত ছিলেন। বিগত ২০১৭ সালে তিনি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। বিগত ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিগত ২০২৪ সালের (৫ আগস্ট) এর পর তিনি ভারতে যান এবং কলকাতায় বসবাস শুরু করেন। তার বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক মামলা রয়েছে।

  • পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানে কঠোর হুঁশিয়ারি

    পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানে কঠোর হুঁশিয়ারি

    এম এস শ্রাবন মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টার

    পার্বত্য মন্ত্রী উচ্চারণ করে বলেছেন, পরিবেশ ধ্বংস করে বা পাহাড় কেটে কোনো ধরনের রিসোর্ট বা পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ বরদাশত করা হবে না। তিনি স্পষ্ট জানান, পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করে পর্যটন শিল্পের বিকাশ সরকার সমর্থন করে না, বরং পাহাড়ের পরিবেশ রক্ষা করে পরিবেশবান্ধব বা ‘ইকো-ট্যুরিজম’ গড়ে তোলাই লক্ষ্য হওয়া উচিত। (মঙ্গলবার)(৩মার্চ)২৬ খ্রি: সকাল ১০ঃ০০ ঘটিকায় সময়  রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে পরিষদের কর্মকর্তাদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হলো স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত। তিনি বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন যতটুকু প্রয়োজন তা ইতিমধ্যে হয়েছে, তবে যেখানে একান্ত জরুরি সেখানে কাজ চলবে।
    তিনি সকল দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অনেক ক্ষেত্রে দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা যায়, যা কাজের গতি কমিয়ে দেয়।
    তাই প্রতিটি উন্নয়ন কাজে পার্বত্য জেলা পরিষদের সাথে সমন্বয় বজায় রাখা এবং নিয়মিত মনিটরিং করা আবশ্যক।
    প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরো হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, উন্নয়নের নামে কেবল প্রজেক্ট তৈরি করে অর্থ অপচয় করার সুযোগ আর থাকবে না।
    যেখানে প্রয়োজন নেই সেখানে প্রকল্প নেওয়া যাবে না। প্রতিটি কাজের যথাযথ তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, জেলা পরিষদের কাজের মাধ্যমেই জেলার উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে, তাই সেবার নামে কোনো প্রকার অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।
    সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা পাহাড়ি অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি ও দুর্গমতার বিষয়টি তুলে ধরেন।
    তারা জানান, সমতলের তুলনায় পাহাড়ে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ অনেক বেশি, তাই দরপত্রের (টেন্ডার) সিডিউল রেট সমতলের মতো হওয়া যৌক্তিক নয়। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ এবং কাপ্তাই লেকের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নসহ ইকো-ট্যুরিজম, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে মন্ত্রীর বিশেষ সহযোগিতা কামনা করা হয়।

    রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য প্রতুল চন্দ্র দেওয়ান, বরুন বিকাশ দেওয়ান, হাবিব আজম, মিনহাজ মুরশিদ, নাইউপ্রু মারমা, সাগরিকা রোয়াজা, বৈশালী চাকমা ও দয়াল দাশ প্রমুখ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক পৃথক  অভিযানে  মাদকসহ আটক ৫,  উভয়কে কারাদণ্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক পৃথক অভিযানে মাদকসহ আটক ৫, উভয়কে কারাদণ্ড

    মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্তৃক পরিচালিত পৃথক অভিযানে ৪ জন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ ২০২৬ খ্রি.) বিকাল ৩:০০ ঘটিকায় জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কয়লাবাড়ি, কানসাট বাজার ও পিরোজপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। আটককৃতরা হলেন—কয়লাবাড়ী গ্রামের মৃত রফিকের ছেলে মোঃ জেমারুল ওরফে জেম (৩৬), কানসাট বাজারের মোঃ রবুর ছেলে মোঃ সুহেল (৩৪), কানসাট বাজারের মোঃ রবুর ছেলে মোঃ মুরুজ আলী (২৬), পিরোজপুর গ্রামের মৃত হানিফ মন্ডলের মেয়ে মোসা: ইরিনা বেগম (২০)। সকলের থানা: শিবগঞ্জ, জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ। অভিযানে তাদের কাছ থেকে সর্বমোট ৫২ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পৃথকভাবে উদ্ধারকৃত আলামত হিসেবে ৫২ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেন । অপরদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন কানসাট শিকারপুর গ্রামস্থ এলাকা। আসামীর হচ্ছে শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট শিকারপুর গ্রামের মোঃ রবু আলীর স্ত্রী মোসাঃ ছবি আরা বেগম (৫৫), উদ্ধারকৃত হেরোইনের পরিমাণ ০৫ গ্রাম।আসামীর বিরুদ্ধে উপ পরিদর্শক মো: মুস্তাফিজুর রহমান মামলার বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করে। এই ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান প্রসিকিউশন দাখিল করেন। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌফিক আজিজ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় আসামিকে ১৬ (ষোল) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং চতুর্থ আসামিকে ০২ (দুই) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০০ (একশত) টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।