Blog

  • নীলফামারীর জলঢাকায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬-এ শ্রেষ্ঠ শিক্ষক সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত আতাউল বারী আপেল

    নীলফামারীর জলঢাকায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬-এ শ্রেষ্ঠ শিক্ষক সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত আতাউল বারী আপেল

    মোঃ আল আমিন ইসলাম নীলফামারী প্রতিনিধি:

     

     

     

    নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় “প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬” উপলক্ষে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শিক্ষিকা, বিদ্যালয়, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নাম ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

    এতে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক (পুরুষ) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আতাউল বারী আপেল। তিনি জলঢাকা উপজেলার শৌলমারী ইসাতুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগেও তিনি প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৩, জলঢাকা উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

    উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদান, পাঠদানে দক্ষতা, শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিকতা ও সৃজনশীল কার্যক্রমে ভূমিকার জন্য তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

    তার এই অর্জনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের মাঝে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে। অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, তার এ সাফল্য অন্যান্য শিক্ষকদেরও অনুপ্রাণিত করবে।

    এছাড়াও তিনি আইনি সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা উপদেষ্টা হিসেবে অনেক সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে প্রশংসার দাবিদার হয়েছেন। এবং সব সময় নির্যাতিত, নিপীড়িত জনগণদের পাশেই রয়েছেন।

  • বাঁশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক ও জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে বড় সফলতা : আটক ১৩

    বাঁশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক ও জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে বড় সফলতা : আটক ১৩

    রিপোর্টার : মোনতাহেরুল হক আমিন : বাঁশখালী প্রতিনিধি

    বাঁশখালী থানা এলাকায় মাদক, জুয়া ও অনলাইন জুয়া দমনে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ১৩ জনকে আটক করেছে বাঁশখালী থানা পুলিশ। আটককৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

    অদ্য ২২/০৫/২০২৬ খ্রি. তারিখ বিকাল ০৫:০০ ঘটিকা হতে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ রবিউল হক এর নেতৃত্বে বাঁশখালী থানার অফিসার-ফোর্সের সমন্বয়ে মোটরসাইকেলযোগে অত্র থানাধীন চাম্বল ও শীলকূপ ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা, বাজার, জনবহুল স্থান এবং অপরাধপ্রবণ পয়েন্টে একযোগে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। একই সময়ে রামদাস মুন্সীরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি চৌকস পুলিশ টিম তাদের দায়িত্বাধীন এলাকায় সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে।

    চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানা এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদক, জুয়া ও অনলাইন জুয়া নির্মূলের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশের এই অভিযানের সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।

    পুলিশের গোয়েন্দা তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই সাঁড়াশি অভিযানে মাদক সেবনকারী, মাদক ব্যবসায়ী, অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িত ব্যক্তি এবং প্রকাশ্যে জুয়া খেলায় সম্পৃক্ত মোট ১৩ (তের) জন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের নিকট হতে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয় এবং অনলাইন জুয়া ও জুয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়।

    অভিযান চলাকালে পুলিশের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপে অপরাধীদের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। স্থানীয় জনসাধারণ পুলিশের এমন কঠোর ও তাৎক্ষণিক অভিযানের প্রশংসা করেন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বাঁশখালী থানা পুলিশের ভূমিকার প্রতি সন্তোষ প্রকাশ ও ভূয়সী প্রসংসা করেন।

    গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেনঃ
    ১। মোঃ আজিজ (২০), পিতা- আবুল কাশেম, সাং- জালিয়াঘাটা বাজার, ৯নং ওয়ার্ড, শীলকূপ ইউপি, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০৩ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (মাদক)।
    ২। নুরুল আমিন (৪৪), পিতা- মৃত খুইল্যা মিয়া, সাং- মাইঝপাড়া, ৬নং ওয়ার্ড, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০৬ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (মাদক)।
    ৩। মোঃ আব্দুল কাদের (৪২), পিতা- মৃত আব্দুল মজিদ, সাং- মিঠাপাড়া, উত্তর চাম্বল, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০৩ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (মাদক)।
    ৪। মোঃ আবুল বশর (২৯), পিতা- মোঃ নুরুচ্ছফা, সাং- মাইঝপাড়া, ৬নং ওয়ার্ড, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০৬ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (মাদক)।
    ৫। মোঃ ছাবের আহমদ (৩৪), পিতা- মৃত মোঃ ইউসুফ, সাং- জালিয়াঘাটা বাজার, ৯নং ওয়ার্ড, শীলকূপ ইউপি, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০৩ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (মাদক)।
    ৬। মোঃ দিদারুল আলম (২২), পিতা- মোঃ বদিউল আলম, সাং- মুলকিরচর, শীলকূপ, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০৬ মাস কারাদণ্ড ও ৫০০/- টাকা অর্থদণ্ড (জুয়া)।
    ৭। আব্দুল গফুর (৩০), পিতা- মৃত বদি আলম, সাং- মুলকিরচর, শীলকূপ, , থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০২ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (জুয়া)।
    ৮। আজগর হোসেন (৩২), পিতা- হাছান আহমদ, সাং- মুলকিরচর, শীলকূপ, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০৩ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (জুয়া)।
    ৯। আব্দুল জব্বার (৫৫), পিতা- মৃত নজির আহমদ, সাং- মুলকিরচর, শীলকূপ, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০২ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (জুয়া)।
    ১০। সাহাব উদ্দিন (৩০), পিতা- মীর কাশেম, সাং- মুলকিরচর, শীলকূপ, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০২ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (জুয়া)।
    ১১। মনছুরুল হক (৪০), পিতা- মৃত বদি আলম, সাং- মুলকিরচর, শীলকূপ, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০২ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (জুয়া)।
    ১২। মোঃ মোজাফফর আহমদ (৪২), পিতা- মৃত আব্দুর রহমান, সাং- মুলকিরচর, শীলকূপ, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০২ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (জুয়া)।
    ১৩। মোঃ আলাউদ্দিন (৪৫), পিতা- মৃত মনির হোসেন, সাং- বানীগ্রাম, নতুনপাড়া, ৪নং ওয়ার্ড, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম — ০৬ মাস কারাদণ্ড ও ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড (মাদক)।
    এ বিষয়ে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ রবিউল হক বলেন, সমাজকে মাদক, জুয়া ও অনলাইন জুয়ামুক্ত রাখতে নিয়মিত টহল, বিশেষ অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অপরাধ দমনে বাঁশখালী থানা পুলিশ কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তিনি অপরাধ দমনে জনসাধারণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

  • মাদকবিরোধী অভিযানে টঙ্গীর দুই বস্তি থেকে আটক ১৪ জন

    মাদকবিরোধী অভিযানে টঙ্গীর দুই বস্তি থেকে আটক ১৪ জন

    মোঃ মোসাদ্দেক হোসাইন ইমন:

    গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুই বস্তি এলাকা থেকে ১৪ জনকে আটক করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)। অভিযানে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে এরশাদনগর ও হাজী মাজার বস্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    জানা গেছে, জিএমপির চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে কয়েকদিন কৌশলগত বিরতির পর হঠাৎ করেই এ অভিযান চালানো হয়। প্রথমে এরশাদনগর বস্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৯ জনকে আটক করা হয়। পরে হাজী মাজার বস্তিতে অভিযান চালিয়ে আরও ৫ জনকে আটক করা হয়। এসময় উভয় এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

    স্থানীয় একটি গোপন সূত্র জানায়, অভিযানের তথ্য আগেই ফাঁস হয়ে যাওয়ায় কয়েকজন চিহ্নিত মাদক কারবারি ও মাদকসেবী এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। ফলে পুলিশের অভিযানে কয়েকজন আটক হলেও বড় ধরনের কোনো মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি বলে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে।

    অভিযানে নেতৃত্ব দেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. বেলায়েত হোসেন। তিনি জানান, “মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে দুই বস্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মাদক ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

    স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, টঙ্গীর বস্তি এলাকাগুলোতে মাদক কারবার ও সেবন দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারির মাধ্যমে এসব এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

  • বৃদ্ধা মহিলাকে হ/ত্যার পর মৃতদেহের সাথে কয়েক দফায় শারীরিক সম্পর্ক করে এক নরপিশাচ

    বৃদ্ধা মহিলাকে হ/ত্যার পর মৃতদেহের সাথে কয়েক দফায় শারীরিক সম্পর্ক করে এক নরপিশাচ

    টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি এলাকার একটি নির্জন বাঁশঝাড় সংলগ্ন পরিত্যক্ত কূপের ভেতর থেকে অর্ধ-ন/গ্ন অবস্থায় আনোয়ারা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। -মর্মান্তিক এ ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং স্থানীয়দের মাঝে শোক, আত/ঙ্ক ও ক্ষোভের জন্ম দেয়। ঘটনার পর থেকেই মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করে ঘাটাইল থানা পুলিশ।
    পরিবার সূত্রে জানা যায়,স্বামীর মৃ/ত্যুর পর দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়িতে একাই বসবাস করছিলেন আনোয়ারা বেগম। ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। পরিবারের সদস্যরা প্রতিনিয়ত তার খোঁজখবর নিতেন। কিন্তু হঠাৎ করেই তিনি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গেলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

    ঘটনার আগের দিন পর্যন্ত ভিকটিমের সঙ্গে তার ছেলে-মেয়েরা স্বাভাবিকভাবে কথা বলেন। পরদিন সকাল থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বিষয়টি থানাতে অবহিত করা হয় এবং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। নিখোঁজের ঘটনার পর পুলিশ ও স্থানীয়দের সমন্বয়ে ব্যাপক অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হয়।

    স্থানীয় তদন্ত, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা, বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ এবং সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণের মাধ্যমে মামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মোঃ সাইফুল ইসলামকে মূল সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়। সাইফুল ঘটনার পর পর পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছিল।

    অবশেষে টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় এবং গোপালপুর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অফিসার ইনচার্জ ঘাটাইল থানা মোঃ মোকছেদুর রহমান এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম গঠন করা হয়। উক্ত টিমের সদস্য এসআই মোঃ রাজু আহমেদ, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাজিম উদ্দিন, এএসআই আমিনুল এবং কনস্টেবল ওয়াজেদ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে ২২ মে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ রাত আনুমানিক ১টা ২৫ মিনিটে থানা এলাকা হতে আসামি মোঃ সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করেন।

    গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আসামি জানায়, গত ২৩/০৮/২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে সে ভিকটিম আনোয়ারা বেগমের বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ভিকটিম তাকে গাছের ডাল কেটে দিতে বলেন। সে গাছের ডাল কাটার একপর্যায়ে ভিকটিমকে ঘরের ভিতরে কাপড় পরিবর্তনের সময় অর্ধ-ন/গ্ন অবস্থায় দেখতে পেয়ে কু-উদ্দেশ্যে গাছ থেকে নিচে নেমে আসে। পরবর্তীতে ভিকটিমের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে মাটিতে ফেলে জোরপূর্বক ধ-র্ষ/ণ করে। পরে রান্নাঘরে নিয়ে গিয়ে পুনরায় ধ-র্ষ/ণ করে এবং মৃ/ত্যু নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বালিশ চাপা দিয়ে হ/ত্যা করে। পরবর্তীতে ঘটনাটি গোপন করার উদ্দেশ্যে মরদেহ গাছের ডালপালা দিয়ে ঢেকে রাখে এবং ভিকটিমের কানের দুল খুলে নিয়ে যায়।

    এরপর রাত গভীর হলে পুনরায় ঘটনাস্থলে এসে আনোয়ারার মৃ/তদেহের উপর থেকে ডাল পাল সরিয়ে ন/গ্ন অবস্থায় দেখে মৃ/ত আনোয়ারার সাথে পুনরায় শারিরীক সম্পর্ক করে। পরবর্তীতে মর/দেহ টেনে-হিঁচড়ে দেউলাবাড়ি এলাকার একটি নির্জন বাঁশঝাড় সংলগ্ন পরিত্যক্ত কূপের মধ্যে ফেলে দেয়। মরদেহের উপর কাপড় ও জঙ্গল ফেলে ঘটনাটি আড়াল করার চেষ্টা করে।

    প্রাথমিক তদন্তে হ/ত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামির সম্পৃক্ততার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। গ্রেফতারের পর আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হলে সে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ সংক্রান্ত পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

  • ৫০০ টাকার পণ্য মাত্র ৩১০ টাকায়: দিনাজপুরে ‘প্রতিদিন স্টোর’-এর উদ্যোগে ১১০ নারীর মুখে হাসি

    ৫০০ টাকার পণ্য মাত্র ৩১০ টাকায়: দিনাজপুরে ‘প্রতিদিন স্টোর’-এর উদ্যোগে ১১০ নারীর মুখে হাসি

    মোঃ আইনুল ইসলাম

    বিভাগীয় সম্পাদক,

    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি।

     

    তারিখ: ২২ মে ২০২৬, শুক্রবার

    স্থান: শিবপুর দরবারপুর, ৬ নম্বর ওয়ার্ড, ২ নম্বর সুন্দরবন ইউনিয়ন, দিনাজপুর সদর। গ্রামীণ অসহায় ও নিম্ন আয়ের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে নারীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান “প্রতিদিন স্টোর”-এর উদ্যোগে দিনাজপুরে খাদ্যপণ্য সহায়তা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

     

    প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মোছাঃ খালেদা বেগমের নেতৃত্বে পরিচালিত এ কার্যক্রমে

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুরস্কারপ্রাপ্ত সম্মানিত নারী উদ্যোক্তা মোছাঃ নিলুফা বেগম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রতিদিন স্টোর-এর প্রধান নারী উদ্যোক্তা মোছাঃ রুবাইয়া বেগম। তাঁরা নারী উন্নয়ন, সামাজিক সহযোগিতা এবং মানবিক কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

     

    প্রথম ধাপে মোট ১১০ জন উপকারভোগী নারীকে আনুষ্ঠানিকভাবে পণ্য প্যাকেজ প্রদান করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির জেলা অফিস দিনাজপুর সদর ঘাসিপাড়ায় অবস্থিত। জানা যায়, লাইসেন্স নং–৭৭৩৪৯৮৫২৫০৪১৩৮-এর আওতায় পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠানটি সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। আজকের প্রথম পণ্য প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত ছিল-

    ▪️ ২ কেজি আটা,

    ▪️ ১ লিটার সয়াবিন তেল,

    ▪️ আধা কেজি চিনি,

    ▪️ আধা কেজি মসুর ডাল,

    ▪️ কাজী ফার্মের দুই হালি মুরগির ডিম,মোট পাঁচটি পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় ৫০০ টাকা হলেও উপকারভোগীরা এটি গ্রহণ করেছেন মাত্র ৩১০ টাকায়, যার মধ্যে ১০ টাকা প্যাকেজিং খরচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

     

    এ বিষয়ে নারী উদ্যোক্তা ও ফিল্ড অফিসার মোছাঃ রাবেয়া আক্তার বর্ষা- দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভিকে জানান,”আমি প্রতিদিন স্টোরের পরিচালক মোছাঃ খালেদা বেগমের আওতায় ফিল্ড অফিসার হিসেবে কাজ করছি। আজ গ্রামবাসীদের মাঝে পণ্য প্যাকেজ নিয়ে এসেছি। আমাদের এই এলাকায় মোট ১১০ জন সদস্য রয়েছে। পূর্বে তিশজনকে পণ্য দেওয়া হলেও এবার ৮০ জনকে দেওয়া হচ্ছে। আমরা প্রতি মাসে অন্তত দুইবার এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের চেষ্টা করব।”

    তিনি আরও বলেন,”সদস্য হতে হলে ৩০০ টাকা জামানত দিয়ে সদস্য কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। এই টাকা সম্পূর্ণ ফেরতযোগ্য। ভবিষ্যতে কেউ পণ্য গ্রহণ না করলে জামানতের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।”

     

    শিবপুর দরবারপুর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নারী উদ্যোক্তা আলিফ লামিয়া বলেন,”আমি প্রতিদিন স্টোরের একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গ্রামবাসীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি। মানুষ আমাদের ভালো বলছেন এবং আমাদের জন্য দোয়া করছেন। এই মহৎ কাজ করতে পেরে ভালো লাগছে।” আরেক নারী উদ্যোক্তা মোছাঃ সুমাইয়া আক্তার বলেন,

    “আমরা প্রতিদিন স্টোরের পক্ষ থেকে গ্রামবাসীদের সেবা দিচ্ছি। ৫০০ টাকার পণ্য মাত্র ৩১০ টাকায় দিতে পারছি। আজ অনেক মানুষ পণ্য নিতে উপস্থিত হয়েছেন।”

     

    উপকারভোগীদের মাঝেও ছিল সন্তুষ্টির ছাপ। উপকারভোগী নারী মোছাঃ সাজেনুর বেগম বলেন, “আমরা গরিব মানুষ, কৃষিকাজ করি। ৫০০ টাকার জিনিস কম মূল্যে পাচ্ছি, এজন্য আমরা খুব খুশি। আগে এমন সহযোগিতা কখনো পাইনি।”অন্য উপকারভোগী মোছাঃ সাজেরা বেগম বলেন, “আজকের এই পণ্য প্যাকেজ পেয়ে ভালো লাগছে। এটি আমাদের পরিবারের জন্য অনেক উপকার হবে।”

     

    এদিকে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী নারীদের মাঝে আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ নিয়মিত অব্যাহত থাকলে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো উপকৃত হবে এবং নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

    সমাপ্তি মন্তব্য: গ্রামের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়ে “প্রতিদিন স্টোর”-এর এ উদ্যোগ ইতোমধ্যে এলাকাজুড়ে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সমাজসেবামূলক এমন উদ্যোগ যদি ধারাবাহিকভাবে চলমান থাকে, তবে তা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযান বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযান বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ

    মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ

    ​চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে ৫৩ বিজিবি। গত ২১ মে রাতে শিবগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের আশরাফ মোড় এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।​মনাকষা বিওপির একটি বিশেষ টহলদল স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি পরিত্যক্ত দোকান তল্লাশি করে এসব মাদক উদ্ধার করে।​ভারতীয় মদ ৭ বোতল

    ​এস্কাফ সিরাপ ৫১০ বোতল​ গাঁজা ৫০০ গ্রাম ​ইয়াবা ট্যাবলেট ৮০ পিস

    ​উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আইনি প্রক্রিয়া শেষে এগুলো শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    ​৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান জানান, সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান রোধে বিজিবি সর্বদা তৎপর। চলতি বছরে এই ব্যাটালিয়ন এ পর্যন্ত প্রায় ৫৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সীমান্তের দুর্গম ও নদীপথে অতিরিক্ত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

  • ময়মনসিংহ গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানায় এক ব্যক্তির দ্বিখণ্ডিত মরাদেহ উদ্ধার। 

    ময়মনসিংহ গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানায় এক ব্যক্তির দ্বিখণ্ডিত মরাদেহ উদ্ধার। 

    স্টাফ রিপোর্টার

    আদিলুর রহমান

    গফরগাঁও, ময়মনসিংহ

     

     

    গফরগাঁওয়ে গাছে বাঁধা যুবকের দ্বিখণ্ডিত মরদেহের পরিচয় শনাক্ত

    ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে অজ্ঞাত এক যুবককে গাছে দুই হাত বাধা অবস্থায় দ্বিখণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। দ্বিখন্ডিত মরদেহের পাশেই পড়ে ছিল মাথা। পরে মরদেহের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে পরিচয় শনাক্ত করেন পিবিআই।

    নিহত যুবক মোঃ কাওছার আলম (৪৪) দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার বাসিন্দা।

     

    বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানা এলাকার মশাখালি ইউনিয়নের দরিচাইরবাড়িয়া গ্রাম থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

     

    পুলিশ ও স্থানীয় সুত্র জানায়, সকালে মশাখালি ইউনিয়নের দরিচাইরবাড়িয়া গ্রামের একটি জঙ্গলে স্থানীয়রা মরদেহটি গাছে বাধা অবস্থায় দেখতে পারেন। মরদেহ গাছে বাধা অবস্থায় থাকলেও মাথাটি পাশেই পড়ে ছিল। পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

     

    তবে, স্থানীয়রা কেউ মরদেহ শনাক্ত করতে না পারায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) খবর দেয়া হয়। পিবিআই গিয়ে লাশের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেন। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।

     

    এ বিষয়ে পাগলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, পিবিআই পুলিশের মাধ্যমে পরিচয় জানতে পেরেছি। নিহত যুবকের বাড়ি দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলায়। তার বাবার নাম জামেদ আলী। মাতার নাম লাইলী বেগম।

    তবে কি ভাবে কি ঘটেছে, এখনো জানা যায়নি। পুলিশের একাধিক টিম ঘটনার রহস্য উধঘাটনে কাজ করছে।

  • সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণা ও অনৈতিক কার্যকলাপ।

    সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণা ও অনৈতিক কার্যকলাপ।

    মোঃ শাহ্ আলম সরকার

    স্টাফ রিপোর্টার।

    ‎রাজধানীর উত্তরা এলাকার আব্দুল্লাহপুরে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে দুই নারী ফারজানা ও শামিমার বিরুদ্ধে। গত ১৫ মে ২০২৬ ইং তারিখ বিকেলে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    ‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফারজানা ও শামিমা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিলেও বাস্তবে তাদের কোনো সংবাদমাধ্যমে কাজ করার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ রয়েছে, তারা বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে অর্থ আদায়, ব্ল্যাকমেইল এবং নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত।‎অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার দিন বিকেলে রুম ভাড়ার টাকা চাইতে গেলে রুপালি নামের এক নারীকে লক্ষ্য করে আব্দুল্লাহপুরে মিজানের ডাবের দোকানের সামনে বসে থাকা ফারজানা ও শামিমা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন।

     

    একপর্যায়ে তারা দুজন মিলে রুপালির উপর শারীরিক হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। পরে রুপালিও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা প্রতিরোধ করেন।

    ‎ঘটনার পর উল্টো শামিমা থানায় রুপালির বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে আট আনা ওজনের স্বর্ণের গলার চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার দাবি করা হলেও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এমন অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এছাড়াও অভিযোগপত্রে উল্লেখিত বেশ কিছু তথ্য মূল ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেও দাবি করেন এলাকাবাসী।

    ‎স্থানীয়দের অভিযোগ, ফারজানা ও শামিমা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায় করে আসছেন। এমনকি এক যুবকের বিরুদ্ধে মিথ্যা সম্পর্কের অভিযোগ তুলে অর্থ দাবি এবং তাকে হয়রানির ঘটনাও সামনে এসেছে। একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে চট্টগ্রামের এক যুবকের সঙ্গেও ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে।

     

    ‎এলাকাবাসী বলছেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি সাংবাদিকতার মতো সম্মানজনক পেশার নাম ব্যবহার করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালানোর কারণে প্রকৃত সাংবাদিকরা সমাজে বিব্রত ও কলঙ্কিত হচ্ছেন। তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি।

  • গোপালগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ইমিগ্রেশনে গ্রেপ্তার

    গোপালগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ইমিগ্রেশনে গ্রেপ্তার

    মোঃ শিহাব উদ্দিন , গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

     

    গোপালগঞ্জে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি প্রিন্স মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সময় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাঁকে আটক করা হয়।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর থানা–পুলিশ তাঁকে আদালতে হাজির করলে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রিন্স মোল্লা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিজড়া গ্রামের এনামুল হকের ছেলে। মুসলিম পারিবারিক আইনে দায়ের করা এক মামলায় গত ১৩ এপ্রিল গোপালগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মুহম্মদ আলী তালহা তাঁকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। রায়ের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

    মামলার বিবরণে জানা গেছে, প্রথম স্ত্রী মনিরার সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল থাকা অবস্থায় গত বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি টুঙ্গিপাড়ায় সুলতানা নামের এক নারীকে বিয়ে করেন প্রিন্স। পরে প্রথম স্ত্রী মনিরা আদালতে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত ওই রায় ঘোষণা করেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজাল রাজন এর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন আইনশৃঙ্খলা কমিটির মূখ্য উপদেষ্টা চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুল। সভায় উপস্থিত ছিলেন, সহকারি কমিশনার (ভ‚মি) মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ, সদর উপজেলা প্রকৌশলী আজাহারুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোসাঃ শারমিন আক্তার, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সুনাইন বিন জামান, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান ও ইউপি চেয়ারম্যান, শিক্ষক। সভায়, সদর উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বাল্যবিয়ে রোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ক্ষেত্রে মসজিদের ইমাম ও নিকাহ রেজিস্ট্রারদের সমন্বয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাল্যবিবাহের ফলে মাতৃমৃত্যুর ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে, তা রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এছাড়া মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ ও বিজিবির সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠন করে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে । এছাড়া অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের সতর্ক থাকার আহবান জানানো হয়।