Blog

  • মিঠাপুকুরে মাদকবিরোধী অভিযানে সফলতা

    মিঠাপুকুরে মাদকবিরোধী অভিযানে সফলতা

    মোঃ জিয়াউর রহমান

    বিভাগীয় সম্পাদক রংপুর

    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি

     

    ২৫ মে ২০২৬ রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে গাঁজা ও ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), রংপুর জেলা কার্যালয়ের “খ” সার্কেল, মিঠাপুকুর।

    সোমবার দুপুরে উপজেলার লতিবপুর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আটক দুই ব্যক্তির কাছ থেকে গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

    জানা গেছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে বিভিন্ন এলাকায় পৃথক সার্কেল গঠন করা হয়ে থাকে। এরই অংশ হিসেবে রংপুর জেলা কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত “খ” সার্কেল মিঠাপুকুর এলাকায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

    অভিযান শেষে আটককৃতদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত পরিচালনা করেন মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ পারভেজ। এ সময় আদালত আটক দুইজনকে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদান করেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় মাদককারবার বেড়ে যাওয়ায় প্রশাসনের এমন তৎপরতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তারা মাদক নির্মূলে আরও কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানান।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • ডুমুরিয়ায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট, দেশি গরুর চাহিদা বেশি

    ডুমুরিয়ায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট, দেশি গরুর চাহিদা বেশি

    শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।

    সোমবার ২৫ মে ২০২৬ ডুমুরিয়া (খুলনা): পবিত্র ঈদুল আযহা বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। এরই মধ্যে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটগুলো ক্রেতা ও বিক্রেতাদের পদচারণায় জমে উঠেছে। উপজেলার চুকনগর, শাহপুর, খর্ণিয়াসহ প্রধান প্রধান হাটগুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে গবাদিপশু বেচাকেনা।

    স্থানীয় খামারিরা তাদের পরম যত্নে লালন-পালন করা গরু ও ছাগল হাটে নিয়ে আসছেন। এবারের বাজারে বড় আকারের গরুর চেয়ে মাঝারি ও ছোট সাইজের দেশি গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    মাঝারি গরু: বাজারে ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ক্রেতারা এই বাজেটের মধ্যেই বেশি ঝুঁকছেন।

    বড় গরু: ২ লক্ষ থেকে শুরু করে তদূর্ধ্ব মূল্যের বড় সাইজের গরুর সরবরাহ থাকলেও ক্রেতা কিছুটা সীমিত।

    ছাগলের বাজার: খাসির বাজারেও ক্রেতাদের বেশ ভিড় দেখা গেছে। ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো মানের খাসি পাওয়া যাচ্ছে।

    হাটে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার পশুর দাম কিছুটা চড়া মনে হচ্ছে। তবে হাটে পর্যাপ্ত গবাদিপশু থাকায় তারা ঘুরেফিরে দেখেশুনে কেনার সুযোগ পাচ্ছেন।

    অন্যদিকে বিক্রেতা ও খামারিরা জানান, গো-খাদ্যের (ভুসি, খৈল, খড়) দাম অতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার পশু লালন-পালনে খরচ অনেক বেশি হয়েছে। তাই কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি না করলে তাদের লোকসান গুনতে হবে। তবে বাজারে কৃত্রিম কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই।

    পশুর হাটগুলোতে জালিয়াতি ও অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রোধে এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। এছাড়া জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিনের পাশাপাশি হাটের হাসিল (খাজনা) আদায়ের বিষয়টিও তদারকি করা হচ্ছে।

    খামারিদের আশা, ঈদের দু-একদিন আগে বাজার আরও চাঙ্গা হবে এবং তারা সঠিক মূল্যেই তাদের পশু বিক্রি করতে পারবেন।

     

     

     

     

     

     

     

     

  • গোপালগঞ্জে পশুর হাট পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, নিরাপত্তায় জোরদার।

    গোপালগঞ্জে পশুর হাট পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, নিরাপত্তায় জোরদার।

    মোঃ শিহাব উদ্দিন

    গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

    আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন করেছেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ। সোমবার (২৫ মে) জেলার বিভিন্ন হাট ঘুরে তিনি সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।
    পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার বলেন, পশুর হাটে আগত ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডিউটি, টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
    তিনি জানান, পশুর হাটকে কেন্দ্র করে জাল নোট চক্র, চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারী, মলম পার্টি ও অজ্ঞান পার্টির মতো অপরাধী চক্রের অপতৎপরতা রোধে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা যেন পশু বিক্রির অর্থ নিরাপদে নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
    পুলিশ সুপার আরও বলেন, ঈদকে সামনে রেখে জনগণের নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা পুলিশের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। তিনি সবার ঈদ আনন্দময় ও উৎসবমুখর হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
    এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশিদসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রেমঘটিত অভিমানে কোটালীপাড়ায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

    প্রেমঘটিত অভিমানে কোটালীপাড়ায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

    মোঃ শিহাব উদ্দিন, গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা উপজেলার টিহাটি গ্রামে প্রেমঘটিত বিষয় নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অভিমান করে লামিয়া আক্তার অধরা (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটে গত ২৪ মে দুপুর ১২টা দিকে।

    নিহত অধরা টিহাটি গ্রামের কেরামত কাজীর মেয়ে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিষয় নিয়ে অভিমান করে পরিবারের সবার অগোচরে নিজ বসতঘরের বারান্দার আড়ার সঙ্গে নিজের পরিহিত ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয় সে।

    পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এ মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের মাঝে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।

  • পার্বতীপুরে ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, বিক্ষুব্ধ জনতার ট্রাকে অগ্নিসংযোগ

    পার্বতীপুরে ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, বিক্ষুব্ধ জনতার ট্রাকে অগ্নিসংযোগ

    জাকারিয়া হোসেন

     

    দিনাজপুরের পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী মহাসড়কের হাবড়া এরশাদ নগর এলাকায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন।এ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ আরও দু’জন গুরুতর আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মরিচবোঝাই একটি ট্রাক ঢাকা মেট্রো-ড (১১-৯৪০১)পার্বতীপুর থেকে ফুলবাড়ীর দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে একটি মোটরসাইকেল ফুলবাড়ী দিক থেকে পার্বতীপুরের দিকে আসছিল।হাবড়া এরশাদ নগর এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ করেই দুই যানবাহনের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

    সংঘর্ষের তীব্রতায় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই একজন আরোহী নিহত হন।

    নিহত ব্যক্তি পূর্বদুর্গাপুর এলাকার তমেজ উদ্দিনের ছেলে, সাবেক মেম্বার তৈবুর রহমান (৫৫)।এ ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা সারমিন বেগম (৩৫)ও তার দুই বছর বয়সী শিশু ছামিউল ইসলাম গুরুতর আহত হন। আহত সারমিন বেগম একই এলাকার মমিনুল ইসলামের স্ত্রী বলে জানা গেছে।

    দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    এদিকে দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। ক্ষুব্ধ জনতা ঘটনাস্থলেই ঘাতক ট্রাকটি আটক করে অগ্নিসংযোগ করে। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    পার্বতীপুর থানা পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক ও হেলপার পালিয়ে যায়। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি ঘটনার কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

  • অতিরিক্ত খাজনা আদায়: কুড়িগ্রামে পশুর হাটের ইজারাদারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

    অতিরিক্ত খাজনা আদায়: কুড়িগ্রামে পশুর হাটের ইজারাদারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

    রফিকুল ইসলাম রফিক কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

    আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নাজিমখাঁন পশুর হাটে সরকার নির্ধারিত হারের চেয়ে অতিরিক্ত খাজনা (টোল) আদায়ের অভিযোগে হাটের ইজারাদার পক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

     

    শনিবার (২৩ মে) দুপুরে নাজিমখাঁন বাজারে উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত বাজার তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের সময় এ জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন রাজারহাট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামিউর রহমান।

     

    ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নাজিমখাঁন পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক সমাগম ঘটেছে। এ সুযোগে হাটের ইজারাদার পক্ষ সরকার নির্ধারিত টোলের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে—এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এবং প্রাপ্ত রসিদ যাচাই করে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

     

    অভিযানকালে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪০ ধারায় ইজারাদার পক্ষকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে নির্ধারিত হারের অতিরিক্ত খাজনা আদায় না করার জন্য কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।

     

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামিউর রহমান বলেন, “পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে কোনো পশুর হাটে ক্রেতা বা বিক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত খাজনা আদায় করে হয়রানি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনস্বার্থে বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

     

    স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনের এ উদ্যোগে পশুর হাটে শৃঙ্খলা বজায় থাকবে এবং ক্রেতা-বিক্রেতারা হয়রানিমুক্ত পরিবেশে বেচাকেনা করতে পারবেন।

  • ঈদযাত্রা ও পশুর হাটে র‌্যাবের বাড়তি নজরদারি, সক্রিয় গোয়েন্দা টহল

    ঈদযাত্রা ও পশুর হাটে র‌্যাবের বাড়তি নজরদারি, সক্রিয় গোয়েন্দা টহল

    অপূর্ব সরকার,পটুয়াখালী প্রতিনিধি:

    আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহাকে সামনে রেখে পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে র‌্যাব-৮, সিপিসি-১। ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ রাখতে বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট এবং গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থলে বাড়ানো হয়েছে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি। একই সঙ্গে বৃহত্তর পশুর হাটগুলোতেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

     

    রবিবার ( ২৪ মে ) র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোরবানির পশু কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপরাধ, প্রতারণা কিংবা চাঁদাবাজি ঠেকাতে মাঠে সক্রিয় রয়েছে র‌্যাবের আভিযানিক দল। হাটগুলোতে পোশাকধারী সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

     

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পশুর হাটে জাল টাকা লেনদেন প্রতিরোধে অত্যাধুনিক জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন বসানো হয়েছে। পাশাপাশি কোরবানির পশু পরিবহনে চাঁদাবাজি বা হয়রানির অভিযোগ পেলেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

     

    ঈদকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পয়েন্টে বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। ছিনতাইকারী চক্র, অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির তৎপরতা রোধে নিয়মিত টহল ও নজরদারি চালানো হচ্ছে।

     

    এছাড়া ঈদের কেনাকাটাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মার্কেট, বিপণিবিতান এবং প্রধান ঈদগাহগুলোতেও বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা তৎপরতা। সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাব সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

  • গোয়াইনঘাটে পুলিশের ‘ফোর্স মোবিলাইজেশন ড্রিল’ ও বিশেষ অভিযান।

    গোয়াইনঘাটে পুলিশের ‘ফোর্স মোবিলাইজেশন ড্রিল’ ও বিশেষ অভিযান।

    মোঃ আল আমিন গোয়াইনঘাট :

     

    সিলেট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএম হাসিবুল বেনজিরের দিকনির্দেশনায় জননিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সিলেটের গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ‘ফোর্স মোবিলাইজেশন ড্রিল’ ও বিশেষ টহল অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশের এই তৎপরতায় উপজেলার বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দৃশ্যমান উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ও নিরাপত্তাবোধ ফিরিয়ে এনেছে।

     

    রোববার (১২ মে) বিকেল ৩ ঘটিকার সময় গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে থানা কম্পাউন্ড থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলা সদর, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার ও জনবহুল এলাকা প্রদক্ষিণ করে সীমান্ত সংলগ্ন বিভিন্ন পয়েন্টে গিয়ে বিশেষ অভিযানে মিলিত হয়।

     

    অভিযান চলাকালে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে কঠোর নজরদারিমূলক চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পুলিশের এই বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় যানবাহন তল্লাশি, সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় বাড়তি নজরদারি করা হচ্ছে। বিশেষ করে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানে পুলিশ বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে থানা সূত্রে জানানো হয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের এমন সক্রিয় তৎপরতার কারণে এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অনেকটাই কমে এসেছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় পুলিশের নিয়মিত টহলের ফলে সাধারণ মানুষ আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বস্তিতে চলাফেরা করতে পারছেন।

     

    এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মনিরুজ্জামান বলেন, “জনসেবাই পুলিশের মূল অঙ্গীকার। সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ফোর্স মোবিলাইজেশন ড্রিলের মাধ্যমে আমাদের সেবামূলক কার্যক্রম ও নজরদারি আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।”তিনি আরও জানান, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও চেকপোস্ট কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। যেকোনো ধরনের অপরাধ বা সন্দেহজনক তথ্য দ্রুত পুলিশকে জানিয়ে সহযোগিতা করার জন্য তিনি উপজেলার সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান।

  • নয় দিন নিখোঁজ, মিলেছিল সেপটিক ট্যাংকিতে লাশ: সেই আসমা মামলার রায় ফের পেছালো

    নয় দিন নিখোঁজ, মিলেছিল সেপটিক ট্যাংকিতে লাশ: সেই আসমা মামলার রায় ফের পেছালো

    প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, সহকারী সম্পাদক:

     

    নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা-এর আলোচিত শিশু আসমা আক্তার (৫) হত্যা মামলার রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে আগামী ২৪ জুন নির্ধারণ করেছেন আদালত। দীর্ঘ চার বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এখন আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির অপেক্ষায় রয়েছে নিহত শিশুর পরিবার ও এলাকাবাসী।

     

    রোববার (২৪ মে) নোয়াখালীর বিশেষ শিশু ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তার এ নতুন তারিখ ধার্য করেন।

     

    রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুক্লা সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এদিন মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। তবে বিচারক এজলাসে বসেই রায়ের তারিখ পুনর্নির্ধারণ করে আগামী ২৪ জুন ঠিক করেন।

    নিহত আসমা উপজেলার বদলকোট ইউনিয়ন-এর মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির মাওলানা মো. শাহজাহানের মেয়ে। মামলার আসামি শাহাদাত একই বাড়ির বাবুল হোসেনের ছেলে।

     

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশু আসমা। নিখোঁজের নয় দিন পর বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংকি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

     

    পরে গ্রেপ্তার হওয়া জেঠাতো ভাই শাহাদাত আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, ধর্ষণের পর ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় সে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকিতে ফেলে রাখে।

     

    ঘটনার পর পুরো নোয়াখালী জুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়রা শুরু থেকেই দ্রুত বিচার ও আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছেন।

     

    নিহত আসমার পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে বিচারিক প্রক্রিয়া চলায় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তারা দ্রুত রায় কার্যকর করে দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

  • আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ৭ নং হাড়িভাসা ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের সদস্য পদে আলোচনায় মাহবুব সাঈদী”

    আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ৭ নং হাড়িভাসা ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের সদস্য পদে আলোচনায় মাহবুব সাঈদী”

    শাহিনুর রহমান পঞ্চগড়

    দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি

     

    আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পঞ্চগড় সদর উপজেলার ৭ নং হাড়িভাসা ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডে সদস্য পদে আলোচনায় রয়েছেন তরুণ সমাজসেবক ও হাড়িভাসা ইউনিয়ন এনসিপির সভাপতি মাহবুব সাঈদী।

    ইতোমধ্যে তিনি ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়, খোঁজখবর নেওয়া ও সামাজিক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয়দের নজর কেড়েছেন। তরুণদের পাশে থাকা, এলাকার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের সেবায় কাজ করার আগ্রহ থেকেই তিনি আসন্ন ইউপি নির্বাচনে সদস্য পদে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

    স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, মাহবুব সাঈদী দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    এ বিষয়ে মাহবুব সাঈদী বলেন,

    “আমি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। এলাকাবাসী চাইলে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪ নং ওয়ার্ড থেকে সদস্য পদে নির্বাচন করার ইচ্ছা রয়েছে। জনগণের ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়েই এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই।”

    রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তার সক্রিয় উপস্থিতি ইতোমধ্যে ওয়ার্ডজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।