Author: Masum Ibn Musa

  • চট্টগ্রামে নির্বাচনী দায়িত্ব শেষে ফেরার পথে বাস দুর্ঘটনা: আনসার সদস্য নিহত, আহত বহু।

    চট্টগ্রামে নির্বাচনী দায়িত্ব শেষে ফেরার পথে বাস দুর্ঘটনা: আনসার সদস্য নিহত, আহত বহু।

    মো: সেলিম রানা

    চট্টগ্রাম, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৬: নির্বাচনী দায়িত্ব শেষে ফেরার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী-এর এক অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিহত হয়েছেন।
    আজ ভোররাত আনুমানিক ১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর কর্ণফুলী টানেল সড়কের চৌরাস্তামোড় অতিক্রম করার সময় ২৩ জন সদস্য বহনকারী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের রেলিংয়ে উঠে উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই আনসার সদস্য মোঃ আব্দুল জব্বার নিহত হন।
    দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম বিএনএস হাসপাতাল-এর আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে এবং আরও সাতজন এইচডিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
    নিহত আব্দুল জব্বারের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলাতে। তিনি পতেঙ্গায় অবস্থিত মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড-এ কর্মরত ছিলেন।
    ঘটনায় বাহিনীতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ নিহত সদস্যের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। পাশাপাশি আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।
    উল্লেখ্য, গতকাল সারাদেশে নির্বাচনী দায়িত্বে বাহিনীর ৫ লাখ ৭৬ হাজারেরও বেশি সদস্য নিয়োজিত ছিলেন। বিপুল সংখ্যক সদস্যকে নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া এবং দায়িত্ব শেষে ফেরত আনা ছিল বড় চ্যালেঞ্জিং দায়িত্ব। দেশের অন্য কোথাও বড় ধরনের দুর্ঘটনার খবর না পাওয়া গেলেও চট্টগ্রামের এই মর্মান্তিক ঘটনা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে।
    বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি পরিবার নিহত সদস্যের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে। একই সঙ্গে আহত সকল আনসার সদস্যের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়েছে।

  • দৌলতপুরে নির্বাচনী মাঠে বিএনপির মহিলা দল: সালমা বেগমের নেতৃত্বে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বকুলের পক্ষে গণসংযোগ

    দৌলতপুরে নির্বাচনী মাঠে বিএনপির মহিলা দল: সালমা বেগমের নেতৃত্বে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বকুলের পক্ষে গণসংযোগ

    মোঃ শাহ নেওয়াজ, ডেক্স রিপোর্ট, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

    দৌলতপুর থানা জাতীয়তাবাদী বিএনপির মহিলা দলের সম্মানিত আহবায়ক সালমা বেগমের নেতৃত্বে তারেক রহমানের মনোনয়নকৃত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো হয়েছে।

    সোমবার ০৮-০২-২০২৬ ইং তারিখে দৌলতপুর থানার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এ প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মহিলা দলের নেত্রী ও কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারমূলক পরিকল্পনা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের বার্তা তুলে ধরেন।

    প্রচারণাকালে মহিলা দলের আহবায়ক সালমা বেগম বলেন,
    “দেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ঐক্যবদ্ধ।

    তার মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল একজন পরীক্ষিত ও জনবান্ধব নেতা। সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি।”

    স্থানীয় নারী ভোটারদের মধ্যে এ সময় ব্যাপক উৎসাহ ও সাড়া লক্ষ্য করা যায়। তারা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটের মাধ্যমে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

    উল্লেখ্য, দৌলতপুর থানার বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিএনপির নেতাকর্মীরা ধারাবাহিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

  • নাশকতা রুখতে কালিহাতীতে যৌথ বাহিনীর মহড়া

    নাশকতা রুখতে কালিহাতীতে যৌথ বাহিনীর মহড়া

    শরিফুল ইসলাম টাঙ্গাইল

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ রাখতে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় কালিহাতী ফাতেমা হালিম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে মহড়াটি শুরু হয়ে সাতুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়। উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ মহড়ায় অংশ নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব ও বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)।

    মহড়ায় নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন সাকিব। এ সময় কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জে ও এম তৌফিক আজমসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    মহড়ার অংশ হিসেবে সশস্ত্র টহল,
    জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে নিরাপত্তা ও আস্থার বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়। নির্বাচনী সময়ে যেকোনো ধরনের নাশকতা, সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধই ছিল যৌথ বাহিনীর মূল লক্ষ্য।

    এ বিষয়ে যৌথ বাহিনীর পক্ষে কালিহাতী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সায়েদা খানম লিজা জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নাশকতা, সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে যৌথ বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, প্রতিটি নাগরিক যেন নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে যেকোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড নজরে এলে নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানান তিনি।

  • মাগুরায় পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি পিস্তল উদ্ধার

    মাগুরায় পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি পিস্তল উদ্ধার

    মোঃ জুয়েল রানা মাগুরা

    মাগুরা সদর থানা পুলিশ ও র‍্যাবের (RAB) এক যৌথ অভিযানে দুটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। অদ্য ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত ০১:৪৫ ঘটিকায় সদর থানাধীন রাউতাড়া গ্রাম থেকে এই অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাগুরা সদর থানা পুলিশ ও র‍্যাবের একটি চৌকস দল রাউতাড়া গ্রামস্থ মৃত প্রদ্যুত কুমারের পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। উল্লেখ্য যে, বাড়ির মালিক প্রায় ৫০ বছর আগে মারা যাওয়ায় বাড়িটি দীর্ঘকাল ধরে পরিত্যক্ত এবং ঝোপজঙ্গলে আবৃত ছিল। তল্লাশিকালে উক্ত জঙ্গলের ভেতর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ০২টি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে একটি পিস্তলের সাথে ম্যাগাজিন সংযুক্ত ছিল এবং অপরটি ম্যাগাজিন বিহীন।

    অভিযান পরিচালনাকারী অফিসার এসআই মোঃ হাফিজুর রহমান পিস্তল দুটি জব্দ করেন। অভিযানে কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব না হলেও অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মাগুরা সদর থানায় একটি মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

  • পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিরপেক্ষ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করাই লক্ষ্য — ওসি কামরাঙ্গীরচর

    পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিরপেক্ষ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করাই লক্ষ্য — ওসি কামরাঙ্গীরচর

    নিজস্ব প্রতিনিধি, মোঃ আনোয়ার হোসেন। ঢাকা:

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কামরাঙ্গীরচর থানা এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
    রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে কামরাঙ্গীরচর থানার উদ্যোগে এই বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু হয়। অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম ফারুকের সরাসরি নেতৃত্বে থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাড়ানো হয়েছে টহল কার্যক্রম, নজরদারি এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রস্তুতি।
    এ কার্যক্রমে ইন্সপেক্টর শেখ লুৎফর রহমান (তদন্ত), ইন্সপেক্টর আমিনুল ইসলাম (অপারেশন) এবং পুলিশ ইন্সপেক্টর তরিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা সার্বিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিশেষ নজরদারি ও মোবিলাইজেশন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
    অফিসার ইনচার্জ গোলাম ফারুক বলেন, পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিরপেক্ষ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের স্বার্থে কামরাঙ্গীরচরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

  • ভুয়া সাংবাদিকতার আগ্রাসন: নীরব থাকলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না

    ভুয়া সাংবাদিকতার আগ্রাসন: নীরব থাকলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না

    মোঃ আইনুল ইসলাম, প্রতিক্রিয়া প্রতিবেদন, গ্লোবাল সাংবাদিক ফোরামের একজন সদস্যের কণ্ঠে:

    সাংবাদিকতা কোনো পদবি নয়, কোনো পরিচয়পত্রের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ব্যবসাও নয়—
    সাংবাদিকতা একটি নৈতিক দায়িত্ব, একটি জাতির বিবেক।
    আজ যখন দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও প্রান্তিক অঞ্চলে নামে–বেনামে গড়ে উঠছে তথাকথিত সাংবাদিক ক্লাব ও সংগঠন, তখন প্রকৃত সাংবাদিকতার অস্তিত্বই প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

    কোনো বৈধ গণমাধ্যমের সঙ্গে সম্পর্ক না থাকা, অনুমোদনহীন ও অযোগ্য ব্যক্তিরা সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও প্রভাব বিস্তারে লিপ্ত—এটি শুধু পেশার অপমান নয়, এটি জাতির সঙ্গে প্রতারণা।

    সিনিয়র সাংবাদিক ও গ্লোবাল সাংবাদিক ফোরামের সম্মানিত গ্রুপ এডমিন যে সাহসী ও সময়োপযোগী বার্তা দিয়েছেন, তা প্রকৃত সাংবাদিকদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও যন্ত্রণার প্রতিধ্বনি।

    এই বক্তব্য শুধু অভিযোগ নয়—এটি একটি সতর্ক সংকেত। আজ বাস্তবতা হলো— প্রেস কার্ডধারী, নিয়োগপত্রপ্রাপ্ত, জাতীয় ও নিবন্ধিত গণমাধ্যমে কর্মরত প্রকৃত সাংবাদিকরা উপেক্ষিত।

    আর ভুয়া ক্লাবের দৌরাত্ম্যে তারা সংবাদ সংগ্রহে বাধাগ্রস্ত, হুমকির মুখে, অপমানিত। এর সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হলো— এর ফলে গণমাধ্যমের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা ভেঙে পড়ছে।

    যে সাংবাদিকতা ছিল জনগণের পক্ষে দাঁড়ানোর শক্তি, আজ তা কিছু অসাধু ব্যক্তির হাতিয়ারে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে। একজন গ্লোবাল সাংবাদিক ফোরামের সদস্য হিসেবে আমি দৃঢ় কণ্ঠে বলতে চাই—

    🔴 সাংবাদিক পরিচয় যাচাই এখন আর দাবি নয়, এটি সময়ের অনিবার্য প্রয়োজন।

    🔴 ভুয়া সাংবাদিক ক্লাব ও অনুমোদনহীন সংগঠন নিষিদ্ধ না হলে প্রকৃত সাংবাদিকতা রক্ষা পাবে না।

    🔴 নিউজের নামে চাঁদাবাজি ও প্রতারণার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে অপরাধ আরও বাড়বে।

    আজ প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহলের নীরবতা ভুয়া সাংবাদিকদের সাহস জোগাচ্ছে—এই সত্য অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আজ নীরব থাকলে আগামীকাল সাংবাদিকতা নামক পেশাটিই প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

    গ্লোবাল সাংবাদিক ফোরামের এই অবস্থান আমাদের আশার আলো দেখায়। এই ফোরাম যদি ঐক্যবদ্ধভাবে প্রকৃত সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ায়, তবে ভুয়া সাংবাদিকতার মুখোশ খুলে পড়বেই—ইনশাআল্লাহ।

    ✊ প্রকৃত সাংবাদিকতা বাঁচাতে হলে এখনই রুখে দাঁড়াতে হবে।
    ✊ সত্যের পক্ষে, ন্যায়ের পক্ষে—এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।

    কারণ, 👉 সাংবাদিকতা বেঁচে থাকলে গণতন্ত্র বাঁচবে,
    👉 আর গণতন্ত্র বাঁচলে রাষ্ট্র বাঁচবে।

  • সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে মাদক ব্যাবসায়ি ও নির্বাচনী সহিংসতার অভিযোগে এইচ এম শাকিল গ্রেফতার

    সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে মাদক ব্যাবসায়ি ও নির্বাচনী সহিংসতার অভিযোগে এইচ এম শাকিল গ্রেফতার

    পিরোজপুর নেছারাবাদ উপজেলার সেহাংগল গ্রামের নির্বাচনী সহিংসতার অভিযোগে ও মাদক ব্যাবসায়ি, নেছারাবাদ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, এইচ এম শাকিল হোসেন (৪৩) দীর্ঘ দিন ধরে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত, এলাকায় যুবসমাজ আজ ধ্বংসের মুখে।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাটি ইউনিয়নের সেহাংগল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মাদক ব্যাবসায়ি এইচ এম শাকিল আহমেদ (৪৩) কে যৌথ বাহিনী গ্রেফতার করেন।

    এইচ এম শাকিল হোসেন, তিনি সেহাংগল গ্রামের এডভোকেট মরহুম আব্দুল মান্নান হাওলাদারের পুত্র ও সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার সোহেল পারভেজ এর ছোট ভাই, তাঁর প্রভাব বিস্তার করে এলাকার সাধারণ মানুষ আজ আতঙ্কিত ও তাদের ভয়ে নিরব।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, তিনি বিভিন্ন সময়ে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা স্বতন্ত্র প্রার্থী ‘ মাহমুদ হোসেন এর সমর্থকদের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় বাধা প্রদান করেন । এ সময় ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারার ঘটনা ঘটে। ফলে ভুক্তভোগীদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হয়ে যায় ও বাড়ি ঘরে থাকতে দিবেনা বলে হুমকি দেয়, ও স্বতন্ত্র প্রার্থী’র ঘোড়া মার্কা ব্যানার
    ফেস্টুন ছিরে ফেলে।

    নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, থানায় তার বিরুদ্ধে পূর্বে অনেক মামলা ছিলো, ও নির্বাচনী সহিংসতার ও মাদক অভিযোগে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরবর্তীতে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • সালথায়  সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়ার হুমকি অভিযোগ দায়ের

    সালথায় সাংবাদিকের হাত-পা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়ার হুমকি অভিযোগ দায়ের

    মোঃ ইলিয়াছ খান স্টপ রিপোর্টার দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি:

    ফরিদপুরে সালথায় নিজ বাড়ি থেকে সংবাদ সংগ্রহ কাজে যাওয়ার পথে মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩০) নামে এক সাংবাদিক কে প্রেরণনাশকের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। গতকাল রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে সালথা উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের রামকান্তপুর-বাহিরেদিয়া দেশের বাড়ি তিন রাস্তার মোড়ে এই ঘটনার ঘটে । হুমকির ঘটনায় উপজেলা সহকারী চিটারিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।

    সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম সালথা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সমকাল পত্রিকার সালথা প্রতিনিধি। তিনি আটঘর ইউনিয়নের বিভাগদী গ্রামের মোঃ আলতাফ শেখের ছেলে। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয় (৮ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ সংগ্রহ করার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বিবাগদী গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে সালথা বাজারে যা ছিলেন সাংবাদিক সাইফুল। পথে রামকান্তপুর ইউনিয়নের রামকান্তপুর বাহিরেদিয়া দেশের বাড়ি তিন রাস্তার মোড় এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জন যুবক তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। পরে তাকে ঘেরাও করে ওই যুবকরা নানা ধরনের হুমকি দেন তারা প্রশ্ন তোলে বলেন, তুই শুধু শামা ওবায়েদ নিউজ করিস কেন, উত্তরের সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম বলেন, গতকাল এলাকায় তিনি ছিলেন না। তাছাড়া ওই মিটিং সম্পর্কে অবগত ছিলাম না। এরপর অভিযুক্ত যুবক বলেন, গতকাল বুড়িদিয়া বাজারে রিক্সা মার্কার প্রার্থী মাওলানা আকরাম আলী ওরফে দলা হুজুরের পক্ষের লোকদের উপর বিএনপি প্রার্থী শামা ওবায়েদ সমর্থকরা আমলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে সংবাদ করিস নি কেন। বাহিরে জিয়া একটি ঘটনায় শামা ওবায়েদ অভিযোগ করেছিল, খেয়ে নিয়োগ করেছিলিস তোর মা হয় নাকি , অথচ হুজুরের নিউজটা করলি না কেন। পরে উত্তেজিত ওই যুবক বলেন, ১২ তারিখের পর তোর হাড্ডিগুড্ডি ভেঙ্গে দিয়ে সাংবাদিকতা শিখানো হবে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি একজন পেশাদার সাংবাদিক। সব সময় চেষ্টা করি নিরপেক্ষ ভাবে সংবাদ প্রকাশ করার জন্য। কিন্তু সংবাদ প্রকাশ করে যদি এভাবে হুমকির মুখে পড়তে হয়। তাহলে তা শুধু আমার জন্য নয়, পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য উদ্বেগ জনক। এমন অবস্থায় আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
    এ বিষয়ে ফরিদপুর-২ আসনের ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী আল্লামা শাহ্ আকরাম আলী বলেন, আমি নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত রয়েছি। কারা এই হুমকি দিয়েছে, তা আমি জানি না। আমাকে হেয় পূর্ণ করতে কেউ এ ঘটনা ঘটিয়েছে কি না। তা খোঁজখবর নিচ্ছি। এটা দুঃখজনক ঘটনা। সাংবাদিকরা তাদের কাজ করবে, এখানে হুমকি কেন দেওয়া হবে।

    সালথা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম নাহিদ হুমকির ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সাংবাদিক সাইফুলকে হুমকি দেওয়া যুবকদের যদি দ্রুত শনাক্ত করা না হয়, তাহলে আমরা আন্দোলনে যাবো। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই এবং হুমকি দাতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই। এভাবে নিরাপত্তাহীনতায় সাংবাদিকতা করা সম্ভব না। আমরা এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

    সালথা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সালথা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিক সাইফুলকে হুমকি বিষয় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো হবে।

  • বটিয়াঘাটায় দুই শতাধিক মানুষের জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান

    বটিয়াঘাটায় দুই শতাধিক মানুষের জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান

    হিরামন সাগর
    খুলনা জেলা প্রতিনিধি

    খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছে। উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের হেতালবুনিয়া পূর্বপাড়ায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রায় দুই শতাধিক সমর্থক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় হেতালবুনিয়া পূর্বপাড়া নির্বাচন পরিচালনা অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বটিয়াঘাটা উপজেলার ২নং ইউনিয়ন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ গাজী। এ সময় দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। নবাগত সদস্যরা জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দলে যোগদান করেন এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-১ (দাকোপ–বটিয়াঘাটা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠান শেষে হেতালবুনিয়া পূর্বপাড়া জামায়াতে ইসলামীর নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মোহাম্মদ আলী গাজী, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ সাজ্জাদ মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াসিন হাওলাদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মজিবর, বাইতুল মাল সম্পাদক ইব্রাহিম তালুকদার এবং সহকারী বাইতুল মাল সম্পাদক হিসেবে হেদায়েতকে মনোনীত করা হয়। এছাড়া কার্যকরী ও সাধারণ সদস্য হিসেবে হেদায়েত মোল্লঙ্গী, মোহাম্মদ সালাম হোসেন, মোহাম্মদ ছালাম হোসেন, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, মোহাম্মদ শেখ, মোহাম্মদ আলমগীর শেখ, মোহাম্মদ মিজান, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ শেখসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ##

  • “সুখে ডুবে থাকা চোখ কি দুঃখের গভীরতা দেখতে পায়?”

    “সুখে ডুবে থাকা চোখ কি দুঃখের গভীরতা দেখতে পায়?”

    মোঃ আইনুল ইসলাম, বিভাগীয় সম্পাদক, দুর্নীতি চালাস নিউজ টিভি।

    বিশেষ ফিচার প্রতিবেদন:
    সুখের সাগরে ডুবে থাকা মানুষের কাছে দুঃখ অনেক সময় কেবল একটি শব্দ। আর দুঃখের সাগরে ডুবে বড় হওয়া মানুষের কাছে দুঃখ—একটি বাস্তবতা, একটি ইতিহাস, একটি নীরব যুদ্ধ।

    যিনি কখনো অভাবের তীব্র ক্ষুধা অনুভব করেননি, তিনি ক্ষুধার কষ্টের সংজ্ঞা জানেন—কিন্তু তার গভীরতা বোঝেন না। যিনি কখনো অপমানের ভারে মাথা নিচু করেননি, তিনি অপমান শব্দটি শুনেছেন—কিন্তু তার যন্ত্রণা অনুভব করেননি। এটাই বাস্তবতা। এটাই জীবনের নির্মম সত্য।

    দুঃখ মানুষকে ভেঙে দেয় না, মানুষকে গড়ে তোলে, যারা দুঃখের সাগরে ডুবে বড় হয়েছেন, তারা ছোটবেলা থেকেই শিখে যান—
    কিভাবে নীরবে কষ্ট সহ্য করতে হয়, কিভাবে না পেয়েও কৃতজ্ঞ থাকতে হয়, কিভাবে নিজের দুঃখ গিলে অন্যের কষ্ট বুঝতে হয়।
    দুঃখ মানুষকে সংবেদনশীল করে।
    দুঃখ মানুষকে মানুষ চিনতে শেখায়।

    দুঃখ মানুষকে অহংকার থেকে দূরে রাখে। এই মানুষগুলোই সমাজে সবচেয়ে বেশি সহানুভূতিশীল। কারণ তারা জানে— একটু অবহেলা কত বড় ক্ষত তৈরি করতে পারে, একটু সাহায্য কত বড় আশ্রয় হয়ে উঠতে পারে।

    সুখ কি মানুষকে অমানবিক করে তোলে? সুখ নিজে কোনো অপরাধ নয়। কিন্তু সুখে ডুবে থাকা যদি মানুষকে অন্ধ করে তোলে—তাহলে সেটাই বিপদ। যারা সুখের সাগরে বড় হয়েছেন, অনেক সময় তারা দুঃখকে দেখেন দূর থেকে।

    তাদের চোখে দুঃখ “অন্যের সমস্যা”, তাদের কানে কষ্ট “অতিরঞ্জন”, তাদের বিবেকে অসহায়ত্ব “অযোগ্যতা”।

    এখানেই প্রশ্ন উঠে—
    যে মানুষ নিজে কষ্ট পায়নি, সে কি অন্যের কষ্ট বুঝতে পারে? সবাই পারে না— কিন্তু যে চায়, সে পারে।
    কারণ দুঃখ বোঝার জন্য শুধু অভিজ্ঞতা নয়, দরকার বিবেক।

    সমাজের সবচেয়ে বড় বৈষম্য: অনুভূতির বৈষম্য আমরা অর্থনৈতিক বৈষম্যের কথা বলি, সামাজিক বৈষম্যের কথা বলি—
    কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর বৈষম্য হলো অনুভূতির বৈষম্য।

    একজন মানুষ কাঁদছে, আরেকজন বলছে— “এটা তো তেমন কিছু না।”
    এই কথাটাই প্রমাণ করে—
    দুঃখের সাগর আর সুখের সাগরের মাঝখানে কতটা দূরত্ব। দুঃখকে বোঝা শেখা—মানুষ হওয়ার শর্ত
    যারা দুঃখের সাগরে ডুবে বড় হয়েছেন, তারা সবাই মহান নন।

    আর যারা সুখের সাগরে বড় হয়েছেন, তারা সবাই নিষ্ঠুরও নন।
    পার্থক্যটা তৈরি হয় চিন্তায়।
    আপনি যদি নিজের সুখের ভেতর থেকেও অন্যের কষ্ট দেখার চেষ্টা করেন— তাহলে আপনি মানুষ।

    আর যদি নিজের সুখের দেয়াল দিয়ে সব দুঃখ ঠেকিয়ে দেন—
    তাহলে আপনি কেবল স্বচ্ছল, মানুষ নন। শেষ কথা
    দুঃখ মানুষকে চিনতে শেখায়।
    সুখ মানুষকে পরীক্ষা করে।
    যে মানুষ দুঃখ পেয়েও মানবিক থাকে—সে পরিণত মানুষ।
    আর যে মানুষ সুখে থেকেও দুঃখ বুঝতে শেখে— সে-ই প্রকৃত অর্থে সভ্য।